গ্রাজুয়েশনের পর কেউ চাকরি করে, কেউ ইন্টার্নশিপ করে, কেউ ব্যবসা করে, কেউবা মাস্টার্স করে! কিন্তু আপনি যদি একজন বাংলাদেশি নারী হন, তাহলে আপনার জন্য এসব না! গ্রাজুয়েশন শেষ করার পর আর কী কী ‘মহাসুখের’ কাজ করতে পারেন, জেনে নিন এমন ৭টি কাজের তালিকা।
১. পছন্দমতো বিয়ে
অবশ্যই বাবা-মায়ের পছন্দমতো একটি ছেলেকে বিয়ে করে দ্রুত শ্বশুরবাড়ি চলে যাবেন। নিজের ক্যারিয়ারের চেয়ে অন্যের বাড়ির ড্রয়িংরুমের ফার্নিচার সাজানো অনেক বেশি রোমাঞ্চকর!
২. বিদেশ পাড়ি
শ্বশুরবাড়িতে যেতে ইচ্ছা না করলে বিদেশে থাকে এমন ছেলে দেখে বিয়ে করুন। এরপর স্পাউস ভিসায় বিদেশ চলে যান। স্বামীকে তিন বেলা বাহারি পদের রান্না করে খাইয়ে বাকি জীবনটা বিদেশের মাটিতে আরাম-আয়েশে কাটিয়ে দিন।
৩. ডিগ্রির সঠিক ব্যবহার
চার বছরের অর্জিত হাড়ভাঙা খাটুনির সার্টিফিকেটটি খুব যত্ন করে ফ্রেমে বাঁধিয়ে ড্রয়িংরুমে ঝুলিয়ে রাখুন। শ্বশুরবাড়িতে মেহমান আসলে যেন বলা যায়—এই যে দেখো, যেন-তেনো বউ না আমাদের! একদম গ্রাজুয়েট বউ!
৪. রান্নায় ডক্টরেট
একাডেমিক পড়াশোনা তো শেষ, এবার রান্নাবান্নায় উচ্চতর গবেষণা শুরু করুন। গোল রুটি বানানোর জ্যামিতিক সূত্র এবং তরকারিতে লবণের রাসায়নিক বিক্রিয়া বুঝতে পারলেই আপনার জীবন সার্থক।
৫. ক্যারিয়ারের ইতি
কোনো ভালো চাকরির অফার পেলেও তা সবিনয়ে প্রত্যাখ্যান করুন। কারণ, নিজের উপার্জিত টাকা খরচের চেয়ে স্বামীর কাছে হাত পেতে টাকা চাওয়ার মধ্যে যে একধরনের স্বর্গীয় প্রশান্তি আছে, তা আপনি চাকরি করলে বুঝবেন না। তাছাড়া জানেন তো, চাকরি-বাকরি করা নারী কখনও একজন লজ্জাশীল মা হতে পারে না।
৬. সেবা সংঘ
শ্বশুরবাড়ির বারো গোষ্ঠীর সেবা করার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করুন। দিনশেষে নিজের স্বপ্নগুলোকে ডাস্টবিনে ফেলে দিয়ে সবার মুখে হাসি ফোটানোই তো আপনার একমাত্র দায়িত্ব।
৭. পরবর্তী প্রজন্মকে উৎসাহ
নিজের মেয়ে সন্তান হলে তাকেও ছোটবেলা থেকে শিখিয়ে দিন যে, গ্রাজুয়েশনের পর গোল গোল রুটি বানানো আর শ্বশুরবাড়ির সেবা করাই হলো জীবনের চূড়ান্ত সার্থকতা।



পাঠকের মন্তব্য