মাছিটা যেভাবে কক্সবাজার আসলো

পঠিত ... ১ ঘন্টা ২৫ মিনিট আগে

কক্সবাজার বিচে এক মাছি শুয়ে রোদ পোহাচ্ছিল। এমন সময় সেখানে আরেকটা মাছি এল। দ্বিতীয় মাছিটার সারা গায়ে ধুলা, সাদা হয়ে গেছে। সে ব্যাখ্যা করল, ভাই, আমি ঢাকা থেকে আসছি। এক লোকের গোঁফের ভেতর লুকিয়ে মোটরসাইকেলে চড়ে। পুরোটা পথ ধুলায় আমার অবস্থা কেরোসিন! এখন চোখেও কিছু দেখছি না!

প্রথম মাছি উত্তর দিল, ঢাকা? আরে আমিও তো ওখানকার! শোন ভাই, ভ্রমণের একটা সঠিক নিয়ম আছে। এরপর যখন আসবি, বিমানবন্দরে যাবি। কক্সবাজারগামী প্লেনের কোনো এয়ার হোস্টেসকে খুঁজে বের করবি। সে যখন বাথরুমে যাবে, তুই চুপিচুপি গিয়ে তার নরম-উষ্ণ লোমের ঝোপে আশ্রয় নিবি। একদম ফার্স্ট ক্লাসে চড়ে আরামসে চলে আসবি।

এক বছর কেটে গেল। পরের বছর ঠিক একই সময় কক্সবাজার বিচে ওই দুই মাছির আবার দেখা হলো। অবাক করার বিষয় হলো, দ্বিতীয় মাছিটা আগের মতোই ধুলায় মাখামাখি!

প্রথম মাছি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, কী ব্যাপার? তোকে যা শিখিয়ে দিয়েছিলাম সেটা করিসনি?

দ্বিতীয় মাছি কাঁপা কাঁপা গলায় বলল, সবই তোর কথা মতো করেছি রে ভাই। এয়ারপোর্টে গেলাম, এক এয়ার হোস্টেসকে খুঁজে বের করলাম। শুনলাম সে বন্ধুদের বলছে যে সে কক্সবাজার যাচ্ছে। তাকে অনুসরণ করে বাথরুমে গেলাম, তারপর সেই আরামদায়ক উষ্ণ ঝোপের ভেতর লাফিয়ে পড়লাম। জায়গাটা এতই আরামদায়ক ছিল যে আমি সাথে সাথে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।

: তাহলে সমস্যাটা হলো কোথায়? প্রথম মাছি জানতে চাইল।

: কী আর বলব রে ভাই... ঘুম যখন ভাঙল,  দেখি আমি আবার,  সেই এক লোকের গোঁফের ভেতর আটকা পড়ে আছি!

পঠিত ... ১ ঘন্টা ২৫ মিনিট আগে

আরও

পাঠকের মন্তব্য

আইডিয়া

গল্প

রম্য

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি

স্যাটায়ার


Top