এক কৃষকের পাঁচটি স্ত্রী-শুয়োর ছিল। অভাবের সংসার, তাই সে ঠিক করল, এগুলোকে হাটে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে দেবে।
হাটে গিয়ে আরেক কৃষকের সঙ্গে তার দেখা হলো, যার আবার পাঁচটি পুরুষ-শুয়োর ছিল। কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলার পর তারা সিদ্ধান্ত নিল, শুয়োরগুলোর প্রজনন করাবে এবং এর থেকে যা লাভ হবে, তা সমান অর্ধেক করে ভাগ করে নেবে।
দুই কৃষকের বাড়ি ছিল একে অপরের থেকে ষাট মাইল দূরে। তাই তারা ঠিক করল, দুজনই ত্রিশ মাইল করে গাড়ি চালিয়ে মাঝপথের একটি মাঠে আসবে এবং শুয়োরগুলোকে একসঙ্গে ছেড়ে দেবে।
প্রথম দিন ভোরে স্ত্রী-শুয়োরের মালিক কৃষকটি সকাল পাঁচটায় ঘুম থেকে উঠল। তার একমাত্র গাড়ি বলতে ছিল পরিবারের স্টেশন ওয়াগনটি। সে শুয়োরগুলোকে সেটির ভেতরে তুলল এবং ত্রিশ মাইল ড্রাইভ করে নির্দিষ্ট মাঠে গিয়ে পৌঁছাল।
শুয়োরগুলোর মিলন চলাকালীন সে অন্য কৃষককে জিজ্ঞেস করল, সে কীভাবে বুঝবে যে ওরা গর্ভবতী হয়েছে কি না।
অন্য কৃষক উত্তর দিল, পরদিন সকালে উঠে যদি দেখে, ওরা ঘাসের ওপর শুয়ে আছে, তবে বুঝবে গর্ভবতী হয়েছে। আর যদি কাদার মধ্যে থাকে, তবে বুঝবে গর্ভবতী হয়নি।
পরদিন সকালে কৃষক উঠে দেখল, শুয়োরগুলো কাদার মধ্যে গড়াগড়ি খাচ্ছে। সে পাইপ দিয়ে সেগুলোকে ধুয়ে পরিষ্কার করল, আবার স্টেশন ওয়াগনে তুলল এবং নতুন করে চেষ্টা করার জন্য রওনা দিল।
এভাবে টানা এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে প্রতিদিন সকালে একই ঘটনা ঘটতে থাকল। দুই কৃষকই ক্লান্তি আর পরিশ্রমে একেবারে শেষ!
তার পরের দিন সকালে কৃষকটি এতই ক্লান্ত ছিল যে আর বিছানা ছেড়েই উঠতে পারল না।
সে ভেতর থেকেই তার স্ত্রীকে ডেকে বাইরে গিয়ে দেখে বলতে বলল, শুয়োরগুলো কাদায় আছে, না ঘাসের ওপর শুয়ে আছে।
স্ত্রী বাইরে তাকিয়ে চেঁচিয়ে বলল, একটার মধ্যেও না! ওরা সব গাড়ির ভেতর গিয়ে বসে আছে, আর একটা তো আবার হর্ন বাজাচ্ছে!



পাঠকের মন্তব্য