হাদীর কারণে কাজী নজরুল ইসলামকে অনেকে চেনে—এটা নিয়ে হাসাহাসি করার কিছু নাই

পঠিত ... ২ ঘন্টা ২৮ মিনিট আগে

হাদীর কারণে কাজী নজরুল ইসলামকে অনেকে চেনে- এটা নিয়ে হাসাহাসি করার কিছু নাই। এটা সত্য এবং অস্বাভাবিক কিছু না। এইরকম ঘটনা আগেও ঘটেছে। উদাহারণ দিই-
জেমস যখন 'আমি তারায় তারায় রটিয়ে দেবো' গাইলেন, কবি শামসুর রহমানকে সবাই চিনতে পারল। সত্যজিত রায় যখন 'পথের পাঁচালি' বানালেন, সবাই বিভূতিভূষণকে চিনতে পারল। তানিম নূর যখন 'বনলতা এক্সপ্রেস' বানালেন, সবাই হুমায়ন আহমেদকে চিনতে পারল। এইরকম শত শত উদাহারণ আছে পৃথিবীর ইতিহাসে। ফর সাম রিজন, সবগুলোর উল্লেখ করলাম না।

আমি মনে করি, ব্যক্তিপূজা থেকে সবার বের হয়ে আসা উচিত। কাজী নজরুল ইসলাম এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিয়ে আমাদের মধ্যে যে অত্যাধিক ভক্তি কাজ করে, তা কিন্তু হাদীর জন্য করে না। এখানেই প্রশ্ন আসে, কালচার বলতে আমরা কী বুঝি? কাজী নজরুল এবং রবীন্দ্রনাথ, দুজনেরই গানে কবিতায় হিন্দুয়ানী শব্দের আধিক্য আমাদের কিন্তু চোখ এড়ায় না।
কাজী নজরুলের প্রথম দিককার কবিতা ও গানে উর্দু-ফারসি শব্দ থাকলেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেলপ্রাপ্তির পর তার গান ও কবিতায়ও সংস্কৃত শব্দ ঢুকে গেছে। সংস্কৃত শব্দের প্রয়োগই নোবেলপ্রাপ্তির কারণ- এমন একটা ধারণা তিনি পোষণ করতেন বলে আমি জেনেছি। শেষ বয়সে কাজী নজরুলকে হয়ত নোবেলপ্রাপ্তির আকাঙ্খা দুর্বল করেছিল। যা আমাদের হতাশ করেছে আর এই জায়গায় এসেই কাজী নজরুল আমাদের মন থেকে হারিয়ে গেছে।


২০২৫ সালে বিদ্রোহী কবিতার পুনর্নিমাণের মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলামের নতুন জন্ম হয়েছে। এই জন্ম তাকে দিয়েছে, ইনকিলাব মঞ্চ। ইনকিলাব মঞ্চ পৃথিবীর একমাত্র মঞ্চ, যা ইনসাফের কথা বলে। কখনো কোনো অন্যায়ের সাথে আপোস করেনি তারা। এম্পাথি, ভালোবাসা, মায়ামমতা এবং জনগণের সমর্থনই যাদের শক্তি। এটা আমি বিশ্বাস করি। যে এটা বিশ্বাস করে না, সে অবশ্যই লীগের দোসর, ইন্ডিয়ার দালাল, পাক্কা মাদা-চো.. তর মায়রে.. তর চৌদ্দগুষ্টি..

পঠিত ... ২ ঘন্টা ২৮ মিনিট আগে

আরও

পাঠকের মন্তব্য

আইডিয়া

গল্প

রম্য

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি


Top