ফিফা কিংবা গোল—ক্রয়ের ক্ষেত্রে দুটোর মূল্যই আকাশচুম্বী। কাউকে এসবের অর্থের জোগান দিতে সিনেমায় ক্যামিও দিতেও দেখা গেছে। কিন্তু দিনশেষে খেলোয়াড়রাও তো ‘সিম্পল’ মানুষ। তাঁদেরও কাঁচাবাজার, মাছ, ডিম, চাল, গ্যাস কিনতেই হয়। গোল কেনার এই প্রয়োজনীয়তা ও চাহিদা—দুটোকেই মাথায় রেখে মানবতার এক নতুন দুয়ার খুলে দিতে এগিয়ে এসেছে ঘ্রামিন ব্যাংক।
তারা চালু করতে যাচ্ছে ‘গোল লোন’।
এ খবর চাউর হতেই ঘ্রামিন ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট করতে খেলোয়াড়দের লাইন পড়ে গেছে বলে শোনা যাচ্ছে।
CIB (ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো) রিপোর্ট ছাড়াই ব্যাংক এই লোন দেবে। তবে থাকছে কিছু শর্ত:
- লোন নিলে ঘ্রামিন জর্জেটের জার্সি ও প্যান্ট পরে থাকতে হবে।
- ঘ্রামিন কোচিং সেন্টার থেকে ‘আমি মাসুম খেলোয়াড়’ কোর্স কিনতে হবে।
- লোনের একটি নির্দিষ্ট অংশ ডিপিএস করতে হবে।
- আর মাঠে খেলা দেখার ফ্রি টিকিট দিতে হবে।
এসব শর্ত শুনে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক খেলোয়াড় বলেন, এইগুলা আমার কাছে কোনো বিষয়ই না, তেজপাতা!
তবে একটি দলের কোচ এই খবরে ক্ষেপে গিয়ে বলেন, আমাদের দল সেরা! তা ছাড়া ফিফা আমাদের যথেষ্ট সমাদর করে। আমাদের খেলোয়াড়দের গেঞ্জি টান দিলেই ফ্রি কিক কনফার্ম, প্যান্টে টাচ লাগলে তো পেনাল্টি! এত সুবিধা থাকতে আমরা এসব লোন-টোন কেন নেব! বিকাশ... বলে তিনি গলা খাঁকারি দিয়ে থেমে যান।
এমন লোনের ব্যাপারে ফিফার মতামত জানতে চাইলে ফিফার সভাপতি বলেন, লোন? কই, আমি তো কিছুই জানি না! কোন ব্যাংকে? আচ্ছা, ওরা কি হাইড্রেশন ব্রেক লোন দেয়? দিলে আমাকে জানাবেন তো! ব্যবসা ডাবল করতাম!
তবে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে জনসাধারণের কাছে এই মুহূর্তে বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছে।
এমনকি গ্যাভিন ব্যাংক তাদের অফিসিয়াল সাইটে ফলাও করে বলেছে, এ ব্যাপারটি গোপন রাখার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।
আরও একটু নিউজ-স্যাটায়ার স্টাইলে বা The Onion/eআরকি-ধাঁচে চাইলে এটাকে আরও ধারালো করে দেওয়া যাবে।


