এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ ও বিএনপি নেত্রী রুমিন ফারহানার মধ্যে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি, কিছুটা মনোমালিন্য চলছিল কিছুদিন আগেও। একে অপরকে বেশ কথা শুনিয়েছেন, দেশব্যাপী হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। সেই আলোচনা দেশের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ না থেকে চলে গেছে বিদেশেও।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিদেশে এক হোটেলে বসে অলস সময় কাটাচ্ছিলেন, এমন সময় এক যুবক তার কাছে হাসনাত আবদুল্লাহ ও রুমিন ফারহানার বিষয়ে আপডেট দিলে নড়েচড়ে বসেন। হাতের কোমল পানীয়র গ্লাস পাশে রেখে বেশি কিছু না ভেবেই ফোন দেন রুমিন ফারহানাকে।
ওবায়দুল কাদের খুব ঘনিষ্ঠ এক ব্যাক্তি eআরকি-কে জানিয়েছে, রুমিন ফারহানাকে কয়েকবার ফোন করলেও রিসিভ করেননি প্রথমে। পরে কাদের সাহেব বিকাশে ৫০ পয়সার সাথে গোপন একটি ম্যাসেজ পাঠানোর সাথেই কল ব্যাক করেন রুমিন ফারহানা।
ফোন কলে কাদের সাহেব রুমিন ফারহানাকে বলেন, দেখ তোমার আর হাসনাতের মধ্যে অনেক গ্যাপ, মনের মধ্যে অনেক দূরত্ব হয়ে গেছে। চোখ দেখাদেখি না হোক টেলিফোনে তো আলাপ করা যায়। তোমাদের একটা অ্যান্ডারস্টান্ডিং, একটা রিলেশনশিপ থাকতে পারে। এমন হলে কী হবে? সবই কী আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমিত থাকবে? তোমরা কি কথাবার্তা বলবে না? টেলিফোনে কথা বলতে অসুবিধা কী?
এই কথাগুলোতে আপ্লুত হয়ে রুমিন ফারহানা নিজের ভুল বুঝতে পারেন। তিনি কাদের ভাইকে বলেন,
আমার বড় ভুল হয়ে গেছে। আমি আজই সম্পর্কটা ঠিক করার ব্যবস্থা করছি। চিন্তা করবেন না, সব ম্যানেজ করছি।
ফোনটা রেখেই রুমিন ফারহানা চিন্তা করতে বসে যান কীভাবে সম্পর্কটা ঠিক করা যায়। বেশ চিন্তা-ভাবনা করে হাসনাতের জন্য কিছু উপহার পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন। এরপর নিজের লোক দিয়ে হাসনাত আবদুল্লার জন্য উপহার পাঠিয়েছেন।
উপহার নিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহও বেশ খুশিই বলা যায়। তিনি জানান, আমাদের মধ্যে কিছু ভুল বোঝাবুঝি ছিল। কিন্তু তিনি লোক পাঠিয়ে খোঁজ নিয়েছেন এবং কিছু উপহারও দিয়েছেন। এটি ইতিবাচক বার্তা, আমরা অবশ্যই স্বাগত জানাই।