বিশ্বের তরমুজ খাতের একমাত্র নিয়ন্ত্রক ডিজিটাল সিস্টেম তরমুজ প্রণালী হঠাৎ অচল হয়ে পড়ায় সারাবিশ্বে তরমুজ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে বাজারে তরমুজের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ তরমুজ মালিক সমিতি।
এক তরমুজ ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, ইরাক-ইজরায়েল ও আমেরিকার ত্রিমুখী যুদ্ধের কারণে ইরানের উপর দিয়ে বইতে থাকা তরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরাক। এতে দেখা দিয়েছে জটিলতা! তাই এক প্রকার বাধ্য হয়েই আমরা তরমুজের দাম বাড়িয়েছি। আপনারা হয়তো বিশ্বাস করবেন না, বেশি দামে আপনাদের কাছে তরমুজ বিক্রি করতে আমাদের কলিজাটা ফেটে যায়! তাও কী করবো, সুপারগ্লু দিয়ে জোড়া দিয়ে আবার বিক্রি করি।
এই বিক্রেতা দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আমরা নিজেরাও তো বেশি দামে কিনি! এই রোজা-রমজানের দিনে এভাবে তরমুজ প্রণালীটা বন্ধ হয়ে গেল।
এদিকে প্রণালী বন্ধের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বাজারে হাহাকার শুরু হয়েছে। কারওয়ান বাজারে গিয়ে দেখা যায়, একেকটি তরমুজ এখন প্রি-অর্ডার করতে হচ্ছে। যারা আগে থেকে তরমুজ কিনে রেখেছিলেন, তারা সেগুলো লকারে ভরে রাখছেন।
মালিক সমিতি জানিয়েছে, এই বহিঃর্দেশীয় জটিলতা কাটিয়ে উঠতে অন্তত তিন থেকে চার মাস সময় লাগবে। এই সময়ের মধ্যে যদি কেউ তরমুজ খেতে চায়, তবে তাকে ল্যাপটপ বা স্মার্টফোনে তরমুজের ওয়ালপেপার দেখে ধৈর্য ধরার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে সিস্টেম সচল হলেও তরমুজের দাম কমবে কি না, সে বিষয়ে তারা কোনো অ্যালগরিদম দেখাতে পারেননি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্রেতা বলেন, আগে জানতাম তরমুজ কাটার পর লাল না হলে দুঃখ লাগে, এখন দেখছি তরমুজ কাটার আগেই সিস্টেম এরর দেখাচ্ছে! আমরা কি এখন তরমুজ খাবো, নাকি রিবুট দেবো?


