কেন কাউকে আবেগের চরম স্তরে নিয়ে যাবেন না

২০০৪ পঠিত ... ২৩:০৩, এপ্রিল ১৯, ২০২৬

এক মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক তার লেকচার শুরু করলেন এভাবে: আজ আমরা মানুষের আবেগের তিনটি স্তর সম্পর্কে জানব: বিস্ময়, বিরক্তি আর ক্রোধ।
এই বলে তিনি পকেট থেকে ফোন বের করলেন, স্পিকার অন করলেন এবং একটি র‍্যান্ডম নাম্বারে ডায়াল করলেন।
ওপাশ থেকে ফোন ধরতেই অধ্যাপক বললেন, হ্যালো, আমি কি সুমনের সাথে কথা বলতে পারি? ওপাশ থেকে উত্তর এলো, না, দুঃখিত, আপনি ভুল নাম্বারে ফোন করেছেন।
অধ্যাপক ছাত্রদের দিকে তাকিয়ে বললেন, দেখলে তো? এটা হলো বিস্ময়। এবার আমি তোমাদের দেখাব বিরক্তি কাকে বলে।
তিনি আবারও একই নাম্বারে ফোন দিলেন। ওপাশ থেকে হ্যালো বলতেই অধ্যাপক জিজ্ঞেস করলেন, হাই, সুমন কি ফোনে আসতে পারবে? ওপাশ থেকে কর্কশ স্বরে উত্তর এল, আপনাকে একবার বললাম না যে এটা ভুল নাম্বার!
দেখলে তো, এটাই হলো বিরক্তি, অধ্যাপক হাসিমুখে বললেন। এবার দেখা যাক ক্রোধ বা রাগ কেমন হয়।
তিনি আবারও সেই নাম্বারে ফোন দিলেন। ওপাশ থেকে ফোন ধরতেই তিনি অত্যন্ত বিনয়ের সাথে জিজ্ঞেস করলেন, সুমন কি এখন কথা বলার জন্য এভেইলেবল আছে?
সাথে সাথে ওপাশ থেকে চিৎকারের শব্দ ভেসে এল, শোন হারামজাদা! তুই যদি আবার এই নাম্বারে ফোন দিস, আমি তোর ওখানে গিয়ে তোর ফোনটা আছড়ে দুই টুকরো করব আর সেটা তোর পশ্চাতদেশে ঢুকিয়ে দেব! আর যদি না ঢোকে, তবে আমার ওটা দিয়ে ধাক্কিয়ে ভেতরে ঢুকিয়ে দেব! লাইন কেটে গেল। অধ্যাপক শান্তভাবে বললেন, আর এটাই হলো ক্রোধ।
ঠিক তখন সামনের সারির এক তরুণ ছাত্র হাত তুলে বলল, স্যার, আপনি তো চতুর্থ স্তরের কথা ভুলেই গেছেন! অধ্যাপক অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, সেটা আবার কী?
ছাত্রটি বলল, একে বলে চরম বিভ্রান্তি । আমি দেখাচ্ছি। সে পোডিয়ামে উঠে এসে অধ্যাপকের ফোনটা নিল এবং সেই একই নাম্বারে আবার ডায়াল করল। ওপাশ থেকে হ্যালো বলতেই ছাত্রটি শান্ত গলায় বলল:
হ্যালো, আমি সুমন বলছি। আমার জন্য কি আজ কেউ ফোন করেছিল?

২০০৪ পঠিত ... ২৩:০৩, এপ্রিল ১৯, ২০২৬

আরও

পাঠকের মন্তব্য

আইডিয়া

গল্প

রম্য

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি

স্যাটায়ার


Top