এটা দেখার আগে আমার মরণ হল না কেন? — জ্যাকের আত্মা

পঠিত ... ২ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে

‘না-না-না, আমি বিশ্বাস করি না! এ হতে পারে না…’

এই আর্তনাদ আটলান্টিক মহাসাগরের প্রায় ১২,৬০০ ফুট গভীর থেকে ভেসে আসা জ্যাক ডসনের, যে টাইটানিক জাহাজে করে পাড়ি জমিয়েছিল সমুদ্রযাত্রায় রোজের সহযাত্রী হয়ে, দু-হাত মেলে, সিনা টান করে। কিন্তু বেচারা জ্যাকের ভাগ্যে কী ঘটেছিল, তা কমবেশি আমরা সবাই জ্ঞাত।

কিন্তু এতগুলো বছর পর জ্যাক নতুন করে তার কষ্টের কথা জানিয়েছেন—
এমন দিন দেখার জন্যই কি সেদিন মরে গিয়েছিলাম?

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং এপস্টেইন ফাইলখ্যাত জেফরি এপস্টেইনের টাইটানিক সিনেমার আইকনিক পোজের প্রায় ১২ ফুটের একটা বিশালাকার ভাস্কর্য রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির ন্যাশনাল মলে শোভা পাচ্ছে। এই সোনালি ভাস্কর্যের খবর পেয়ে জ্যাক বলেছেন, ‘খ্যাক, খ্যাক! ধিক শত ধিক! সরল মনে আমি আর রোজ কাপল ভ্লগ করতে করতে সেদিন দাঁড়িয়েছিলাম। জেমস ক্যামেরন সে দৃশ্য ফ্রেমবন্দি করে সিনেমা বানিয়ে ডলার কামিয়েছে, কিছু বলিনি। কিন্তু আজ, এই ট্রাম্প আর এপস্টেইন আমাদের পোজ নকল করে প্রমাণ করল, তারা ভাইরাল হওয়ার জন্য যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত।

তরমুজ নিয়ে বসলেই যেমন কারওয়ান বাজার হয় না, তেমনি হাত প্রসারিত করে দাঁড়ালেই মনুমেন্ট হয় না। এটা মনুদেরও অপমান। মানুষ এই ভাস্কর্য দেখে হাসছে। শুনেছি আমার রোজও হেসেছে।

রোজ, মনে রেখো রোজ
করেছি তোমারও খোঁজ
ফিরিয়েছি শত ডোজ
এই হাসির।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ট্রাম্প ও এপস্টেইনের বিরুদ্ধে মানহানি মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জ্যাক।
আত্মাদের কি ইজ্জত নেই নাকি?

পঠিত ... ২ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে

আরও

পাঠকের মন্তব্য

আইডিয়া

গল্প

রম্য

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি


Top