চলে এসেছে ঈদ। আর এই সময় সব মার্কেট জমজমাট ঈদের শপিংয়ের জন্য। কিন্তু এবার মার্কেটে গিয়ে দেখা যাচ্ছে জামাকাপড়ের অবিশ্বাস্য দাম। এসব দেখে ক্রেতাদের মাথায় হাত, কারও পড়ছে না চোখের পলক। ব্র্যান্ডের দোকানগুলোতে দামের জায়গায় শুরুর সংখ্যার পরে কয়টা শূন্য আছে, তা গুনতে গুনতে শেষ হয়ে যাচ্ছে কারও দিন। এমন অবস্থায় মার্কেটে গিয়ে দাম শুনে অনেক ক্রেতাই অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাচ্ছেন, শ্বাস নিতে পারছেন না, অসুস্থ বোধ করছেন।
এসব অবস্থা দেখে নিখিল বাংলার ক্রেতাসমিতি উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছেন। তারা দাবি করছেন প্রতিটি জনবহুল শপিং স্পট ও ব্র্যান্ডের দোকানের বাইরে ডাক্তার নিয়োগ দেওয়ার। সমিতির মুখপাত্র আমাদের সাথে একটি ফোনকলে উত্তেজিত গলায় বলেন,
“জামাকাপড়, পাঞ্জাবির যে দাম লিখে রাখছে এরা, আমাদের বাপ-দাদা চৌদ্দগুষ্টির সম্পত্তি বেচলেও একটা কাপড় জুটতেছে না কপালে! অনেকেই এসব দাম দেখে অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছে। এই ভিড়ে মার্কেট থেকে কাউকে বের করাও একটা কষ্টের ব্যাপার। তাই মার্কেটে মার্কেটে আমরা সরকারি ডাক্তার চাই!”
এ ব্যাপারে আমরা একটি মার্কেটে সরেজমিনে দেখতে গেলে একজন ক্রেতা আমাদেরকে বলেন,
একটু আগে একটা পাঞ্জাবি দেখছিলাম ভাই! সেই পাঞ্জাবির দামে যতগুলো শূন্য, এতগুলো শূন্য আমি আমার বাপের জন্মে দেখি নাই! আমার এখন মাথা ঘুরাচ্ছে! ডাক্তারের সুবিধা থাকলে ভালো হতো, খুবই অসুস্থ বোধ করছি!
এদিকে একজন ডাক্তার এই কথার সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে বলেন, মানুষ আসলে ভিড়ভাট্টা ঠেলে গিয়ে দাম শুনে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। এমন অবস্থায় আমাদের মতো সদ্য পাশ করা বেকার ডাক্তারদের বিভিন্ন মার্কেটে নিয়োগ দেওয়া হোক। প্র্যাকটিসও হবে, সাথে কিছুটা ইনকামও হলো। সবারই লাভ!
এ ব্যাপারে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে একটি ফেক ফোনকলে কথা হলে তিনি বলেন,
একটা কেন, মার্কেটে এত ডাক্তার নিয়োগ দেব যেন প্রত্যেক রোগীর পেছনে একজন করে ডাক্তার ঘোরে। তবে এই আয়োজনটা করতে একটু সময় লাগছে। হয়ে গেলেই আপনারা সব ক্রেতার সাথে একজন করে ডাক্তার পাবেন!


