হাদীর মৃত্যুর সঙ্গে সরাসরি জড়িত 'র'-এর প্রধান বাংলাদেশে এসেছেন। হাদীভক্ত হিসেবে আমার কিছু চাওয়া:
১. রাজনীতি না বোঝা অনেক অজ্ঞ লোকজন তাকে আটক করার দাবি জানাচ্ছেন। আমি যতদূর রাজনীতি বুঝি, আমার পরামর্শ হলো—তাকে আটক করা যাবে না। তাকে আটক করলে আমাদের পররাষ্ট্রনীতি চাপের মুখে পড়বে। বরং তাকে আমরা সুন্দরী নারীর ফাঁদে ফেলে সব গোপন কথা বের করতে পারি।
২. তাকে অনেক পকেটওয়ালা একটা শার্ট পরিয়ে, সব পকেটে কয়েক হাজার টাকা ঢুকিয়ে মোহাম্মদপুরে ছেড়ে দিতে পারি। এক বেলা মোহাম্মদপুরের রাস্তায় ঘুরে বেড়িয়ে তিনি নিজেই সন্ধ্যার দিকে থানায় উপস্থিত হয়ে কনফেশন করবেন বলে আমার অনুমান।
৩. তাকে আমরা হাত-পা বেঁধে চেয়ারে বসিয়ে চোখের পাতায় স্কচটেপ লাগিয়ে মৌসুমি ও হাসান জাহাঙ্গীরের 'কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ' সিনেমাটা দেখাতে পারি। বিরতির আগেই হড়বড় করে সব তথ্য উগরে দেবেন।
৪. 'রোনালদো একমাত্র গোট' লেখা একটা জার্সি পরিয়ে তাকে আমরা বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে ছেড়ে দিতে পারি। দশ মিনিটের মধ্যেই পেট থেকে কথা বের হয়ে যাবে। যে অন্যায় তিনি করেননি, সেই অন্যায়েরও কনফেস করার প্রবল সম্ভাবনা আছে।
৫. তাকে আমরা ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবিরের সঙ্গে একটা টকশোতে আমন্ত্রণ জানাতে পারি। এক টকশোতেই তিনি কুপোকাত হবেন। টকশো থেকে বের হওয়ার আগেই তার নামে দু-একটা এফআইআর হবে বলে আমি আশা রাখি।
৬. আমরা তাকে আটক না করেই আটক করেছি—এমন সংবাদ ছড়িয়ে দিতে পারি ভারতে। এতে করে ভারতের মানুষ ভয় পাবে। তাদের একটা শিক্ষা হবে। পাশাপাশি, যেহেতু বাস্তবে আটক হয়নি, সেহেতু দুই দেশের সম্পর্কও ভালো থাকবে। এটা একটা গুড ডিল।
৭. তার একটা ক্লোন বানাতে পারি আমরা। বাস্তবের মানুষটাকে এখানে আটকে রেখে আমরা ক্লোনটাকে ভারতে পাঠাতে পারি। এতে দুটো লাভ। বাস্তবের ক্রিমিনালটা থেকে কনফেশন আদায় করার অনেক সময় পাওয়া যাবে। পাশাপাশি, ভারতের ইন্টেলিজেন্স সম্পর্কে ওই ক্লোন আমাদের দেশে প্রচুর তথ্য পাচার করবে। সব তথ্য কালেক্ট করে আমরা সুযোগ বুঝে ভারতে একটা আক্রমণ চালাতে পারি।
আরও কিছু অপশন আছে, ওগুলো প্রিমিয়াম, শুধু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেই ওগুলো নিয়ে আলাপ করার ইচ্ছা আছে আমার। বেসিক অপশন নেটে ছেড়ে দিলাম। যদি উচ্চপর্যায়ের কারও চোখে পড়ে, যোগাযোগ করবেন।


