প্রযুক্তিনির্ভর কল্পকাহিনি আর এআই ফরম্যাটে সিনেমা বানানোর প্রতিযোগিতায় যখন বিখ্যাত সব ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো মত্ত, ঠিক তখনই এক বিপ্লব ঘটিয়ে ফেলল ‘স্টার ওয়ার্স’ ইউনিভার্স। তারা তাদের পরবর্তী কিস্তির জন্য মনোনীত করেছে রক্ত-মাংসের জলজ্যান্ত পুরো একটা ইউনিট ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
স্টার ওয়ার্স ফ্র্যাঞ্চাইজিটির মূল প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান লুকাসফিল্মের চিফ ক্রিয়েটিভ অফিসার ডেভ ফিলোনি বলেন,
আর কতকাল? আর কতকাল আমরা খরচের ওপর খরচ করব এই ভিএফএক্সের পেছনে? আমাদের এই সিরিজের জন্য যা যা প্রয়োজন, সবই রয়েছে এই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এলাকাবাসীর মধ্যে। মারামারি, পিটাপিটি, লাঠালাঠি থেকে ঠেলাঠেলির এক তীর্থস্থান যেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া। সবচেয়ে আশ্চর্য করেছে আমাকে জেলাটির সরাইলের লোকজন। আমাদের এই সিরিজের প্রধান অস্ত্র লাইটসেবার-এর কাজ তারা টর্চ দিয়েই সেরে ফেলল! তাও রাতের আঁধারে! কী মেথড অ্যাক্টিং স্কিল এদের মধ্যে লুকিয়ে আছে, ইউ হ্যাভ নো আইডিয়া! ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে মাথায় রেখে কাহিনীর মোড় খানিক ঘুরানোর চিন্তা আমাদের রয়েছে। এবারে লিউক স্কাইওয়াকার যাবে নগদে রিচার্জ করতে। কিন্তু সেখানে থাকবে ডার্থ ভেডার। সে রিচার্জ করতে চাইবে বিকাশে। কিন্তু দোকানদারের মোবাইলে চার্জ নেই। কারণটা সিম্পল লোডশেডিং। কারেন্ট এলে কার ফোন আগে চার্জ হবে, এই নিয়ে মারামারি শুরু হবে...
অন্য একটি তথ্যসূত্র, পরিচয় গোপন রাখার শর্তে জানিয়েছে, পরবর্তী সিজনটি হবে নারী-কেন্দ্রিক। প্রিন্সেস লেয়া চরিত্রের জন্য প্রস্তাব দেওয়া যেতে পারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাবেক সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানাকে।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জনগণের প্রতিক্রিয়া জানতে আমাদের এক প্রতিনিধি সরাইলে যান। একজন সরাইলবাসী বলেন,
একদম ছুলে দেবো রিচার্জ করতে না দিলে!


