রাবিতে আঁকা দাড়িপাল্লা আমাদের না, ডিজাইন দেখেন অন্যরকম: সমুদ্রগুপ্ত

৫৮ পঠিত ... ১৭:১২, আগস্ট ১০, ২০২৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি প্রদর্শনীতে আঁকা দাঁড়িপাল্লায় ২৪কে একাত্তরের চেয়ে বেশি ভারী দেখানোর ঘটনায় যখন চারদিকে তুমুল আলোচনা, তখন বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন গুপ্ত সাম্রাজ্যের প্রখ্যাত সম্রাট সমুদ্রগুপ্ত। তবে তাঁর দাবি, ছবিতে যে দাঁড়িপাল্লা দেখা গেছে, সেটির সঙ্গে তাঁদের কোনো সম্পর্ক নেই। ঘটনার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ দাঁড়িপাল্লার ওজন নিয়ে, কেউ শিল্পীর ব্যাখ্যা নিয়ে, আবার কেউ ইতিহাসের ওজন নিয়ে আলোচনা শুরু করেন। এর মধ্যেই বহু শতাব্দী পেরিয়ে এক প্ল্যানচেট কলে উপস্থিত হন সমুদ্রগুপ্ত।

কল ধরেই তিনি বলেন, ভাই, সবকিছুর মধ্যে আমাদের টানেন কেন? গুপ্ত সাম্রাজ্য ছিল বলে কি দুনিয়ার সব গুপ্ত রহস্যের দায়ও আমাদের?

প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে ছবিটি দেখানো হলে তিনি কিছুক্ষণ নীরব থেকে জুম করে সেটি দেখেন। এরপর বলেন, দাঁড়িপাল্লাটা ভালো করে দেখেন। ডিজাইনই তো আলাদা! আমাদের আমলের দাঁড়িপাল্লা ছিল ইনসাফের প্রতীক। এইটা দেখে তো মনে হচ্ছে, এক পাশের সঙ্গে আরেক পাশের কোনো যোগাযোগই নাই।

তবে ইতিহাসে তাদের পূর্বপুরুষদের কিছু ভুলত্রুটি ছিল—এমন অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকারও করেননি সমুদ্রগুপ্ত। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, দেখেন, আমাদের পূর্বপুরুষরা ঐতিহাসিক কিছু ভুল করে থাকতেই পারেন। রাজা-বাদশাদের ভুল হয়। কিন্তু তাই বলে আমরা যা করব, সেটাও দোষের হবে—এই যুক্তি কই থেকে আসল?

এরপর নিজের বংশপরিচয় নিয়েও পরিষ্কার ব্যাখ্যা দেন সমুদ্রগুপ্ত। আমরা ঘোষ বংশ না, আমাদের নামও নন্দ না। আপনারা নামের মধ্যে গুপ্ত দেখলেই সব গুপ্ত সাম্রাজ্যের ঘাড়ে চাপাইয়া দেন। এইভাবে চললে একদিন ‘গুপ্ত ক্যামেরা’ও আমাদের আবিষ্কার বলে চালিয়ে দেবেন।

এদিকে প্রদর্শনীর শিল্পীর পক্ষ থেকে ছবিটির পক্ষে ব্যাখ্যা দেওয়ার বিষয়টিও সমুদ্রগুপ্তের নজর এড়ায়নি। তিনি জানান, শিল্পীর স্বাধীনতা আছে এবং থাকতে হবে। তবে শিল্পের দায়ভারও তাকেই নিতে হবে।

তবে কল চলাকালীন অবস্থায় হঠাৎ অপর প্রান্তে ‘খেলা যে চলছে কোন লেভেলে’ গানটি বেজে উঠলে আমাদের প্রতিবেদকের কলটি কেটে দেন তিনি।

৫৮ পঠিত ... ১৭:১২, আগস্ট ১০, ২০২৬

Top