চার দোস্ত মিলে বহু বছর ধরে প্রতিবার ছুটির দিনে ঢাকার বাইরে এক রিসোর্টে গলফ খেলতে আর চিল করতে যায়। কিন্তু এবার যাওয়ার ঠিক দুই দিন আগে রহিমের বউ বেঁকে বসল এবং সাফ জানিয়ে দিল, সংসারের কোনো খোঁজখবর নেই, তোমার ওইসব ফালতু ট্যুরে যাওয়া চলবে না। রহিমের বাকি তিন বন্ধু শুনে চরম হতাশ হলো, কিন্তু ভাবির মুখের ওপর তো আর কথা বলা যায় না!
দুই দিন পর বাকি তিন বন্ধু রিসোর্টে পৌঁছে তো পুরাই টাস্কি! তারা দেখল রহিম বারে পা নাচিয়ে অলরেডি চার গ্লাস কোল্ড ড্রিংকস আর কাবাবের অর্ডার দিয়ে তাদের জন্য উন্মুখ হয়ে বসে আছে। বন্ধুরা চোখ কপালে তুলে বলল, কী রে মামা! তুই কখন আসলি? আর ভাবিকে পটালি কীভাবে?
রহিম একটা মুচকি হাসি দিয়ে বলল, আরে, আমি তো কাল রাত থেকেই এখানে আছি! গতকাল সন্ধ্যায় আমি ড্রয়িং রুমে বসে সোফায় আরাম করতেছিলাম। হঠাৎ আমার বউ পেছন থেকে এসে আমার চোখ টিপে ধরে বলল,বলো তো আমি কে?
আমি হাত সরিয়ে দেখি সে একটা দারুণ পার্পল কালারের শিফন শাড়ি পরে দাঁড়িয়ে আছে। তারপর সে আমার হাত ধরে বেডরুমে নিয়ে গেল। ইদানীং সে কোনো একটা রোমান্টিক থ্রিলার উপন্যাস পড়তেছে, তাই পুরো রুম মোমবাতি আর লাল গোলাপের পাপড়ি দিয়ে সাজানো। বিছানায় দেখি হাতকড়া আর রেশমি দড়ি রাখা! সে আমাকে বলল তাকে খাটের সাথে শক্ত করে বাঁধতে। আমি তো ভালো ছেলের মতো তা-ই করলাম। বাঁধন শেষে সে আমার দিকে তাকিয়ে চোখ মেরে বলল, এবার তোমার যা ইচ্ছা করো!...
ব্যস, আর কী! আমি সোজা ব্যাগ গুছিয়ে বাইক স্টার্ট দিয়ে এখানে চলে আসলাম!



পাঠকের মন্তব্য