দুই ভাই চার্চে অপরাধ কনফেস করে যেভাবে লাভবান হলো

৯২৬ পঠিত ... ০৫:৩০, সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২০

 

রোমের ১২ ও ১৪ বছর বয়েসি দুই ভাই একদিন ২০ ও ৫০ ইউরোর নোট নিয়ে বাড়ি ফেরে। তাদের মা জিজ্ঞেস করে, কোত্থেকে এতো টাকা পেলি তোরা?

১২ বছর বয়েসি ছেলেটা বলে, আসলে আমরা ব্রোথেল থেকে এক লোককে বের হতে দেখে তাকে গিয়ে বলি, সে কোথায় গিয়েছিলো তা আমরা দেখে ফেলেছি। লোকটা অনুরোধ করে কাউকে এ ব্যাপারে কিছু না বলতে আর মুখ বন্ধ রাখার পুরস্কার হিসেবে ২০ ইউরো দেয়।

১৪ বছর বয়েসি ছেলেটি বলে, এরপর আমরা তাকে অনুসরণ করি। সে তার বাসার গেটে পৌঁছাতেই তাকে গিয়ে বলি, এখন তো আমরা এ-ও জেনে গেলাম কোথায় আপনার বাসা! লোকটা তখন আমাদের হাতে ৫০ ইউরো ধরিয়ে দিয়ে অনেক কাকুতি মিনতি করে ব্যাপারটা চেপে যাওয়ার জন্য।

মা এসব শুনে অত্যন্ত রেগে গিয়ে বলে, এটা খুবই বাজে আচরণ হয়েছে। তোমাদের লজ্জা পাওয়া উচিত নিজেদের নিয়ে। লোকটার সঙ্গে এমন আচরণের জন্য তোমাদের মাঝে অনুতাপ হওয়া দরকার। যাও চার্চে গিয়ে কনফেস করে এসো তোমাদের এই ব্ল্যাক মেইলিং-এর অপরাধের কথা।

ছেলে দুটি মায়ের নির্দেশ অনুযায়ী চার্চে যায়; নিজেদের অপরাধ কনফেস করে; যাজকের সামনে ক্ষমা চায়।

এর কিছুক্ষণ পর তারা ১০০ ইউরো নিয়ে ফিরে আসে; কারণ এখন তারা জানে, লোকটা কোথায় কাজ করে সে তথ্যটাও।

৯২৬ পঠিত ... ০৫:৩০, সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২০

আরও

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

আইডিয়া

গল্প

রম্য

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি

স্যাটায়ার


Top