কিছুদিন খালি থাকার পর হুট করে শুরু হয়েছে গর্ত বুকিং, গর্তে দেয়ালগুলোতে করা হচ্ছে আকাশী-নীল রং

পঠিত ... ৭ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে

 

বিশ্বকাপের উত্তাপ বাড়তেই দীর্ঘদিন অব্যবহৃত পড়ে থাকা বিভিন্ন এলাকার গর্তে আবারও ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য। স্থানীয় সূত্র জানায়, আগে যেখানে বৃষ্টির পানি আর মশার লার্ভাই ছিল একমাত্র স্থায়ী বাসিন্দা, এখন সেখানে শুরু হয়েছে আগাম বুকিং। শুধু তাই নয়, পুরোনো হলুদ-নীল রং তুলে নতুন করে আকাশী-নীল রঙে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে গর্তগুলোর দেয়াল।

গর্ত সংস্কার কমিটির এক সদস্য জানান, এটা আসলে সংস্কার না, আবেগের রিনোভেশন। সমর্থকদের যেন পরিবেশটা পরিচিত লাগে, সেই চিন্তা থেকেই এই উদ্যোগ। এদিকে আর্জেন্টিনা ফ্যানদের দাবি, এবারের বুকিং একেবারেই ‘প্রিকশন’। এক আর্জেন্টিনা ভক্ত আমাদের বলেন, দেখেন ভাই, ফুটবলে কিছুই বলা যায় না। ফিফার কমিটির দল হলেও বল গোলই থাকে। তার ওপর কেপ ভার্দের খেলা দেখে মনে হচ্ছে, ফুটবল মাঝে মাঝে স্ক্রিপ্ট ভুলেও চালায়। তাই আগে থেকেই গর্তটা বুকিং দিয়ে রাখলাম। পরে যদি দরকার পড়ে, তখন আর ভালো লোকেশন পাওয়া যাবে না।

স্থানীয় কয়েকটি গর্তের সামনে ইতোমধ্যে ‘ফুল’, ‘ওয়েটিং লিস্ট’ এবং ‘শুধু পুরোনো কাস্টমারদের জন্য’ লেখা সাইনবোর্ডও ঝুলতে দেখা গেছে। অন্যদিকে পৌরসভার এক কর্মকর্তা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা এতদিন গর্ত ভরাট করতে পারিনি বলে সমালোচনা শুনেছি। এখন দেখি মানুষ উল্টো গর্ত সংরক্ষণের দাবি তুলছে। ফুটবল সত্যিই মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেয়। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কয়েকজন ব্রাজিল সমর্থকও নাকি পাশের কয়েকটি গর্তে ‘ব্যাকআপ বুকিং’ দিয়ে রেখেছেন। তাদের ভাষায় মোটামুটি এক, সতর্কতার কোনো বিকল্প নেই।

পঠিত ... ৭ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে

Top