পিতৃতন্ত্রকে চিনতে হলে কি হাতে চাবুক দেখাতেই হবে?

১০ পঠিত ০ ... ১০ ঘন্টা ৪১ মিনিট আগে

কয়েক বছর আগের কথা। আমি তখন পোল্যান্ডে Erasmus-এর এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে। আমার এক ইরানিয়ান বন্ধু ছিল, মিনা নাভিদি। আমরা ছিলাম রুমমেট, কিন্তু সম্পর্কটা একসময় প্রায় বোনের মতো হয়ে গিয়েছিল। একদিন মিনা দৌড়ে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছিল। ওর এক বান্ধবীকে ইরানে মাথা না ঢাকার ‘অপরাধে’ ৭৪টা চাবুকের বাড়ি দেওয়া হয়েছিল। মেয়েটি তখনও পুলিশের কাস্টডিতে।

মিনা আমাকে বলেছিল, Bangladesh is far better than radical masculine Iranian society.

আমি কথাটা শুনে অবাক হয়েছিলাম, ওর মাথায় হাত বুলাচ্ছিলাম, আর আমার নিজের মাথায় অন্য একটা প্রশ্ন ঘুরছিল, আসলেই কি তাই?

এই ঘটনাটা নিয়ে আমি চার বছর আগে লিখেছিলাম। আমার যুক্তি ছিল, পিতৃতন্ত্র সব দেশে একই পোশাক পরে আসে না। কোথাও রাষ্ট্র আইন করে বলে দেয় নারী কী পরবে, কোথায় যাবে, শরীরের কতটুকু ঢাকবে। কোথাও আবার এত প্রকাশ্য আইনও লাগে না। পরিবার, ধর্মীয় নৈতিকতা, সামাজিক সম্মান, ‘ভালো মেয়ে’র সংজ্ঞা, বিয়ের বাজার, নিরাপত্তার ভয়, সবকিছু মিলিয়ে এমন একটা cultural policing তৈরি করা হয় যে নারী নিজেই একসময় নিজের চলাফেরা, পোশাক, সম্পর্ক, শরীর, এমনকি নিজের ambition ও পাহারা দিতে শেখে।

অবশ্য রাষ্ট্রীয় আইনে নারীর শরীরের ওপর সরাসরি শাস্তি প্রয়োগ আর সামাজিক, সাংস্কৃতিক বা প্রাতিষ্ঠানিক paternalism একই ধরনের coercion নয়। ক্ষমতার ধরন, সহিংসতার মাত্রা এবং আইনি কাঠামোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য আছে। কিন্তু আমার কাছে তখনও যে প্রশ্নটা ছিল, আজও সেটাই আছে: পিতৃতন্ত্রকে চিনতে হলে কি তার হাতে চাবুক দেখতেই হবে?

এত বছর পর সেই প্রশ্নটা আবার মনে পড়ল বাংলাদেশের তিনজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী বান্ধবীর নেপাল যাওয়ার ঘটনাটি দেখে। তাদের প্রয়োজনীয় ভ্রমণ নথি থাকা এবং কোনো আইনগত নিষেধাজ্ঞা না থাকা সত্ত্বেও বিদেশ যেতে দেওয়া হয়নি। তাদের অবিবাহিত থাকা, পরিবার ভ্রমণের কথা জানে কি না, এ ধরনের প্রশ্ন করা হয়েছে। এবং বিষয়টি এখন হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছে। অন্যদিকে ইমিগ্রেশন সূত্রের ভাষ্য, তাদের ভ্রমণের উদ্দেশ্য ও কথিত সম্মেলনের কাগজপত্র নিয়ে কর্মকর্তাদের সন্দেহ ছিল।

এই পার্থক্যটা বাদ দিয়ে আমি ঘটনাটি পড়তে চাই না। আদালত রুল দিয়েছে, তাদের বিদেশযাত্রায় বাধা দেওয়ার কার্যক্রম কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না এবং শুধু অবিবাহিত হওয়া, অভিভাবক ছাড়া ভ্রমণ বা এ ধরনের gender-based consideration এর কারণে প্রাপ্তবয়স্ক নারীর বৈধ বিদেশযাত্রায় বাধা না দেওয়ার নির্দেশনা কেন দেওয়া হবে না।

আইনি সত্য আদালত নির্ধারণ করবে। কিন্তু এই ঘটনা আমাদের সামনে যে সামাজিক প্রশ্ন রেখেছে, তার জন্য রায়ের অপেক্ষা করতে হয় না।

একজন নারী আসলে কত বছর বয়সে নিজের guardian হন?

একজন পুরুষ বন্ধুদের নিয়ে নেপাল যাচ্ছে। পাসপোর্ট আছে, টিকিট আছে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আছে। তার কাছে যদি ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা জানতে চান, ‘আপনি এখনও বিয়ে করেননি কেন? আপনার মা জানেন আপনি নেপাল যাচ্ছেন? বাসায় ফোন দেন তো’, আমাদের কাছে দৃশ্যটা কেমন লাগবে?

হাস্যকর লাগবে, তাই না? নারীর ক্ষেত্রে ঠিক এই ধরনের প্রশ্ন শুনলে আমাদের একটা অংশ কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে খুব সিরিয়াস হয়ে যায়। কারণ মাথার মধ্যে সঙ্গে সঙ্গে একটা শব্দ আসে: নিরাপত্তা।

এই ‘নিরাপত্তা’ শব্দটার ব্যাপারে আমার বহুদিনের সন্দেহ আছে। নারীর নিরাপত্তা অবশ্যই জরুরি। Human trafficking, sexual violence, fraud, border security এই সব কিছু বাস্তব।

ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার কাজ হলো প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ভ্রমণের বৈধতা ও নথি যাচাই করা এবং নির্দিষ্ট ঝুঁকির যথাযথ অনুসন্ধান করা। কিন্তু risk assessment আর moral assessment এক জিনিস না।

আপনি আমার পাসপোর্ট, ভিসা, টিকিট দেখবেন, travel purpose নিয়ে আইনসম্মত প্রশ্ন করবেন, trafficking এর কোনো objective risk indicator থাকলে সেটা যাচাই করবেন। খুব স্বাভাবিক।

কিন্তু আমি বিবাহিত কি না, আমার বাবা জানেন কি না, স্বামী কোথায়, গার্ডিয়ান কে, এই প্রশ্নগুলো যদি একজন adult woman এর mobility বৈধ কি না নির্ধারণের উপাদান হয়ে ওঠে, তাহলে বর্ডার কন্ট্রোল করতে করতে রাষ্ট্র কখন যেন পরিবারের অভিভাবকের চেয়ারটাতেও বসে পড়েছে।

আমাদের এই ‘moderate masculine society’ তে পিতৃতন্ত্রের সবচেয়ে sophisticated দিক হলো, সবকিছুর জন্য আইন করে নারীকে পেটানোর প্রয়োজন পড়ে না। অনেক সময় আইন অধিকার দেয়, কিন্তু কালচার সেই অধিকার ব্যবহারের জন্য অনুমতি চায়।

আইন একজন নারীকে প্রাপ্তবয়স্ক বলে। তিনি ভোট দিতে পারেন, চাকরি করতে পারেন, ট্যাক্স দিতে পারেন, সম্পত্তির মালিক হতে পারেন, চুক্তি করতে পারেন, পাসপোর্ট নিতে পারেন, দেশ ছাড়তে পারেন। সমাজও বলে, নিশ্চয়ই পারেন।

তবে পাশে খুব ছোট করে একটা তারকাচিহ্ন বসানো থাকে। প্রাপ্তবয়স্ক*। তার নিচে ছোট অক্ষরে লেখা-শর্ত প্রযোজ্য। বাবা-মা জানেন কি না, বিয়ে হয়েছে কি না, স্বামী কী বলেন, কোথায় যাচ্ছেন, কার সঙ্গে যাচ্ছেন, কখন ফিরবেন এবং আপনার এই স্বাধীনতাটুকু আমাদের কাছে যথেষ্ট রেস্পেক্টবেল মনে হচ্ছে কি না, তার ওপর নির্ভরশীল।

এই guardianship এর portfolio টাও বেশ organised। ছোটবেলায় বাবা। একটু বড় হলে ভাই। বিয়ের পরে স্বামী। আর এঁদের কেউ আশেপাশে না থাকলে সমাজ তো আছেই। কখনও বাড়িওয়ালা, কখনও হল প্রশাসন, কখনও পাড়ার লোক, কখনও ফেসবুকের অপরিচিত পুরুষ, সবাই কিছুক্ষণের জন্য acting guardian হয়ে যেতে পারেন।

এখন যদি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কোনো কর্মকর্তা একই cultural script ব্যবহার করতে শুরু করেন, তাহলে সমস্যাটা sexism থেকে institutional sexism এ গিয়ে দাঁড়ায়।

এই জন্য মামলাটির constitutional dimension আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদ সমতা এবং লিঙ্গের ভিত্তিতে বৈষম্যের প্রশ্নকে সামনে আনে; ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদ আইনের সুরক্ষা ও ব্যক্তিস্বাধীনতার সঙ্গে সম্পর্কিত; আর ৩৬ অনুচ্ছেদ আইনসঙ্গত ও যুক্তিসংগত বিধিনিষেধ সাপেক্ষে চলাফেরার স্বাধীনতা স্বীকার করে।

এখন আদালতের সামনে মূল প্রশ্নগুলোর একটি হচ্ছে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীর বৈধ বিদেশযাত্রার ক্ষেত্রে তাঁর marital status বা guardian ছাড়া ভ্রমণকে আদৌ বাধা দেওয়ার ভিত্তি বানানো যায় কি না।

খেয়াল করেন, আমি বলছি না যে নারী বলে ইমিগ্রেশনে তাঁকে কোনো প্রশ্ন করা যাবে না। অবশ্যই করা যাবে। যে প্রশ্ন একই পরিস্থিতিতে একজন পুরুষকেও করা হতো, যে প্রশ্নের সঙ্গে immigration law, border security বা নির্দিষ্ট risk assessment এর সম্পর্ক আছে।

আমি শুধু জানতে চাই, পাসপোর্ট  এর সঙ্গে ম্যারেজ সার্টিফিকেট এর এই অদৃশ্য সম্পর্কটা কোথায় লেখা আছে?

আমাদের sexual politics এর সঙ্গে spatial politics কি সুন্দর করে মিশে যায়!

দক্ষিণ এশীয় পিতৃতন্ত্র নারীকে বলে দেয় কার সঙ্গে তার যৌন সম্পর্ক বৈধ। আবার বলার পর সে এটাও নির্ধারণ করতে চায় নারী কোথায় থাকবে, কার সঙ্গে যাবে, কত রাত পর্যন্ত বাইরে থাকবে, একা ভ্রমণ করবে কি না, বিয়ের আগে কতটা স্বাধীন হবে এবং বিয়ের পরে সেই স্বাধীনতার নতুন মালিক কে হবে।

এই কারণেই কয়েক সপ্তাহ আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের রাত দশটার মধ্যে হলে ফেরা নিয়ে লিখতে গিয়ে যে প্রশ্নটা করেছিলাম, এখানেও অন্যভাবে সেই একই cultural anxiety দেখতে পাই। দুটো ঘটনার underlying cultural grammar টা খুব পরিচিত।

ওখানে প্রশ্ন, মেয়ে হয়ে এত রাতে বাইরে কেন?

এখানে অভিযোগ অনুযায়ী প্রশ্ন, অবিবাহিত হয়ে বিদেশে কেন?

এরপর আরেকদিন হয়তো-একা কেন?

তারপর-পুরুষ বন্ধু কেন?

তারপর-এই পোশাকে কেন?

এই ‘কেন’ এর কোনও শেষ নেই। কারণ প্রশ্নগুলো আচরণ সম্পর্কে নয়; প্রশ্ন নারীর autonomy নিয়ে।

আমাদের সমাজে পুরুষের mobility খুব সহজেই adulthood হিসেবে পড়া হয়। ছেলে একা বিদেশে যাচ্ছে? Independent. Adventurous. Career-minded. মেয়েটি তিন বান্ধবী মিলে যাচ্ছে? সঙ্গে সঙ্গে safety, morality, family permission, পুরো কমিটি বসে যায়।

সময় একই। পাসপোর্ট একই রাষ্ট্রের। বয়সে দুজনই প্রাপ্তবয়স্ক। কিন্তু একজনের mobility হলো স্বাধীনতা, আর অন্যজনের mobility হয়ে যায় character assessment।

এই জায়গায় ‘honour system’ আসে। দক্ষিণ এশীয় সমাজে পরিবারের সম্মান একটা অদ্ভুত সম্পদ। পুরো পরিবার ব্যবহার করে, কিন্তু কাস্টডি দেওয়া হয় মূলত মেয়েদের। ছেলের sexual behaviour, রাতের জীবন, relationship বা mobility নিয়ে gossip হতে পারে; মেয়ের ক্ষেত্রে একই বিষয় খুব দ্রুত পরিবারের ‘ইজ্জত’, বিয়ের যোগ্যতা এবং চরিত্রের সঙ্গে জুড়ে যায়।

এই জন্যই যৌনকর্মী stigma বহন করেন, তার খদ্দের প্রায় অদৃশ্য থেকে যায়। এই জন্যই পুরুষের sexual experience অনেক সময় masculinity এর প্রমাণ, নারীরটা character flaw। এই জন্যই পুরুষের বাইরে থাকা social life, আর নারীর বাইরে থাকা খুব সহজেই moral question।

এবং এই জায়গায় রাষ্ট্রকে ভীষণ সতর্ক হতে হয়। কারণ রাষ্ট্র যদি সমাজের prejudiceকে ফিল্টার না করে বরং institutionalise করে, তখন cultural patriarchy রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা পেয়ে যায়।

মানব পাচার ঠেকাতে চান? অবশ্যই ঠেকান। কিন্তু পাচারকারীকে ধরার বদলে adult woman traveller কে default suspect বানাবেন না।

নারীর নিরাপত্তা চান? অবশ্যই নিশ্চিত করুন। কিন্তু নিরাপত্তার নামে তার agency কেড়ে নেবেন না।

আমরা একটা খুব অদ্ভুত সমাধানে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। রাস্তা নারীর জন্য অনিরাপদ? নারীকে ঘরে ঢোকাও। রাত অনিরাপদ? মেয়েকে আগে ফেরাও। ট্রান্সপোর্ট unsafe? মেয়েকে যেতে বারণ করো। বিদেশে পাচারের ঝুঁকি? মেয়েটা একা কেন যাচ্ছে সেটা আগে জিজ্ঞেস করো।

মানে সমস্যাটা যেখানে, তাকে খুব একটা ডিসটার্ব করছি না। যে মানুষটির ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা, তাকেই immobilise করে সমস্যার সমাধান করছি। এই ভিক্টিম ম্যানেজমেন্ট বা  কন্ট্রোল অধিকাংশ সময় কেয়ার এর ভাষায় আসে।

‘আপনার ভালোর জন্য বলছি।’ ‘আপনার নিরাপত্তার জন্য।’ ‘আমরা তো মা-বোনের মতো দেখি।’

আমি মিনার সেই কথাটা এত বছর পরও ভুলিনি-Bangladesh is far better…

আমি আজও চাই কথাটা সত্য হোক।  কিন্তু এখন হয়তো মিনাকে বলতাম, কোনো সমাজ কতটা ‘moderate’, সেটা শুধু রাষ্ট্র নারীর মাথায় আইন করে কাপড় চাপায় কি না দিয়ে বোঝা যায় না। দেখতে হয় একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী নিজের জীবন পরিচালনা করতে গিয়ে কতবার অন্য কারও অনুমতি, অ্যাপ্রোভাল, এক্সপ্লানেশন বা moral clearance দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

চার বছর আগে পিতৃতন্ত্রকে বুঝতে গিয়ে আমি ভূগোলের দিকে তাকিয়েছিলাম, কোথাও তার হাতে চাবুক, কোথাও তার ভাষা নরম। এখন মনে হয়, পিতৃতন্ত্রের ভূগোল শুধু দেশের মানচিত্রে আঁকা যায় না; তার আরও ছোট ছোট সীমান্ত আছে। কখনও সেই সীমান্ত বাড়ির দরজায়, কখনও হলের গেটে, কখনও বিয়ের বাজারে, কখনও ‘ইজ্জত’ এর অদৃশ্য বৃত্তে, কখনও administrative discretion এর ভেতরে।

আধুনিক পিতৃতন্ত্র রাগী চেহারায় আসে কম। কখনও সে খুব কেয়ারিং, খুব কন্সার্নড, প্রোটেক্টিভ ও। সে বলে, ‘আপনার ভালোর জন্যই তো।’  ‘নিরাপত্তার জন্য।’ এমন ভদ্র ভাষায় কন্ট্রোল করে যে একসময় কন্ট্রোল কে কন্ট্রোল বলাটাই অভদ্রতা বা বিব্রতকর হয়ে যায়।

তাই পিতৃতন্ত্রকে চিনতে আমি এখন আর শুধু তার হাতে চাবুক খুঁজি না। দেখি, সে কার হাতে চাবি দিয়েছে, কার সামনে গেট বসিয়েছে, আর কার চলাফেরার জন্য এক্সপ্লানেশন চেয়েছে।

আর তিনজন নারীর অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে, সেই পুরোনো guardianship এর রাজনীতি বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন ডেস্ক এ দাঁড়িয়ে একটি প্রশ্নের মধ্যেও ফিরে আসতে পারে- আপনি বিবাহিত?

একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীর পাসপোর্ট এ তার নিজের নামটাই যথেষ্ট হওয়া উচিত। সেখানে অদৃশ্য কালিতে বাবা, ভাই বা স্বামীর নাম খুঁজতে থাকা, এই অভ্যাসটা এবার অন্তত ছাড়ুন।

 

১০ পঠিত ০ ... ১০ ঘন্টা ৪১ মিনিট আগে

আরও eআরকি

পাঠকের মন্তব্য

আইডিয়া

কৌতুক

রম্য

সঙবাদ

স্যাটায়ার


Top ​