ব্যাংকিংয়ের যে নিয়মের কারণে ভদ্রমহিলা ব্যাংক থেকে টাকা পেলেন না

১৮৭৭ পঠিত ... ০৫:৪০, নভেম্বর ২৮, ২০১৯

বিকেল পাঁচটার মতো বেজে গিয়েছিল, ব্যাংক প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। 

হঠাৎই ব্রাঞ্চ ম্যানেজার এক ভদ্রমহিলার কাছ থেকে একটি ফোন কল পেলো। 

মহিলাটি মিষ্টি স্বরে তাকে বললেন, 'স্যার আমার ১০,০০০ টাকার ভীষণ জরুরি প্রয়োজন। আমি ১০ মিনিটের মধ্যে আপনার ব্যাংক আপনি আমার জন্য দয়া করে একটু অপেক্ষা করতে পারেন?'

তার কণ্ঠস্বর এতোটাই চিত্তাকর্ষক ছিলো যে, শাখা ম্যানেজার না বলতে পারলেন না।

তিনি তার কোষাধ্যক্ষকে নগদ প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দিলেন। কোষাধ্যক্ষ অত্যন্ত অনিচ্ছা সত্ত্বেও তার বসের কথা মেনে নিলেন।

কিছুক্ষণ পর, একদমই অনার্কষনীয় মুখের একজন বিশাল মোটাসোটা ভদ্রমহিলা ব্যাংকে এসে তার চেক উপস্থাপন করলেন এবং অর্থের জন্য জিজ্ঞাসা করলেন। 

বিএম ঘোর বিস্ময় আর চরম বিরক্তি নিয়ে ভদ্রমহিলাকে প্রত্যাখান করে বললেন, 'ব্যাংক বন্ধ হয়ে গেছে। আপনি আগামীকাল আসুন।'

কোষাধ্যক্ষ এমনিতেই রেগে ছিলেন। তিনি বিএমকে জিজ্ঞাসা করলেন, যদি তার উদ্দেশ্যই ছিলো না দেবার কেন তিনি সবাইকে অপেক্ষায় বসিয়ে রাখলেন।  

বিএম বললেন, 'আমি তাকে সাহায্য করতেই চেয়েছিলাম, কিন্তু ব্যাংকিং এ সার্বজনীন নিয়ম হলো- যদি ফ্যাক্টস এবং ফিগার না মেলে, পেমেন্ট অস্বীকার করা হবে!' 

১৮৭৭ পঠিত ... ০৫:৪০, নভেম্বর ২৮, ২০১৯

আরও

পাঠকের মন্তব্য

আইডিয়া

গল্প

রম্য

সাক্ষাৎকারকি


Top