হ্যাঁ এটাই পারিবারিক শিক্ষা

পঠিত ... ১ ঘন্টা ৫০ মিনিট আগে

একজন শিক্ষিকা তার ছোট ক্লাসের ছাত্রছাত্রীদের বললেন যেন তারা বাড়ি গিয়ে তাদের বাবা-মায়ের কাছ থেকে শিক্ষণীয় কোনো পারিবারিক গল্প শুনে আসে এবং পরের দিন ক্লাসে এসে তা শোনায়।

পরদিন ক্লাসে আয়ান সবার আগে তার গল্প বলল, আমার বাবা একজন কৃষক এবং আমাদের অনেক মুরগি আছে। একদিন আমরা ঝুড়িতে করে অনেকগুলো ডিম নিয়ে বাজারে যাচ্ছিলাম। ট্রাকের সামনের সিটে ঝুড়িটা রাখা ছিল। হঠাৎ রাস্তায় একটা বড় ঝাঁকুনি খেল আর ঝুড়িটা সিট থেকে পড়ে গিয়ে সব ডিম ভেঙে গেল। এই গল্পের শিক্ষা হলো, সব ডিম এক ঝুড়িতে রাখতে নেই। শিক্ষিকা বললেন, “খুব ভালো।

এরপর সায়মা বলল, আমরাও কৃষক। আমাদের বিশটি ডিম ফুটে বাচ্চা বের হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাত্র দশটি বাচ্চা জন্মাল। এই গল্পের শিক্ষা হলো, ডিম ফোটার আগে বাচ্চা গুনে খুশি হতে নেই। শিক্ষিকা আবার বললেন, খুবই চমৎকার।

এবার যায়ানের পালা, সে বলল, আমার বাবা আমাকে আমার ফুফুর কথা শুনিয়েছেন। ফুফু যুদ্ধের সময় একজন ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন এবং একবার তার বিমানে শত্রু পক্ষ আঘাত করে। তাকে শত্রুর এলাকায় প্যারাসুট দিয়ে নামতে হয়েছিল। তখন তার কাছে শুধু এক বোতল হুইস্কি, একটা মেশিনগান আর একটা বড় দা ছিল। শিক্ষিকা বেশ কৌতূহলী হয়ে বললেন, তারপর বলো!

ফুফু নিচে নামার সময় নিজেকে প্রস্তুত করতে পুরো হুইস্কিটা খেয়ে নিলেন। এরপর তিনি ঠিক একশো জন শত্রু সৈন্যের মাঝখানে ল্যান্ড করলেন। মেশিনগান দিয়ে তিনি ৭০ জনকে মেরে ফেললেন যতক্ষণ না গুলি ফুরিয়ে গেল। এরপর দা দিয়ে আরও ২০ জনকে মারলেন যতক্ষণ না সেটির ধার নষ্ট হলো। আর বাকি শেষ ১০ জনকে তিনি খালি হাতেই শেষ করে দিলেন!

শিক্ষিকা আঁতকে উঠে বললেন, ও মাই গড! তোমার বাবা এই ভয়ঙ্কর গল্পের কী শিক্ষা বা মোরাল দিয়েছেন?

ছেলেটি বলল, ফুফু যখন মদ খেয়ে থাকেন, তখন তার থেকে দূরে থাকাই ভালো।

পঠিত ... ১ ঘন্টা ৫০ মিনিট আগে

আরও

পাঠকের মন্তব্য

আইডিয়া

গল্প

রম্য

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি

স্যাটায়ার


Top