হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স-এর ২০২৬ সালের হালনাগাদকৃত বৈশ্বিক পাসপোর্ট র্যাংকিয়ের তালিকা প্রকাশ পেয়েছে। ১৯৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দুই ধাপ এগিয়ে এখন ৯৫ থেকে ৯৩তম।
নিজের শক্তি বাড়াতে কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে এই এক বছরে? জানতে চাওয়া হলে লজ্জায় মলাট কেঁপে ওঠে পাসপোর্টের।
: নিয়মিত পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করেছি।
: সে কী!
: হ্যাঁ, ১৯৯টা দেশের সাথে প্রতিযোগিতা করা তো আর চাট্টিখানি কথা নয়! ৩৭টা দেশে ভিসা ছাড়া যেতে পারছেন। আর কী চান?
: কোন ৩৭টা দেশ?
: গাম্বিয়া, তিমুর, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো, টুভ্যালু এবং ভানুয়াতু, মন্তসেররাত, মোজাম্বিক, নুউয়ে, রুয়ান্ডা, সামোয়া, সেশেলস, সিয়েরা লিওন, সেইন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রেনাডাউন…
: আচ্ছা, আচ্ছা। বিস্ময়কর ব্যাপার! কিন্তু আপনার আগের যে শক্তি ছিল , সেটা ছাপিয়ে নতুন এই অর্জনের নেপথ্যের রহস্যটা যদি উন্মোচন করতেন, অন্যদের জন্য অনুকরণীয় হতে পারত।
: আমি রেগুলার জিম করেছি। মানুষ যে হারে আমায় পুশআপ করিয়েছে…জলে ভিজে, রোদে পুড়ে, আগুনের আঁচে জীবনের ছাঁচে এই দুধাপ উন্নয়ন—সহজ কম্মো নয় । তাছাড়া কেউ আমায় হাতের তালুতে নিয়ে নরম জায়গা যেমন সোফা, বিছানা, ম্যাট্রেস এ আছাড় মারে। পোড় খেয়ে খেয়ে আমি হয়ে উঠেছি অদম্য। এমন সব দেশে ফ্রী ভিসায় যাচ্ছি যা বাংলাদেশের মানুষ কল্পনাই করতে পারেনি। আমার গায়ের লোগো দেখলেই কত অ্যাম্বাসির লোম দাঁড়িয়ে যায়, কত ভঙ্গিমায় তাকায়। এই অর্জন কি ওভারনাইট সম্ভব? নো!
আমার শক্তি আরও বাড়বে, কুলাউড়ায় শুনেছি ইউরেনিয়াম পাওয়া যায়। একটু ইউরেনিয়াম মেখে নিলে আমার শক্তি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্টকে টেক্কা দেব। ওয়াশিংটন না ঢাকা? আপনারা আগামী বছরের রিপোর্টের অপেক্ষা করেন। দেখবেন ফ্রী ভিসায় আরো কিছু আনকমন দেশের নাম নিয়ে আসব।
ইন্টারভিউয়ার এরপর কী করেছিল জানা যায়নি, তবে তার পাসপোর্ট নাকি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।



পাঠকের মন্তব্য