স্পয়লার এলার্ট!
নাটকের মূল চরিত্র মঈন খান একজন মেধাবী কিন্তু আত্মবিশ্বাসী গরিব যুবক। সে প্রেম করে এক বড়লোকের মেয়ে অর্চিতার সঙ্গে।
মঈন খুব ভালো ছেলে। টিউশনি করায়, বিড়ি-সিগারেট খায় না, এমনকি টিউশনির বাড়িতে বাজারও করে দেয়। কিন্তু এত কিছুর পরও সে সময়মতো টিউশনি বেতন পায় না।
সে অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া করে এবং বিসিএস পরীক্ষা দেয়। ইতোমধ্যেই দুবার ভাইভা দিয়ে ফেলেছে।
সাধারণত বিসিএসের প্রিলিমিনারি টিকলেই মানুষ খুব খুশি হয়। কিন্তু তার প্রেমিকা দুঃখ করে। কেন? হোয়াই? আর কত ভাইভা দেবে মঈন?
কিন্তু মঈন ভালো ছেলে বলে কখনোই পাল্টা জিজ্ঞাসা করে না, পারলে বিসিএস প্রিলি টিকে দেখাও!
এদিকে নায়িকার বাসা থেকে বারবার বিয়ের জন্য পরিবার চাপ দিতে থাকে। চাপ সহ্য করতে না পেরে সে মঈনকে তার বাবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য নিয়ে যায়।
মঈন পরিশ্রমী হলেও অলস। সে তার প্রেমিকার কিনে দেওয়া মিষ্টি নিয়ে সেখানে গিয়ে তার বাবার কাছে ইন্টারভিউ দেয়। ইন্টারভিউতে কী কথা হয়েছে, সেটা তখন সাসপেন্স!
এদিকে বের হয়েই অর্চিতার ওপর চিল্লাপাল্লা শুরু করে সে। দর্শক হয়তো এই সময় ভাবে, কোথায় সাসপেন্স? টুইস্ট কোথায়?
ঘটনা তো শুরু এখন!
মঈনের বিসিএস ভাইভা হয়। স্ক্রিনে সেটা দেখায় না, কিন্তু আমরা বুঝতে পারি। এর মধ্যেই নায়িকার বিয়ে ঠিক হয়ে যায়। তারপর আসে সেই ব্রেকআপ সিন।
কিন্তু এখানে নায়িকা দর্শকদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি শব্দ শেখায়, ‘ডোন্ট’!
চারবার এই শব্দ বলে সে।
কিন্তু কেন বলে?
আমা



পাঠকের মন্তব্য