হঠাৎ করেই পৃথিবীর মানচিত্রে দেখা মিলেছে নতুন এক দেশের, নাম নরেন্টিনা। জাতিসংঘ এখনও দেশটির সদস্যপদ নিয়ে কিছু না বললেও ফেসবুক, কমেন্ট সেকশন আর চায়ের দোকানের আড্ডায় ইতোমধ্যেই দেশটি পূর্ণ স্বীকৃতি পেয়ে গেছে। বিশ্বকাপের উত্তাপ যত বেড়েছে, ততই রহস্যময়ভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে এই নতুন রাষ্ট্র। দক্ষিণ এশিয়ার কোথাও এর অবস্থান বলে ধারণা করা হলেও গুগল ম্যাপসে এখনো দেশটির খোঁজ মেলেনি। তবে দেশের নাগরিকদের খুঁজে পাওয়া খুব কঠিন নয়, একদিন তারা আর্জেন্টিনাকে পিও দল বলে আরেকদিন নরওয়েকে, আর সুবিধামতো সময়ে দুটোকেই নিজের দেশ হিসেবে দাবি করেন।
দেশটির এক নাগরিক ভিডিও কলে জানান, এটা স্থায়ী দেশ না। বিশ্বকাপের সুপার ১৬ পর্যন্ত আমাদের স্বাধীনতা বহাল থাকবে। এরপর পরিস্থিতি বুঝে জার জার ওবস্তান থেকে পুরোনো নাগরিকত্বে ফিরে যাবো। এদিকে দেশটির জাতীয় সংগীত নিয়েও চলছে আলোচনা। জানা গেছে, ম্যাচের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে জাতীয় সংগীত প্রতি সপ্তাহে বদলে যাবে। জাতীয় পতাকার রঙও নাকি নির্ধারণ হবে কে গোল দিল আর কে মিস করল, তার ওপর।
এদিকে কলকাতায় পলাতক এক জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ নিজের স্বভাবসুলভ টোনে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেছেন, আরে, এরা কারা? কোথা থেকে এলো এরা? যদিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গবেষকদের দাবি, এরা আসলে বহুদিন ধরেই ছিল। শুধু বিশ্বকাপ এলেই এদের নাগরিকত্ব বদলে যায়। নরেন্টিনা সরকারের প্রথম ও শেষ ঘোষণায় বলা হয়েছে, আমাদের দেশের মূলনীতি, জিতলে আমরা জন্মগত সমর্থক, হারলে রেফারির ষড়যন্ত্র।
তবে আন্তর্জাতিক মহলের ধারণা, সুপার ১৬ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দেশটির অস্তিত্বও রহস্যজনকভাবে মিলিয়ে যাবে। পরবর্তী বিশ্বকাপ পর্যন্ত নাগরিকরা আবার নিজ নিজ দেশে ফিরে শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন করবেন, অবশ্য সমস্যা এড়াতে অনেকের পুরোনো পোস্ট ডিলিট করার প্রয়োজন হতে পারে।


