বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাবি ও রাবির শিবির নেতারা

১৬ পঠিত ... ২ ঘন্টা ৪৮ মিনিট আগে

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে হঠাৎ করেই দেশের শীর্ষ দুই গণমাধ্যম প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার-এর প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন জাবি ও রাবির আলোচিত দুই শিবির নেতা। দীর্ঘদিন ধরে ভুল বোঝাবুঝির শিকার হওয়া এই দুই নেতা আজ সকালে আলাদা আলাদা মাধ্যমে জানান, তারা সবসময়ই মুক্ত গণমাধ্যম, বিশেষ করে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের পক্ষে ছিলেন, কিন্তু কিছু মানুষ তাদের সব সময় ভুল বুঝেছে। এবং  এই ছোটখাট ভুল বোঝাবুঝি মেটানোর জন্য তারা নিজেদের জায়গা থেকে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের জন্য আলাদা কেকও কাটবেন।

বাংলাদেশে থেকে প্রকাশিত দুই গণমাধ্যমের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে জাবির শিবিরের শীর্ষ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান এক ভুয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, বাংলাদেশ যখন তছনছ হয়ে যাচ্ছিলো তখন এই প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার আমাদের কম্পাসের মত পথ দেখিয়েছে। এদের কণ্ঠকে রুখে দেওয়া মানে বাংলাদেশের কণ্ঠকে রুখে দেয়া। মোস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, আমি গতকাল আমার জন্য ১২ মাসের প্রথম আলো ডেইলি স্টারের সাবস্ক্রিপশন নিয়ে রেখেছি। সামনে বিসিএস পরীক্ষা আছে। এদের ছাড়া তো আমার চলবেই না। 

অন্যদিকে রাবি শিবির নেতা মোস্তাকুর রহমান জাহিদের ভুয়া ফেসবুক প্রোফাইল থেকে সকাল সকাল প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের কোলাজ ছবি পোস্ট করা হয়। ক্যাপশনে লেখা ছিলো, এই বাংলাদেশ প্রথম আলোর, এই বাংলাদেশ ডেইলি স্টারের, এই বাংলাদেশ আমাদের সবার বাংলাদেশ। প্রথম আলো ডেইলি স্টারের মুখ যেদিন বন্ধ হবে, বন্ধ হয়ে যাবে বাংলাদেশের মুখ। যে স্বাধীনতার জন্য এত ত্যাগ আমরা করেছি সেটাকে কোনোভাবেই হারাতে দিতে পারি না। কেউ যদি ওদের দিকে চোখ তুলে তাকায়, আমি রাজশাহী থেকে আমার কর্মীবাহিনী নিয়ে ঢাকার দিকে লংমার্চের ঘোষণা দেব। 

এদিকে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবির আজ সকালে প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে জানায়, তারা ডেইলি স্টার ও প্রথম আলোর বাক স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি, অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে নিজেদের দেখতে চায়। নিজেদের কারওয়ানবাজারের ভ্যান গার্ড হিসেবে দাবি করে তারা জানান প্রথম আলো ডেইলি স্টারের দিকে কেউ যদি এক পা বাড়ানোর কথা চিন্তা করে তাহলে তারা যেন পায়ে লোহার মোজা পরে পা বাড়ায়। স্বাধীন দেশে গণমাধ্যম থাকবে স্বাধীন। কেউ হস্তগত করতে চাইলে ফলাফল কখনোই ভালো হবে না। 

এদিকে শিবিরের এমন প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার প্রীতির খবর শোনার পর নিজের কানকে বিশ্বাস করতে না পেরে নিজের কানকে পরীক্ষা করতে অনেককেই নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞের কাছে যাচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছে। ঢাকা মেডিকেল ঘুরে eআরকির ফিল্ড প্রতিনিধি জানিয়েছেন, আজকে বেশিরভাগ রোগীই কান পরীক্ষা করাতে এসেছেন। আবার কেউ কেউ এসেছেন হটাত হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে যাওয়াটা ছাড়ানোর জন্য, ডাক্তাদের মধ্যে প্রচণ্ড ব্যস্ততা। এদিকে বিষয়টি মহাহারি আকারে যেন বিষয়টা ছড়িয়ে না যায় তার জন্য সরকারী সতর্কতা জোরদার করা প্ল্যানও করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। 

১৬ পঠিত ... ২ ঘন্টা ৪৮ মিনিট আগে

Top