শুক্রবার সকালে হাসুন: ১০টি মজার কৌতুক সাথে ২টা ফ্রি

১১৪১ পঠিত ... ১১:২০, মে ১৫, ২০২০

১#
কোন দেশের সরকারি কর্মচারীরা কিভাবে কাজ করে সে বিষয়ে আলাপ চলছিলো।

ফ্রান্সে গোপনীয়তা এতো বেশি যে এক কারখানার লোক কী বানায় অন্য কারখানার লোকেরা তা জানে না। 

ইংল্যান্ডে একটা পরীক্ষাগারে কী গবেষণা হচ্ছে পাশের পরীক্ষাগারের লোক জানে না৷  

আমেরিকায় কর্মচারীরা জানে না, তার সহকর্মী পাশের টেবিলে কী করছে। 

আর বাংলাদেশের কর্মচারীরা কী  কাজ করছে তা নিজেরাই জানে না। 

 

২#
গাইনি ডাক্তারের চেম্বারে প্রতিদিন বিকেলে এক লোক এসে উপস্থিত মেয়ে রোগীদের ইকে তাকিয়ে থাকে। মেয়েরা সবাই ডাক্তারের কাছে কমপ্লেইন করলো৷ ডাক্তার একদিন সেই লোককে পাকড়াও করলো। 

: কী ব্যাপার? আপনার সমস্যা কী?  প্রতিদিন বিকেলে এসে আমার চেম্বারে মেয়েদের দিকে তাকিয়ে থাকেন কেন? 

: কী করবো স্যার? আপনিই তো বাইরে সাইনবোর্ডে  লিখে রেখেছেন, 'মহিলাদের দেখার সময় বিকেল ৪টা থেকে ৫টা।' 

 

৩#
বাবা আর ছেলে একটা অনুষ্ঠানে গান শুনতে গেল। একটা মেয়ের গান বাবার বেশ পছন্দ হলো। বাবা বললো- 

: মেয়েটার গলাটা খুব সুন্দর না?

: হ্যাঁ বাবা। বাঁ পাশে একটা তিলও আছে। 

 

৪#
পার্কে এক বৃদ্ধ লোক বসে ছিল। এক সাংবাদিক তার কাছে এগিয়ে গেল। 

: আমি একজন সাংবাদিক৷ আপনাকে একটা প্রশ্ন করতে পারি?

: করেন।

: আচ্ছা আপনি তো মনে হয় এই বয়সেও ভালো আছেন। আপনার এই সুস্থ্য জীবনের রহস্য কী?

: আমি দিনে তিন প্যাকেট সিগারেট খাই। সপ্তাহে এক কার্টন হুইস্কি পান করি৷ জাঙ্ক ফুড খাই আর কখনও ভুলেও ব্যায়াম করি না। 

: বলেন কি! তারপরেও আপনি চমৎকার  আছেন। আপনার বয়স এখন কত চলছে?

: পঁচিশ। 


৫#
এক লোক ডাক্তারের কাছে আসলো। 

: ডাক্তার সাহেব, আপনি ১টা দাঁত তুলতে কত টাকা নেন? 

: ২০০০ হাজার।

: ৩টি দাঁত তুললে? 

: এই ধরুন, ৫ হাজার? 

: আচ্ছা, মৃত মানুষের দাঁত তুললে আপনার রেট কতো? 

: আপনি কি ফাজলামি করছেন? আমার সময়ের দাম আছে। 

: আমার বাবা গতকাল মারা গেছে। উনার কয়েকটা দাঁত সোনায় বাঁধানো ছিলো। 

 

৬#
নাতি স্কুল কামাই দিয়েছে বলে স্কুলের এক শিক্ষক বাসায় এসে হাজির। দাদু ব্যাপারটা জানেন৷  কিন্তু নাতির দাদুর প্রবল স্নেহ। তাই দাদু নাতিকে বললেন,  

: জলদি লুকিয়ে পড়। তোর স্কুলের স্যার কিন্তু এসেছে। 

নাতি উল্টা বললো, ‘তুমি লুকাও।’ 

: কেন? আমি কেন লুকাবো?

: স্যার জানেন তুমি মারা গেছো। 

 

৭#
দুই জীবাণুর অনেক দিন পর দেখা। তারা পরস্পরের বন্ধু। 

১ম জীবাণু: কিছুদিন ধরে তোর কোনো খবর নাই। কী অবস্থা?

২য় জীবাণু : সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং আর কোয়ারেন্টিনের নিয়ম মেনে চলছিলাম৷ 

১ম জীবাণু:  কেন রে?

২য় জীবাণু: আমাকে পেনিসিলিনে ধরেছে।   

 

৮#
এক লোক জীবনে কখনও ক্রিকেট খেলা দেখেনি। কিন্তু সে ঠিক করলো, পরবর্তী ক্রিকেট ওয়ার্ল্ডকাপের সবগুলো খেলাই দেখবে৷ কিন্তু খেলাটা তো আগে বোঝা দরকার৷ তাই সে রাস্তায় নেমে একজনকে বললো-

: ভাই এই শহরে কোথাও কি ক্রিকেট খেলা হচ্ছে এখন? 

: হ্যা। লীগের খেলা দেখতে পারেন।

:কোন স্টেডিয়ামে? 

: ঐতো সামনের মোড়ে গিয়ে দেখবেন একটা স্টেডিয়াম। ওখানেই খেলা চলছে।

: ওখানেই টিকিট পাবো? 

: হ্যা ওখানেই পাবেন। তবে ওখানে দেখবেন দুটো লাইন। একটা অনেক বড় লাইন আরেকটা ছোট। ছোট লাইনটায় দাঁড়াবেন। 

: বড় লাইনটা কিসের?

: হালিমের। রোজার মাস তো। 

 

৯#
এক তরুণ একটা দোকানে ঢুকে বললো, অনপেমেন্ট একটা ফোন করতে পারি?

: করেন। 

ফোন এগিয়ে দিল দোকানি। ফোন দিল তরুণ।

: হ্যালো আফজাল চৌধুরী স্যার বলছেন?  আচ্ছা আপনার এপার্টমেন্টের জন্য একজন বিশ্বস্ত লোক খুঁঁজছিলেন তাকে কি পেয়ে গেছেন? ও আচ্ছা... তা সে কাজকর্ম ভালোভাবে করছে তো? ওকে দিয়েই তাহলে চলবে? জ্বি আচ্ছা ঠিক আছে... ঠিক আছে। 

তরুণ ফোন রেখে দিল। দোকানি বললো, ঐ কাজটা আপনি চাচ্ছিলেন বোধ হয়?

: ঐ কাজটা আসলে আমিই করছি৷ 


১০#
বিশটি বিখ্যাত টেক কোম্পানির বিশজন সিইও একটা প্লেনে করে এক কনফারেন্সে যোগ দিতে যাবেন। সবাই প্লেনে ওঠার উপর প্রত্যেক সিইওকে গোপনে জানানো হলো যে এটি পাইলট ও ক্রুবিহীন বিমান।  এবং প্লেনে যে সফটওয়্যার  ব্যবহার করা হয়েছে সেটা তার কোম্পানির। এ কথা শুনে দ্রুততম সময়ে বিশ জনের মধ্যে উনিশজনই নানা অজুহাত দেখিয়ে নেমে গেল। একজন দিব্যি বসে রইলো। তার কাছে একজন এগিয়ে গিয়ে বললো, 'সবাই নেমে গেল অথচ আপনি রয়ে গেলেন যে?' 

: আমি বিডিসুপারটেক-এর সিইও হিসেবে ভালো করেই জানি যে, আমার কোম্পানির সফওয়্যার ব্যবহার করে থাকলে এই প্লেন ওড়া তো দূরের কথা স্টার্টই নেবে না। 

 

#এই যে একটা ফ্রি কৌতুক

ডাক্তার: আপনার অ্যাপেন্ডিসাইটিসের সমস্যা হয়েছিলো কখনো? 

রোগী: হ্যা, ছোটবেলায় স্কুলে একবার হয়েছিলো। 

ডাক্তার: স্কুলে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা উঠেছিল?

রোগী: না, স্কুলে ইংরেজি ক্লাসে অ্যাপেন্ডিসাইটিস বানান করতে গিয়ে...

 

#এই যে আরেকটা ফ্রি কৌতুক

সদ্য প্রবন্ধের বই বের করা এক লেখকের সাথে তার অফিসের কলিগের দেখা। 

কলিগ বললো, ইনসমনিয়ার উপর আপনার আর্টিকেল্পটা পড়লাম। 

: কেমন হয়েছে?

: এক কথায় চমৎকার। রাতে পড়তে পড়তে ঘুমালাম, আর ঘুম ভাঙল দুপুর ১২টায়। 

১১৪১ পঠিত ... ১১:২০, মে ১৫, ২০২০

আরও

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

আইডিয়া

গল্প

রম্য

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি

স্যাটায়ার


Top