চুপ্পু সাহেব পদত্যাগ করায় মনটা ভালো লাগছিলো না। তাই আমিও করলাম: ধর্মেন্দ্র প্রধান

২০ পঠিত ... ১৬ ঘন্টা ১০ মিনিট আগে

ভারতের রাজনীতিতে যত না বিরোধীদের চাপ, তার চেয়ে বেশি নাকি এখন চলছে ‘ইমোশনাল প্রেসার’। আর সেই প্রেসারের শিকার হয়েই অবশেষে পদত্যাগ করেছেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। যদিও ককরোচ জনতা পার্টির (কজপা) কর্মীরা দাবি করছে, তাদের আন্দোলনের মুখেই এই পদত্যাগ। তবে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ঘনিষ্ঠ সূত্র (যারা মূলত ফেসবুক কমেন্ট সেকশনে বসবাস করেন) জানাচ্ছে, আসল কারণ সম্পূর্ণ অন্য। এক ফেক ভিডিও বার্তায় গভীর আবেগ নিয়ে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, মনডা খারাপ বড়চাচা। চুপ্পু সাহেব পদত্যাগ করায় মনটা ভালো লাগছিলো না, তাই আমিও করলাম। ভাইরে, একটা হেলিকপ্টারে কইরা এখানে পাঠায় দেন। নাইলে আমারে একটা হেলিকপ্টারের ব্যবস্থা কইরা দেন। তবে আমাদের প্রতিবেদককে তিনি বড়চাচা সম্বোধন করলেন কেন জানতে চাইলে নিজেকে আজ রবিবারের ভক্ত হিসেবে দাবি করেন তিনি।

বিশ্লেষকদের দাবি, গত কয়েকদিন ধরে ধর্মেন্দ্র প্রধান নিয়মিত ইউটিউবে ‘চুপ্পু সাহেবের শেষ ভাষণ’, ‘চুপ্পু এডিট 4K’, ‘Sad President Moments’ এবং ‘Helicopter Escape Compilation’ দেখে আসছিলেন। এমনকি তার স্পটিফাই প্লে-লিস্টেও নাকি যোগ হয়েছে ‘মন মাঝি তোর বৈঠা নে রে’ এবং ‘চলে যাওয়া মানেই প্রস্থান নয়।’ ভারতের রাজনৈতিক মহলে ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, একজন বাংলাদেশি রাষ্ট্রপতির পদত্যাগে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর মন খারাপ হওয়ার রহস্য কী? এর জবাবে এক রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় এখন নতুন কূটনীতি শুরু হয়েছে, ভিসা, বাণিজ্য বা সীমান্ত নয়। এখন নেতারা একে অপরের পদত্যাগে আবেগ শেয়ার করেন।

এদিকে দিল্লির একটি সূত্র জানায়, ধর্মেন্দ্র প্রধান নাকি পদত্যাগপত্রের সঙ্গে একটি আবেদনও জমা দিয়েছেন। আবেদনের বিষয় ছিল, যদি সম্ভব হয়, বাংলাদেশগামী কোনো হেলিকপ্টারে একটা সিট পাওয়া। অন্যদিকে ককরোচ জনতা পার্টির নেতাকর্মীরা কিছুটা বিব্রত। তাদের একজন বলেন, চুপ্পু ভাই চান্সে চামে দিয়া বামে শিবিরের মতো ক্রেডিট নিয়া নিলো। আমরা এতদিন ধরে আন্দোলন করে ভাবছিলাম আমাদের চাপেই পদত্যাগ। কোনো লাভ-লস নাই আমাদের লাইফটাই লস। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নতুন ট্রেন্ড #HelicopterForDharamendra। কেউ কেউ আবার প্রস্তাব দিয়েছেন, দক্ষিণ এশিয়ার সাবেক ও সদ্য পদত্যাগী নেতাদের নিয়ে একটি ‘হেলিকপ্টার সাপোর্ট গ্রুপ’ খোলা হোক, যেখানে সবাই মিলে মাসে একদিন বসে পদত্যাগ-পরবর্তী অনুভূতি ভাগাভাগি করবেন।

২০ পঠিত ... ১৬ ঘন্টা ১০ মিনিট আগে

Top