আজ ভোর চারটায় হয়ে গেল হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ, আর্জেন্টিনা বনাম কেপ ভার্দে। এই ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে এক হাত দেখিয়ে দিয়েছে কেপ ভার্দের দল। একটা গোল খেয়ে একটা গোল শোধও দিয়ে দিয়েছে। যদিও শেষ পর্যন্ত সুবিধা করে উঠতে পারেনি কেপ ভার্দে, কিন্তু ম্যাচের খেলোয়াড় থেকে দর্শক; সবারই আত্মারাম খাঁচাছাড়া করে রেখেছে।
এই ম্যাচ দেখার পর হঠাৎ করেই ভিড় বেড়েছে হার্ট স্পেশালিস্টদের কাছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাজধানীর সব হার্ট স্পেশালিস্ট ডাক্তারের চেম্বার ও হাসপাতাল উপচে পড়া ভিড়ে পরিণত হয়েছে। এমনকি ডাক্তারদের বাসার সামনেও মানুষের লাইন লেগে আছে। জানা গেছে, এনারা সবাই-ই আর্জেন্টিনার সমর্থক। এই ভয়াবহ ম্যাচের ধাক্কা সামলাতে পারেনি তাদের দুর্বল হার্ট। তাই এখন ডাক্তারের কাছে লম্বা লাইন।
এদিকে হঠাৎ রোগী বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতে বাংলাদেশের হার্ট ডক্টর অ্যাসোসিয়েশন জরুরি বৈঠকে বসে। বৈঠক শেষে সভাপতি উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বলেন, মেডিকেল সায়েন্সের ইতিহাসে এমন সুবর্ণ সুযোগ আর আসেনি। দরকার হলে কিস্তি তুলে হলেও আমরা ঢাকায় আরও দুইটা কেপ ভার্দে; আর্জেন্টিনার ম্যাচের আয়োজন করব। কোনো মার্কেটিং ছাড়াই আজ ভোর থেকে রোগীরা যেভাবে দৌড়ে চেম্বারে আসছে, তাতে এই ব্যবসার... থুক্কু, সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে কেপ ভার্দেকে আমাদের লাগবেই!
এদিকে হাসপাতালের সামনে প্রেসক্রিপশন হাতে দাঁড়িয়ে থাকা এক আর্জেন্টিনার সমর্থক বুকে হাত দিয়ে বলেন, ভাইরে ভাই, কেপ ভার্দে যখনই গোল শোধ দিচ্ছিল, আমার হার্টের ডান অলিন্দ আর বাম নিলয় একাকার হয়ে যাচ্ছিল। ডাক্তার সাহেব স্পষ্ট বলে দিছে, বাঁচার ইচ্ছা থাকলে আর্জেন্টিনার ম্যাচ লাইভ না দেখে পরের দিন সকালে গুগলে স্কোর দেখতে।
তবে ডক্টরদের এমন উদ্যোগে সবচেয়ে খুশি হার্টের ওষুধ কোম্পানি ও সার্জনরা, যারা ইতিমধ্যেই নতুন গাড়ি-বাড়ির বুকিং দেওয়া শুরু করে দিয়েছেন।


