যে কারণে বুড়ো লোকদের পুলিশ ধরে না

১১২০ পঠিত ... ১৮:২২, আগস্ট ২০, ২০২৬

এক বয়স্ক দম্পতি তাদের ৬০তম বিবাহবার্ষিকী পালন করছিলেন। শৈশবের প্রেম থেকে তাদের সংসার, আর অবসরের পর তারা আবার নিজেদের সেই পুরনো পাড়াতেই ফিরে এসেছেন। দুজনে হাত ধরাধরি করে তাদের পুরনো স্কুলে গেলেন। ভাগ্যক্রমে স্কুলের দরজা খোলাই ছিল। ভেতরে ঢুকে তারা সেই পুরনো বেঞ্চটা খুঁজে পেলেন, যেখানে জামাল একদিন কাঠ খোদাই করে লিখেছিল, আই লাভ ইউ, জরিনা।

বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎ এক ব্যাংক ডাকাতির গাড়ি থেকে টাকার এক বস্তা পড়ল একদম তাদের পায়ের কাছে! জরিনা তড়িঘড়ি করে বস্তাটা তুলে নিল। কী করবেন বুঝে উঠতে না পেরে তারা বস্তা নিয়ে সোজা বাড়ি চলে এলেন। ঘরে এসে গুনে দেখলেন, পুরো ১ লাখ টাকা!

জামাল আতঙ্কিত হয়ে বলল, আমাদের এটা ফেরত দেওয়া উচিত!

জরিনা জেদ ধরে বলল, যে পায় তার লাভ! ফেরত দেওয়ার কিছু নেই। এই বলে সে টাকার বস্তাটা চিলেকোঠায় লুকিয়ে রাখল।

পরদিন দুই পুলিশ কর্মকর্তা টাকার সন্ধানে পাড়ায় তল্লাশি চালাতে চালাতে তাদের দরজায় কড়া নাড়ল। কিছু মনে করবেন না, কাল কি আপনারা রাস্তা থেকে কোনো ডাকাতির গাড়ির টাকার বস্তা কুড়িয়ে পেয়েছেন?

জরিনা সোজাসুজি অস্বীকার করে বলল, না তো!

জামাল সাথে সাথে বলে উঠল, ও মিথ্যা বলছে! টাকাটা ও চিলেকোঠায় লুকিয়ে রেখেছে!

জরিনা মাথায় হাত দিয়ে পুলিশকে বলল, ওর কথায় একদম কান দেবেন না, বয়স হয়েছে তো, ইদানীং মাথাটা পুরো গেছে ওর!

পুলিশ কর্মকর্তারা তখন জামালের দিকে ঘুরে তাকে জেরা করা শুরু করল। এক কর্মকর্তা বলল, ঠিক আছে মিস্টার জামাল, আমাদের শুরু থেকে পুরো ঘটনাটা বলুন তো!

জামাল উত্তেজিত হয়ে বলতে শুরু করল, শুনেন ভাই, কাল যখন জরিনা আর আমি স্কুল থেকে হেঁটে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলাম...

প্রথম পুলিশ কর্মকর্তা হতাশ হয়ে অন্যজনের দিকে তাকিয়ে বলল, ধুর ব্যাটা! চল তো এখান থেকে! পাগলের সাথে কথা বলে লাভ নাই!

১১২০ পঠিত ... ১৮:২২, আগস্ট ২০, ২০২৬

আরও

পাঠকের মন্তব্য

আইডিয়া

গল্প

রম্য

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি

স্যাটায়ার


Top