যে কারণে কালামই বিশ্বের সেরা পুরুষ

১৬ পঠিত ... ৫ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে

এক লোক রাস্তায় বেরিয়েই একটা খালি সিএনজি পেয়ে গেলেন। সিএনজিতে ওঠার পর চালক বললেন, উস্তাদ, একদম সঠিক টাইমে পাইছেন। আপনি পুরা কালাম ভাইয়ের মতো।

যাত্রী: কে কালাম ভাই?

চালক: কালাম ভাই! আরে, ওনার মতো লোক হয় না। জীবনে কোনোদিন কোনো ভুল কাজ করতে দেখিনি ওনাকে।

যাত্রী: কী বলেন? মানুষের তো একটু-আধটু খামতি থাকেই।

চালক: কালাম ভাইয়ের ছিল না। ওনার যেমন শরীর, তেমন চেহারা। ফুটবল খেললে একাই তিন গোল দিত। আমাদের মতো কাঁচাবাজারে গেলে ওনাকে কেউ ঠকাতে পারত না; একদাম দেখে একদম তাজা রুই মাছ আর সস্তা দামে সেরা সবজি কিনে আনত। আবার ওনার গলাটাও ছিল চমৎকার, মিলাদ মাহফিলে গজল ধরলে সবাই মুগ্ধ হয়ে যেত। এক্কেবারে অলরাউন্ডার!

যাত্রী: শুনে তো মনে হচ্ছে আসলেই স্পেশাল কেউ ছিলেন।

চালক: আরে ওনার গুণের কথা বলে শেষ করা যাবে না। ওনার মাথা ছিল পুরা কম্পিউটারের মতো। কার কখন জন্মদিন, কার কখন বিয়ের দাওয়াত—সব মনে রাখত। আর ওনার রোমান্স করার ক্ষমতা? বিছানায় সেক্সে ওনার জুড়ি ছিল না, ভাবি সবসময় ওনার প্রশংসায় পঞ্চমুখ থাকত। ওনার পুরুষত্ব আর ফিটনেস নিয়ে এলাকায় চর্চা হতো। ওদিকে আমারে দেখেন, মাঝেমধ্যে ঘরে একটু ট্রাই করতে গেলেই হাঁপিয়ে যাই। কিন্তু কালাম ভাই ছিল আসল পুরুষ, কোনো খামতি ছিল না!

যাত্রী: বাঃ, চমৎকার মানুষ তো!

চালক: ঢাকা শহরের কোন গলিতে জ্যাম কম, কোন দিক দিয়ে শর্টকাটে যাওয়া যায়—ওনার সব মুখস্থ ছিল। আমার মতো না যে জ্যামের মধ্যে সিএনজি নিয়া বসে থাকি। আর কালাম ভাই ভাবিরে এত ভালোবাসত! ভাবি মাঝেমধ্যে চিল্লাচিল্লি করলেও কালাম ভাই মুখ বুজে সহ্য করত, কখনো পাল্টা জবাব দিত না। সবসময় ইস্ত্রি করা চকচকে জামাকাপড় আর সুগন্ধি মেখে থাকত। ওনার মতো পারফেক্ট মানুষ দুনিয়ায় আর একটাও আসবে না।

যাত্রী: আপনি ওনাকে চেনেন কীভাবে?

চালক: কালাম ভাইয়ের সাথে তো আমার জীবনে কোনোদিন দেখাই হয় নাই। উনি মারা যাওয়ার পর আমি ওনার বউরে বিয়া করছি।

১৬ পঠিত ... ৫ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে

আরও

পাঠকের মন্তব্য

আইডিয়া

রম্য

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি

স্যাটায়ার


Top