গাড়ি থাকলেও হাসুন না থাকলেও হাসুন: ১৫টি ফাটাফাটি কার জোকস

১০৯৩ পঠিত ... ১৭:৫৩, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯

 

১# 
ভোরবেলায় রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে এক পুলিশ অফিসার সে গাড়ির চালককে জানাল যে, সে দিনের প্রথম ‘সিটবেল্ট পরিধানরত গাড়ি চালকহিসেবে নিরাপত্তা দিবসে দশ হাজার টাকা পুরস্কার পেতে যাচ্ছে। পুলিশ অফিসার সাধারণ কৌতূহলে জানতে চাইল:  

: তুমি এই টাকা দিয়ে কী করবে?

চালক চোখ বুজে বলল, এই টাকায় ড্রাইভিং টেস্ট দিয়ে এবার আমি সত্যিকারের একটা লাইসেন্স নেব।

২# 
তেমার বাবা জানলো কী করে যে আমরা কাল তার গাড়ি নিয়ে বেড়াতে বের হয়েছিলাম?

: কাল একজনকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়েছিলাম মনে আছে?

: হাঁ, সে কি নালিশ করেছে?

: না, তিনিই আমার বাবা ছিলেন।

 

৩# 
এক লোক নতুন গাড়ি কিনেছে কিন্তু কীভাবে বন্ধুদের বলবে বুঝতে পারছে না। তো একদিন বলে বসল—

: বুঝলি পা দুটোর উপর ঘেন্না ধরে গেছে।

: কেন?

: সব সময় এক পা এক্সিলেটরে আর এক পা ব্রেকের ওপর ফেলে রাখতে হয়।

 

৪# 
শহরের এক প্রান্তে এক লোক গাড়ি পার্ক করে বসে ছিলেন। এ সময় পাশ দিয়ে একটা গরু হেঁটে যেতে যেতে বলল, ‘এই যে ভাই আপনার গাড়ির ব্রেকে মনে হচ্ছে সমস্যা আছে, সাবধানে গাড়ি চালাবেন।’

গাড়িচালক গরুর মুখে মানুষের কথা শুনে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে ছুটে গেল কাছাকাছি একটা ডেইরি ফার্মে। গিয়ে সমস্ত ঘটনা খুলে বলল। সব শুনে ফার্মের লোকজন বলল, ‘গরুটা লাল রঙের ছিল না?’

: হ্যাঁ।

: তাহলে আপনি নিশ্চিত থাকুন লাল চামড়ার গরুগুলো গাড়ি সম্পর্কে খুব বেশি জানে না।

 

৫# .
দুই গাড়ির ড্রাইভার গল্প করছে—

: কী রে, মাঝখানে শুনলাম তোর চাকরি যায় যায় অবস্থা হয়েছিল। তা কী করে সামলে নিলি?

: এ আর কঠিন কী? অ্যাকসিডেন্ট করে গাড়ির দামি উইন্ডশিল্ড ভেঙে ফেললাম।

: কী?

: হ্যাঁ! তারপর বস বলল আগামী তিন বছরে ওই টাকা আমার বেতন থেকে কেটে রাখবে! তিন বছরের জন্য চাকরি পাক্কা।

 

৬# 

বাড়ি ফিরেই এক লোক দেখত পেল তার স্ত্রীর হাতে, মাথায় ব্যান্ডেজ। সে ছুটে তার কাছে গিয়ে বলল, ‘কী হয়েছে জানতে চাই’।

: গাড়ি এক্সিডেন্ট করেছি...সকালে ঘরের কিছু কেনাকাটা করতে বেরুচ্ছিলাম, স্ত্রীকে থামিয়ে দিয়ে স্বামী উত্তেজিত হয়ে বলল, ‘এত বিস্তারিত বলার প্রয়োজন নেই, এখন কী অবস্থা বল?’

স্বামীকে তার ব্যাপারে এত চিন্তিত হতে দেখে খুশি হয়ে স্ত্রী বলল— ‘আরে এত দুশ্চিন্তার কিছু নেই, মাথায় দুটো সেলাই পড়েছে আর কব্জি সামান্য একটু মচকে গেছে। অবশ্য ডাক্তার বলেছে....

এবার স্বামী আগের চেয়েও জোরে চিৎকার করে উঠল, ‘আরে তোমার কথা কে জিজ্ঞেস করল? গাড়ির কী অবস্থা সেটা বল!’

 

৭# 
একটা রেস্টুরেন্টে কয়েকজন তরুণ তাদের মধ্যে কে বেশি শক্তিশালী এ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এ সময় এক বয়স্ক লোক এগিয়ে এসে বললেন—

: তোমাদের মধ্যে কে সবচেয়ে শক্তিশালী?

: আমি, গর্বের সঙ্গে এজকন হাত তুলল।

: তুমি একটু বাইরে এসো।

: কেন?

: আমার গাড়িটার স্টার্ট বন্ধ হয়ে গেছে, একটু ঠেলতে হবে।

 

৮# 
দুধ বহনকারী গাড়িটা অন্য গাড়ির সাথে ধাক্কা লেগে উল্টে গেল। দুধে ভেসে গেল রাস্তা। ভিড় জমে গেল।

ভিড়ের মাঝ থেকে অমায়িক চেহারার এক ভদ্রলোক বেরিয়ে এসে দুধ বহনকারী গাড়ির ড্রাইভারকে বললেন, এজন্য নিশ্চয়ই তোমার মালিক তোমাকে দায়ী করবে। ক্ষতিপূরণ চাইবে?

: জী।

: তুমি তো গরিব। এত টাকা পাবে কোথায়? এক কাজ কর আমি পাঁচ টাকা দিলাম, এখন অন্যদের কাছ থেকে আরো কিছু কিছু নিলে বোধহয় হয়ে যাবে তোমার।

: কিছুক্ষণের মধ্যেই বেশ কিছু টাকা উঠে গেল। ভিড় কমে গেলে ভদ্রলোকটিও চলে গেলেন।

: একজন পথিক আপন মনে বলে উঠল, কে এই ভদ্রলোক?

: ড্রাইভার বলল, ‘আমার মালিক।

 

৯# 
সদ্য কার অ্যাক্সিডেন্ট হওয়া একজনের সাথে তার এক বন্ধুর দেখা...

: তোর গাড়ির দুদিকে দু রং কেন?

: অ্যাক্সিডেন্টের পর যখন কেস হয় তখন যে মজাটা হয় না। একেক জন একেক রঙের গাড়ির কথা বলে...হে হে!

 

১০# 
প্রফেসর ক্লাস-টেস্ট পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করার কারণ জানতে চাইলেন দুই ছাত্রের কাছে। তারা বলল, রাস্তায় গাড়ির চাকা পাংচার হয়ে গিয়েছিল তাই সময়মমো আসতে পারিনি, স্যার। প্রফেসর বললেন, আগামী পরশু তোমাদের পরীক্ষা নেওয়া হবে। দুই বন্ধু খুব ভালো প্রস্তুতি নিল পরীক্ষার জন্য।

পরীক্ষার সময় প্রফেসর দু’জনকে দুরুমে বসিয়ে দিলেন প্রশ্নপত্র দিয়ে। প্রশ্ন খুলে তারা দেখল দুটি প্রশ্নের উত্তর দিতে বলা হয়েছে। প্রথম প্রশ্নটির নম্বর মাত্র পাঁচ। প্রশ্নটি হল—অক্সিজেন এবং হাইড্রোজেন মিলে কী হয়? দ্বিতীয় প্রশ্নটির নম্বর ৯৫। প্রশ্নটি হল— কোন চাকা পাংচার হয়েছিল?

 

১১# 
দুই বন্ধুর হঠাৎ দেখা—

: শুনেছিস, সেই লেখক ভদ্রলোক গাড়ি চাপা পড়ে মারা গেছেন।

: কোন লেখক?

: সেই যে যিনি ‘পায়ে হেঁটে নিরাপদে রাস্তা চলার নিয়মাবলী’ বইটা লিখেছিলেন।

 

১২# 

: মেয়েরা ভালো গাড়ি চালায়, না ছেলেরা?

: অবশ্যই মেয়েরা।

: কেন?

: কারণ ওরা স্বামীর মতো একটা বাজে জিনিস যখন চালাতে পারে, তাহলে গাড়ির মতো অত্যাধুনিক একটা জিনিস কেন ভাল চালাতে পারবে না?


১৩# 

এক নব্য ধনীর সদ্য কেনা শখের গাড়িটা এক্সিডেন্টে ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। সে চিৎকার করতে লাগল, হায় হায়! আমার শখের গাড়িটা গেল। এক পথচারী দেখল লোকটার একটা হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। লোকটা বলল গাড়ির জন্য চিৎকার করছেন, আপনার হাত যে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে!

নব্য ধনী আরো জোরে চিৎকার করে উঠল., হায় হায় আমার রোলেক্স ঘড়িটাও বোধ হয় গেছে রে!

 

১৪# 
এক লোক নতুন গাড়ি কিনেছে। গাড়ির প্রতি খুব মায়া। এই সময় তার একবন্ধু এসে গাড়িটা চেয়ে বসল।

: তোর গাড়িটা একটু দিবি?

: ইয়ে মানে ড্রাইভার নাইতো ছুটিতে।

: অসুবিধা নাই আমি একটু একটু চালাতে পারি।


১৫# 

পর্যটকদের একটা বাস হাইজ্যাক করল কিছু লোক। পর্যটকরা সব ভীত-সন্ত্রস্ত। গেটের কাছে পিস্তল হাতে দাঁড়ানো লোকটি ড্রাইভারের পেছনে বসা পর্যটককে নাম জিজ্ঞেস করল

: আপনার নাম?

: জুলেখা।

: জুলেখা? জুলেখা আমার মায়ের নাম। ওহ মায়ের কথা মনে পড়ে গেল। ঠিক আছে আপনি নেমে যান। গাড়ি থামিয়ে তাকে নামিয়ে দেয়া হল।

: আপনার নাম?

দ্বিতীয় আরেকজনকে জিজ্ঞেস করলো সন্ত্রাসী।

: মোকাদ্দেস আলী। তবে লোকজন আদর করে জুলেখা বলে ডাকে।

১০৯৩ পঠিত ... ১৭:৫৩, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯

আরও

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

আইডিয়া

গল্প

রম্য

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি

স্যাটায়ার


Top