লাইভে যাওয়ার জন্য মোদীর স্বজন হারানোর স্ক্রিপ্ট লিখে দিচ্ছেন হাসিনা

১২২ পঠিত ... ১৬:১৭, জুলাই ২২, ২০২৬

 

ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির এক মন্তব্যের জেরে সৃষ্ট তোলপাড় এবং তরুণদের ব্যঙ্গাত্মক আন্দোলন ‘ককরোজ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র উত্তাপ এখন দিল্লির সাউথ ব্লক ছাড়িয়ে সোজা গিয়ে ঠেকেছে একসময়ের গণভবনের বাসিন্দার টেবিলে। নির্ভরযোগ্য ও কাল্পনিক এক কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, ভারতে বসে অলস সময় কাটানো শেখ হাসিনা নাকি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে একটি বিশেষ পরামর্শনামা বা স্ক্রিপ্ট পাঠিয়ে দিয়েছেন।

বিষয়টি পরিষ্কার করা যাক। সম্প্রতি ভারতের এক বিচারপতি বেকার যুবকদের ককরোচ বলে সম্বোধন করার পর থেকেই ভারতের জেন-জি প্রজন্ম ফুসছে। ফেসবুকে মিম, ইনস্টাগ্রামে রিল আর গুগলের ফরম ফিলাপ করে লাখ লাখ বেকার তরুণ এখন ‘সিজেপি’-র সদস্য। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে মোদী সরকার যখন একটু টেনশনে, ঠিক তখনই নাকি ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও স্বজন হারানোর বেদনায় পিএইচডি করা শেখ হাসিনা।

জানা গেছে, মোদীর উদ্দেশে পাঠানো ওই স্ক্রিপ্টের মূল থিম হলো: স্বজন হারানোর বেদনা এবং সব দোষ তেলাপোকাদের।

স্ক্রিপ্টের খসড়ায় নাকি এভাবে লেখা হয়েছে—

মাননীয় মোদীজি, 

আপনি বলুন যে আপনজন হারানোর বেদনা যে কত কষ্ট, আমার চেয়ে আর কেউ বেশি জানে না। বেকার যুবকরা রাস্তায় নেমেছে মানেই এর পেছনে কোনো বিদেশি শক্তি বা সন্ত্রাসী তেলাপোকা আছে। ওরা সিস্টেমের বোঝে কী? আমি তো বাবা-মা-ভাই সব হারিয়েও দেশ চালিয়েছি, আর এরা সামান্য চাকরির জন্য ককরোচ পার্টি খুলে বসেছে!

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জুলাই আন্দোলনে বাংলাদেশে যখন শত শত ছাত্র-জনতা রাজপথে প্রাণ হারাচ্ছিল, তখন ঠিক এই ডায়লগগুলোই বারবার আওড়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী। তিনি নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে বলেছিলেন, আমি তো বাবা-মা-ভাই হারানো এতিম, আপনাদের কষ্ট আমি বুঝি।

 কিন্তু সেই সমবেদনা বা স্ক্রিপ্ট যে শেষ পর্যন্ত পতন আটকাতে পারেনি, তা ইতিহাসের পাতায় লেখা হয়ে গেছে।

এখন দেখার বিষয় হলো, দিল্লি দরবারে শেখ হাসিনার এই ‘স্বজন হারানো থিওরি’ বা পুরোনো স্ক্রিপ্ট নরেন্দ্র মোদী ও তাঁর মন্ত্রীরা ভারতের বেকার যুবকদের ওপর প্রয়োগ করার সাহস পান কি না। নাকি ওপার বাংলার তরুণরাও ককরোচ স্টাইলে এই স্ক্রিপ্ট ডাস্টবিনে ফেলে দিয়ে নতুন কোনো মিম বানিয়ে ফেলেন— সেটাই এখন সবচেয়ে বড় কৌতূহল।

১২২ পঠিত ... ১৬:১৭, জুলাই ২২, ২০২৬

Top