শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে কয়েক দিন ধরেই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আন্দোলনে মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ছে। বাড়ছে দিল্লি পুলিশের বলপ্রয়োগের মাত্রাও। দিল্লি পুলিশ ইতোমধ্যে অনশনরত সুনম ফুংশুককে তুলে নিয়ে গেছে। সব মিলিয়ে এই আন্দোলনের সঙ্গে জুলাই আন্দোলনের কিছুটা মিল পাওয়া যাচ্ছে। পুরোনো অভিজ্ঞতা থেকেই আমরা তাই নরেন্দ্র মোদির জন্য নিয়ে এসেছি কিছু টিপস। এগুলো ফলো করলে তার পতন কেউ ঠেকাতে পারবে না… থুক্কু, তার পতন হবে না!
১। আন্দোলনকারীদের এর আগে হাইকোর্টের বিচারক তেলাপোকা বলেছেন। এবার মোদি একটি সংবাদ সম্মেলন করে বলতে পারেন, গেরুয়ার নাতি-পুতিরা চাকরি পাবে না তো কি ককরোচের নাতি-পুতিরা চাকরি পাবে?
২। হতাহতের পর কালো পাঞ্জাবি পরে সংবাদ সম্মেলন করে কাঁদো-কাঁদো গলায় বলতে পারেন, স্বজন হারানোর বেদনা আমার চেয়ে আর কে বেশি জানে!
৩। আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় স্থাপনা পরিদর্শনে যেতে পারেন। শুধু পরিদর্শনে গেলেই হবে না, এসব স্থাপনার জন্য একটু কাঁদবেন। টিস্যু দিয়ে একটু নাকও মুছবেন।
৪। ডিবি হারুনের মতো কোনো এক পুলিশ কর্মকর্তাকে দিয়ে আন্দোলনকারীদের তুলে নিয়ে যেতে পারেন। এরপর টেবিলে পেপার বিছিয়ে ভাত খাওয়াতে পারেন। সেই ছবি ও ভিডিও ফেসবুকে ছেড়ে দিতে পারেন।
৫। কোনো এক মন্ত্রীকে দিয়ে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে বলতে পারেন, They are drugged! তাদের ড্রাগ করানো হয়েছে।
৬। আইসিটি মন্ত্রীকে দিয়ে পাঁচ দিনের জন্য ইন্টারনেট বন্ধ করে রাখতে পারেন। এরপর তাকেই দিয়ে বলাতে পারেন, ইন্টারনেট নিজে নিজেই বন্ধ হয়ে গেছে।
৭। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ফোন করে বলতে পারেন, লেথাল উইপন ব্যবহার করতে বলে দিয়েছি।
৮। হেলিকপ্টার থেকে গুলি ছুড়তে পারেন, টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করতে পারেন। এরপর বলতে পারেন, আমি তো হেলিকপ্টার থেকে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে পানি ছিটিয়েছি।


