নরকেও বাংলাদেশি রকস

১৯ পঠিত ০ ... ১১ ঘন্টা ০ মিনিট আগে

দুই বাংলাদেশি অ্যাক্সিডেন্ট করে মারা গেল। জীবনেও কোনো ভালো কাজ করেনি বলে তারা সোজা নরকে চলে গেল।

নরকের দায়িত্বে থাকা শয়তান কয়েকদিন পর আসলো তাদেরকে স্বাগত জানাতে। এসে দেখে এই দুইজন টিশার্ট আর জিন্স পরে পাশাপাশি বসে তুমুল আড্ডা দিচ্ছে! শয়তান তো অবাক! এই নরকের গরমে সবাই হাঁসফাঁস করছে আর এরা চিল মোডে!

শয়তান জিজ্ঞেস করল, কী ব্যাপার? এই গরম কি তোমাদের জন্য এনাফ হয় নাই?

তাদের একজন হেসে জবাব দিল, আরে ধুর! কী যে বলেন ভাই! এটা কোনো গরম হলো? আমাদের দেশে তো বসন্তকালের আবহাওয়াও এরচেয়ে গরম থাকে!

নিজের এলাকা নরকের এমন ঘোর অপমান শয়তান মোটেই মেনে নিতে পারল না। সে ঠিক করল এবার সত্যি সত্যি এখানকার তাপমাত্রা দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেবে। নরকের আগুন আর এখানে শাস্তি পাওয়া আত্মাদের আর্তচিৎকার আরও গুণ তীব্র হয়ে উঠল। উত্তপ্ত লাভার নদীগুলো বাঁধ ভেঙে উপচে পড়তে লাগল।

শয়তান তার সেই দুই বাংলাদেশিকে আবার দেখতে গেল। গিয়ে দেখে, তারা এবার স্বচ্ছন্দ্যে শর্টস আর টি-শার্ট পরে আড্ডা মারছে!

শয়তান প্রশ্ন করল, এখনও তোমাদের গরম লাগছে না?

একজন বলল, এটা তো আমাদের দেশের জুলাই মাসের মতো সাধারণ গরম। সত্যি বলতে, গেলো বছর ওয়েদার এরচেয়েও বিশ্রী ছিলো!

শয়তান এবার প্রচণ্ড রাগ হলো, অপমানিত বোধ করল। শোধ তোলার জন্য সে এবার এক নতুন বুদ্ধি বের করল। সে ভাবল এরা গরমের দেশের লোক, এদেরকে গরম দিয়ে কাজ নেই। বরং নরকের আবহাওয়া একদম সর্বনিম্নে নামিয়ে দিয়ে হাড়কাঁপানো ঠাণ্ডা বানিয়ে দেবে!

শয়তান এরপর রাতের খাবার খেয়ে, সেই দুই বাংলাদেশিকে খুঁজতে বের হলো। কিন্তু তাদের কাছে পৌঁছাতেই শয়তানের চোখ কপালে ওঠার জোগাড়। লোক দুটো একে অপরকে জড়িয়ে ধরে মহা আনন্দে নাচানাচি আর চিৎকার করছে!

শয়তান রাগে গর্জে উঠে বলল, ঘটনা কী? এই বরফ জমা হাড়কাঁপানো শীতে তোমাদের এত আনন্দ কীসের?

তারা শয়তানের দিকে তাকিয়ে চিৎকার করে বলে উঠল,

ইতিহাস তৈরি হয়ে গেছে রে ভাই! অবশেষে সেই অসাধ্য সাধন হয়েছে… খবর পেলাম আমাদের দেশে এক এমপি পদত্যাগ করেছে!

১৯ পঠিত ০ ... ১১ ঘন্টা ০ মিনিট আগে

আরও

পাঠকের মন্তব্য

আইডিয়া

গল্প

রম্য

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি

স্যাটায়ার


Top ​