ডাকসু নির্বাচন নিয়ে আমি যে কারণে এক্সাইটেড

১৯১ পঠিত ০ ... ১৩:৫০, সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৫

ঢাকা ভার্সিটির স্টুডেন্টদের নানান রকম আফসোস আছে, না পাওয়ার বেদনা আছে। আমারও ছিল। 

‎এর মধ্যে সবচেয়ে বড় আফসোস, ঢাকা ভার্সিটিতে কোনো বটতলা নাই! 

‎অনেক ভার্সিটিতেই দেখি, বটতলা বলে একটা জায়গা থাকে। সেটা হয় ভার্সিটির এক মিলনমেলার মতো। হ্যাপেনিং কিংবা প্রাণবন্ত একটা স্পট হয় সেটা। মানুষ সেখানে খাইতে যায়, আড্ডা দিতে, দেখা করতে যায়।

‎জাহাঙ্গীরনগরের কথাই ধরেন। ক্যাম্পাসে গিয়ে কোনো বন্ধুকে ফোন দিলেই সে বলবে, বটে আয়। খিদা লাগসে? বটে চল। চা খাওয়া লাগবে? বটে আয়...

‎এবারের ডাকসু নির্বাচন আর তার ফলাফল নিয়ে আমার এক্সাইটমেন্টটা এখানেই। এতদিনের সেই অপূর্ণতাটা হয়তো এবার ঘুচে যাবে। ঢাকা ভার্সিটিতেও থাকবে একটা বটতলা---যদিও কেবল যদি জিতে যায় শিবিরের প্যানেল! 

‎বটগাছ না থাকুক, শিবিরের বটবাহিনী তো আছে! জিতে গেলে ক্যাম্পাসে বিরোধীপক্ষ ও তাদের ফেসবুক আইডি খেয়ে দেয়ার কাজে তারা থাকবে চিরনিমগ্ন। হয়তো বটের দল অনলাইনে নারীদের হ্যারাস করবে। মোরাল পুলিশিং করবে। গুপ্ত বেশে লীগের লুঙ্গীর তলায় থেকে শেখা বিদ্যা--ভিন্নমতের শিক্ষার্থীদের নিপীড়ন চালিয়ে যাবে। শিক্ষার্থীদের রগের 'যত্ন' নেবে। নারী নিপীড়কদের ফুলের মালা পরাবে। 'নারীদের নিরাপত্তা' নিশ্চিত করতে নারীদের মানবিক অধিকার হরণে নেমে আসবে... 

‎হয়তো বটবাহিনী ক্যাম্পাসের সাংস্কৃতিক পরিবেশ ও চর্চার আগাপাছতলা খেয়ে ফেলবে। তবু, একটা বটতলা তো থাকবে! রগ না থাকে না থাকুক, চলুক বটের জয়জয়কার!

‎এবার তাই একটু এক্সাইটেড লাগছে। গা ছমছম, কি জানি কী হয়! শিক্ষার্থীরা কী আদায় করতে পারবে নিজ ক্যাম্পাসে লাঞ্চিত হওয়ার ন্যায্য অধিকার?

১৯১ পঠিত ০ ... ১৩:৫০, সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৫

আরও

পাঠকের মন্তব্য

আইডিয়া

গল্প

রম্য

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি


Top ​