ঈদের মৌসুমে হইহই করে চলছে কেনাকাটা। কিন্তু এমন ব্যস্ত কেনাকাটার মৌসুমে অভাবনীয় এক কীর্তি গড়ে ফেলেছে রায়হান। আড়ং-এর সামনে সিমেন্টের ব্যাগ বিক্রি করে বর্ষসেরা উদ্যোক্তা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে রায়হান। আমাদের রিপোর্টার রায়হানের সাথে যোগাযোগ করেন।
কীভাবে এমন ব্যতিক্রমী চিন্তা আসল, এমন প্রশ্নের জবাবে রায়হান বলেন, ‘আমার ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে আড়ং-এ যাব। বড় হলাম, আড়ং-এ গেলাম। কিন্তু তখন যা দেখলাম… তারা ব্যাগের জন্য টাকা নিচ্ছে।
সেদিনই আমার উদ্যোক্তা সত্তা ঘুম থেকে ধরফরিয়ে জেগে উঠল, কড়াঘাত করল বিবেকে। আমার অন্তরাত্মা চিৎকার করে বলতে লাগল, কিছু কর, কিছু কর যে ব্যাটা!
সামনে ছিল নুরজাহান সিমেন্টের কিছু ব্যাগ। আমি বুঝে গেলাম, এই নিষ্ঠুর দুনিয়ায় সিমেন্টের ফাঁপা ব্যাগ দিয়ে আমি শান্তি ফিরিয়ে আনতে পারি।
আড়ং-এর ব্যাগের চেয়ে অর্ধেক দামে পরদিন থেকেই ব্যাগ বিক্রি শুরু করলাম।
রায়হানের চোখ চিকচিক করতে লাগল।
নেত্রকোণা ভিজে উঠল কিনা উঠল, হয়তো তার।
কাঁপা গলায় রায়হান বলল, সে কী বিক্রি! আমি হিমশিম খেতে লাগলাম একা। দুজন সহযোগী নিয়োগ দিলাম। তারাও হাঁপিয়ে উঠল।
ততদিনে আমার খুচরা বিক্রি ও পাইকারি বিক্রি দুটো শাখা খুলেছে। আড়ং-এর কয়েকটা শোরুমের সামনে পাইলট ভিত্তিতে শুরু করলাম আমার পোর্টেবল শোরুম।
আশা করি খুব শিগগিরই আমি একটা স্থায়ী শোরুম খুলব। নাম হবে ভড়ং।
রায়হান দেশের তরুণদের অনুপ্রেরণা দিয়ে বলেন, আপনারাও ব্যাগ বিক্রি করুন। আমাকে ডাকলেই পাশে পাবেন। এজন্য সাবস্ক্রাইব করুন আমার চ্যানেল, এসে বেঁচে দিই।


