এক পোলিশ লোক একটি আলাদিনের জাদুর প্রদীপ খুঁজে পেল, যার ভেতর ছিল এক দৈত্য।
নিয়ম অনুযায়ী, দৈত্য তাকে তিনটি ইচ্ছা পূরণের সুযোগ দিল।
লোকটি প্রথম ইচ্ছায় বলল, আমি চাই, একদল মঙ্গোলীয় সৈন্য আমার দেশ পোল্যান্ডে আসুক, লুটপাট ও গণহত্যা চালাক এবং তারপর নিজেদের দেশে ফিরে যাক।
দৈত্য তো শুনে অবাক! ইচ্ছাটি বেশ অদ্ভুত মনে হলেও নিয়ম অনুযায়ী তা পূরণ করল। মঙ্গোলীয়রা পোল্যান্ডের সীমান্ত এলাকায় এসে লুটপাট ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে নিজেদের দেশে ফিরে গেল।
দ্বিতীয় ইচ্ছার সময় লোকটি আবার একই দাবি জানাল—আরেকদল মঙ্গোলীয় সৈন্য এসে পোল্যান্ডে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যেন ফিরে যায়।
দৈত্য কিছুই বুঝতে না পেরে আঙুল তুড়ি মারল। এবার আরেকদল সৈন্য পোল্যান্ডের প্রথম শহরে ঢুকে তাণ্ডব চালিয়ে নিজেদের দেশে ফিরে গেল।
তৃতীয় ইচ্ছার সময়ও পোলিশ লোকটি হাসিমুখে বলল, দৈত্য, আমি চাই আরও একদল মঙ্গোলীয় সৈন্য পোল্যান্ডে আসুক এবং আগের মতোই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে চলে যাক।
দৈত্য একেবারেই হতবাক হয়ে গেল! লোকটির শেষ ইচ্ছাটিও পূরণ করার পর সে আর নিজেকে সামলাতে না পেরে জিজ্ঞেস করল, ভাই, তুমি কী ধরনের মানুষ?! তুমি নিজের দেশ পোল্যান্ডে তিন-তিনবার মঙ্গোলীয় সৈন্যদের ডেকে এনে এত বড় সর্বনাশ কেন করালে?!
পোলিশ লোকটি এক গাল হেসে উত্তর দিল—
আরে বোকা! তারা যদি চীন থেকে পোল্যান্ডে তিনবার আসে আর যায়, তাহলে তার মানে হচ্ছে, যাতায়াতের পথে রাশিয়াকে অন্তত ছয়বার তছনছ করে দিয়ে গেছে!



পাঠকের মন্তব্য