বাংলাদেশের কাছে টেস্টে এমন এক দাপুটে হার খাওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ান শিবিরে নাকি এখন ক্রিকেটের চেয়ে গবেষণাই বেশি চলছে। ব্যাটিং ব্যর্থ, বোলিং ব্যর্থ, ফিল্ডিংয়েও আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি, সব মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়া বুঝে উঠতে পারছে না, তাদের সেই পুরোনো ‘ভয়ংকর’ চেহারাটা গেল কোথায়। মাঠে নামার আগে যে দল প্রতিপক্ষকে মানসিকভাবে চাপে রাখত, সেই দলই এবার বাংলাদেশের সামনে বেশ অসহায় হয়ে পড়েছে।
শেষমেশ নাকি তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ক্রিকেটীয় কৌশল দিয়ে কাজ না হলে এবার একটু ভিন্ন পথে হাঁটতে হবে। কারণ অস্ট্রেলিয়ান টিম ম্যানেজমেন্টের ধারণা, ব্যাটিং-বোলিংয়ের পাশাপাশি প্রতিপক্ষকে ভয় দেখানোর পুরোনো ফর্মুলাটাও ফিরিয়ে আনা জরুরি। আর সেই ভয়ংকর হওয়ার কৌশল খুঁজতে গিয়েই নাকি তাদের নজর পড়েছে ছাত্রলীগের দিকে। অস্ট্রেলিয়ান দলের এক কাল্পনিক মুখপাত্র আমাদের বলেন, আমরা অনেক কিছু চেষ্টা করেছি যেমন ফাস্ট বোলিং, শর্ট বল, স্লেজিং কিন্তু কোনো কিছুতেই বাংলাদেশকে ভয় দেখানো যাচ্ছে না। বরং বাংলাদেশই আমাদের এমনভাবে খেলেছে যে, এখন আমরাই ভয় পাওয়ার পর্যায়ে চলে গেছি।
তিনি আরও বলেন, তারপর ভিডিওতে ছাত্রলীগের কিছু কর্মকাণ্ড দেখে বুঝলাম, ভয়ংকর হতে চাইলে ছাত্রলীগই এখন আমাদের একমাত্র ভরসা। আমরা এতদিন ভেবেছিলাম ক্রিকেটের মাঠে ভয়ংকর হতে হলে ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার গতিতে বল করতে হবে। এখন বুঝতে পারছি, ভয়ংকর হওয়ার আরও অনেক পথ আছে। পরবর্তী টেস্ট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার পরিকল্পনা জানতে চাইলে মুখপাত্র বলেন, পরের ম্যাচে আমরা শুধু ক্রিকেট খেলতে চাই না, ভয়ংকর ভাবমূর্তিও ফিরিয়ে আনতে চাই। প্রয়োজন হলে বাইকের হেলমেট, হকিস্টিক আর হাতুরি নিয়ে মাঠে নামব।
তবে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট বোর্ড নাকি বিষয়টি নিয়ে কিছুটা চিন্তিত। কারণ তাদের কোচ জানতে চেয়েছেন, এসব দিয়ে ক্রিকেটের নিয়মের মধ্যে থেকে কীভাবে খেলব? জবাবে টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে জানানো হয়েছে, নিয়মকানুন পরে দেখা যাবে। আগে ভয়ংকর ভাবটা ফেরত আসুক।


