পৃথিবীটা যখন প্রথম আমার চোখে ফুটেছিল, চারপাশটা বোধহয় খুব একটা শান্ত ছিল না। ১৯৫৬ সালের ১৬ অক্টোবরের সেই ওলোটপালোট আশ্বিনের শেষাশেষি, বরিশালের আমানতগঞ্জ রেড ক্রস হাসপাতাল। বাবা ডাক্তার শেখ ওয়ালিউল্লাহর তখন সেখানে কর্মস্থল। মা শিরিয়া বেগমের কোল আলো করে যখন এলাম, বাবা আমার নাম রাখলেন শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ। কিন্তু রক্তে যার বাউণ্ডুলেপনা আর জেদ মিশে থাকে, সে কি আর স্রেফ একটা নামে আটকে থাকতে পারে? তাই স্কুলজীবনে নিজের নামের পিঠে নিজেই জুড়ে দিয়েছিলাম একটা তিলক, রুদ্র। রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।
আমাদের আদি বাড়ি বাগেরহাটের মোংলার শাহেবের মেথ গ্রামে হলেও আমার শৈশবের একটা বড় অংশ কেটেছে মামাবাড়ির মিঠেখালিতে। রূপসা-পশুর নদীর হাওয়া, নোনা জলের ঘ্রাণ আর সুন্দরবনের কোলঘেঁষা সেইসব দিনগুলো আমার ভেতরের মানুষটাকে কেমন যেন একলা আর একগুঁয়ে বানিয়ে দিয়েছিল।
খুব ছোটবেলার একটা গল্প বলি। তখন আমি মোটে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ি। স্কুলে এক আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছিলাম। বাবা খুশি হয়ে একটা চমৎকার উপহার এনে দিলেন আমার হাতে। কিন্তু কোনো এক অজানা অভিমানে, জেদের বশে বাবার দেওয়া সেই পুরস্কার আমি ফিরিয়ে দিয়েছিলাম। কেন দিয়েছিলাম? আজ আর মনে নেই। তবে সেই যে বুকের ভেতর একটা ‘না’ বলার চারাগাছ গজিয়ে উঠেছিল, তা আর কোনোদিন উপড়ে ফেলা যায়নি।
২
উচ্চমধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান ছিলাম আমি, অভাব শব্দটার সঙ্গে চেনা-পরিচয় ছিল না। কিন্তু আমার নেশা ছিল অন্য জায়গায়। আমার বয়স তখন মোটে বছর দশেক। পিঠোপিঠি ১০ ভাইবোনের মধ্যে আমি সবার বড়, তাই চণ্ডীপাঠ থেকে জুতো সেলাই—সবকিছুতেই যেন আমার একটা অলিখিত সর্দারি ছিল। মোংলা এলাকায় প্রথম একটা ক্রিকেট টিম বানিয়ে ফেললাম হুট করে। কিন্তু ব্যাটের চেয়েও আমার বেশি টান ছিল বইয়ের পাতার ওপর।
পকেটে তখন বই কেনার মতো টাকা নেই। একদিন একটা কাণ্ড করে বসলাম। দাদির ট্রাঙ্ক থেকে চুপিচুপি কিছু টাকা সরিয়ে নিলাম। তবে সেই টাকা দিয়ে কোনো চকোলেট বা লজেন্স কিনিনি, বন্ধুবান্ধব নিয়ে সিনেমাও দেখতে যাইনি। সটান চলে গেলাম বইয়ের দোকানে। সেই চুরির পয়সায় নিজের ঘরের এক কোণে গড়ে তুললাম ছোট্ট একটা লাইব্রেরি। নিজের খেয়ালে তার নাম রাখলাম ‘বনফুল লাইব্রেরি’। ওই বয়সেই কেমন যেন একটা বোহেমিয়ান আর রোমান্টিক ভূত মাথায় চেপে বসেছিল।
জেদ আর অভিমান; এই দুই নিয়েই আমার বেড়ে ওঠা।
আমি বুঝতে পারছিলাম, আমি আর দশটা সাধারণ ছেলের মতো সংসারী হতে আসিনি।
আমার গন্তব্য অন্য কোথাও।
৩
দিন কাটছিল, কিন্তু সত্তরের দশকের সেই উত্তাল সময়টা আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছিল। স্কুলজীবন শেষ করে যখন ঢাকা ওয়েস্ট এন্ড হাইস্কুল থেকে ১৯৭৩ সালে এসএসসি পাস করলাম, ততদিনে দেশটা স্বাধীন হয়ে গেছে। চারদিকে বারুদের গন্ধ, সদ্য স্বাধীন হওয়া দেশের মানুষের চোখে এক বুক স্বপ্ন, আবার একই সঙ্গে এক চরম হাহাকার।
এই অস্থিরতা, এই ভাঙাগড়ার খেলা আমার ভেতরে এক অদ্ভুত আলোড়ন তৈরি করল। ঢাকা কলেজে যখন এইচএসসিতে ভর্তি হলাম, ততদিনে খাতা কলম আমার চিরসঙ্গী। ১৯৭২ কি ৭৩ সালের কথা, দৈনিক আজাদ পত্রিকায় আমার প্রথম কবিতা ছাপা হলো, ‘আমি ঈশ্বর আমি শয়তান’।
নিজের নামটা যখন ছাপা অক্ষরে দেখলাম, বুকের ভেতর কেমন যেন একটা ওলটপালট হয়ে গেল। আমি বুঝলাম, ভেতরের এই যে তীব্র যন্ত্রণা, চারপাশের এই যে অসাম্য আর ভণ্ডামি, এদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আমার চেনা কোনো অস্ত্রের দরকার নেই। আমার কলমের নিবটাই আমার তলোয়ার।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে যখন অনার্স আর এমএ পড়তে এলাম, ততদিনে আমি পুরোদস্তুর এক শব্দ-শ্রমিক। মাথায় ঝাঁকড়া চুল, গালে দাড়ি, পরনে পাঞ্জাবি—একটা বোহেমিয়ান জীবন আমাকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরেছে। কিন্তু তখনও কি আমি জানতাম, এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বরেই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রেম, সবচেয়ে বড় দ্রোহ আর সবচেয়ে বড় অন্ধকারের গল্পটা লেখা হতে যাচ্ছে?
৪
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তখন চিল-ওড়া বিকেলের মতো শান্ত ছিল না, বরং ছিল এক তপ্ত আগ্নেয়গিরি। টিএসসি, মধুর ক্যান্টিন, হাকিম চত্বর—প্রতিটি কোণায় তখন বিপ্লবের খসড়া তৈরি হচ্ছে। আমার পিঠে তখন চটের ব্যাগ, কাঁধে বোহেমিয়ান ঝোলা, আর ঠোঁটের কোণে জ্বলন্ত সিগারেট। ১৯৭৯ সালে আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থ বের হলো, 'উপদ্রুত উপকূল’। চারদিকের মানুষ হুট করে চিনে ফেলল এক ঝাঁকড়া চুলের যুবককে, যে উচ্চকণ্ঠে বলতে পারে: বাতাসে লাশের গন্ধ পাই, মাটিতে মৃত্যুর নগ্ননৃত্য দেখি।
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট আর জাতীয় কবিতা পরিষদ গঠনের পেছনে রাত-দিন এক করে ছুটছি। আমি নিজেকে কোনো ড্রয়িংরুমের কবি মনে করতাম না, নিজেকে বলতাম শব্দ-শ্রমিক। কিন্তু এই দ্রোহের সমান্তরালে বুকের ভেতর একটা তীব্র, হাহাকার মেশানো রোমান্টিক নদীও বইত। যে নদীটা সমুদ্রের খোঁজে ছটফট করছিল।
ঠিক সেই সময়ে, আশির দশকের একেবারে শুরুতে, আমার জীবনে একটা ঝড় এলো। ঝড়ের নাম তসলিমা নাসরিন।
৫
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের এক জেদি, অভিমানী মেয়ে। সাপ্তাহিক বিচিত্রার একটা চিঠির সূত্র ধরে আমাদের প্রথম আলাপ। তারপর চিঠির পর চিঠি। আমার বাউণ্ডুলেপনা, আমার খ্যাপাটে স্বভাব আর কবিতার ভেতরের যে তীব্র দাহ, তা কেমন করে যেন ওই মেয়েটিকে আচ্ছন্ন করে ফেলল। আমি প্রায়ই ট্রেনে চেপে চলে যেতাম ময়মনসিংহে, ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে বসে আমরা রূপকথা বুনতাম।
কিন্তু সমাজ তো রূপকথা পছন্দ করে না। তসলিমার পরিবার, বিশেষ করে ওর ডাক্তার বাবা, আমাদের এই প্রেমকে কোনোভাবেই মেনে নিতে চাইলেন না। তাদের চোখে আমি ছিলাম এক বেকার, বাউণ্ডুলে, চালচুলোহীন কবি।
১৯৮২ সালের এক কুয়াশাচ্ছন্ন দিন। তসলিমা ঘর ছাড়ল। স্রেফ একটা স্যুটকেস হাতে নিয়ে, চেনা পরিজন, চেনা শহর আর বাবার জেদকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ও চলে এলো আমার কাছে। আমরা গোপনে বিয়ে করলাম। মধ্যবিত্ত সমাজের গালে ওটা ছিল একটা সপাটে চড়। এক চিলতে ঘরে আমাদের সংসার শুরু হলো। সেই দিনগুলো ছিল অদ্ভুত। কখনও ঘরের কোণে সস্তা শুঁটকি রান্নার ঘ্রাণ, কখনও বন্ধুদের আড্ডা, আর মধ্যরাত অব্দি টেবিল ল্যাম্পের আলোয় দুজনের কবিতা লেখার প্রতিযোগিতা।
একটি মেয়ে আমার কবিতার জন্য ঘর ছেড়েছিল।
এর চেয়ে বড় অহংকার, আর এর চেয়ে বড় দায় একটা কবির জন্য আর কী হতে পারে?
৬
কিন্তু মধ্যবিত্তের সেই টানাপোড়েনের সংসার বড় নির্মম জিনিস। কবিতা দিয়ে তো আর বাজারের ফর্দ মেলানো যায় না। আমার ভেতরের বাউণ্ডুলেপনা, শৃঙ্খলহীন জীবন আর রাত জাগার অভ্যাসগুলো আস্তে আস্তে আমাদের দুজনের মাঝখানে একটা অদৃশ্য দেয়াল তুলে দিতে লাগল। আমরা দুজনেই ছিলাম প্রচণ্ড আত্মমর্যাদাশীল এবং ভীষণ রকমের জেদি। ফলে যা হওয়ার তা-ই হলো—ক্ষতবিক্ষত হতে হতে আমাদের ভালোবাসার সুতোটা একদিন ছিঁড়ে গেল। ১৯৮৬ সালে, মাত্র চার বছরের মাথায় আমাদের অফিশিয়াল বিচ্ছেদ হয়ে গেল।
তসলিমা ওর নিজের পথ বেছে নিল, আর আমি ফিরে গেলাম আমার চেনা অন্ধকারে। বিচ্ছেদের পর বুকের ভেতর যে কী পরিমাণ পাথর জমেছিল, তা কাউকে বোঝানোর ছিল না। সেই পাথর ভাঙা কান্নাটাই একদিন খাতার পাতায় উপুড় হয়ে নেমে এলো। আমি লিখলাম:
ভালো আছি ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো...
লোকে বলে ওটা নাকি আমার বিদায়ী বার্তা, কেউ কেউ বলে সুইসাইড নোট। আসলে ওটা ছিল এক বাউলের নিঃস্ব হয়ে যাওয়ার গান। ও চলে যাওয়ার পরও আমার ঘরের বাতাসে ওর ফেলে যাওয়া নিশ্বাসের গন্ধ পেতাম। আর ওদিকে আমার ভেতরে-বাহিরে, অন্তরে অন্তরে তখন অন্য এক বিষাদ তার জাল বুনতে শুরু করেছে। আমি বুঝতে পারছিলাম, আমার চারপাশের আলোটা কেমন যেন একটু একটু করে নিভে আসছে।
৭
বিচ্ছেদের পরের সময়টা দেখতে দেখতে কেটে যাচ্ছিল, নাকি আমিই ক্ষয়ে যাচ্ছিলাম, তা আজ আর আলাদা করা মুশকিল। ঢাকা শহরের ল্যাম্পপোস্টের আলোগুলো কেমন যেন বড্ড বেশি ম্লান ঠেকত আমার কাছে। ১৯৮৬-র পর থেকে আমার ঠিকানা হয়ে উঠল আরও বেশি শৃঙ্খলহীন, আরও বেশি বোহেমিয়ান। গালে দাড়িটা আরও ঘন হলো, পাঞ্জাবির হাতাটা খসে পড়তে চাইল কাঁধ থেকে।
আমি ‘অন্তর বাজাও’ নামে একটা গানের দল গড়লাম। সুরের ভেতর নিজের ভেতরের হাহাকারটাকে ডুবিয়ে দিতে চাইতাম। আমার চারপাশের বন্ধুরা—মিতাব, সায়েম—ওরা আমাকে আগলে রাখার চেষ্টা করত। কিন্তু যার নিজের ভেতরেই একটা ভাঙচুরের শব্দ চলে রাত-দিন, তাকে বাইরে থেকে কজনই বা জোড়াতালি দিতে পারে?
খাতার পাতায় একে একে জন্ম নিল ‘ছোবল’, ‘গল্প’, ‘দিয়েছিলে সকল আকাশ’, কিংবা ‘মৌলিক মুখোশ’। লোকে আমার কবিতা পড়ে হাততালি দিত, মিছিলে আমার লাইন ধরে স্লোগান তুলত। কিন্তু দিনশেষে যখন নীলক্ষেত বা শাহবাগের আড্ডা ভেঙে যেত, আমি যখন আমার একা ঘরে ফিরতাম, তখন টেবিলের ওপর পড়ে থাকত কেবল এক গ্লাস অন্ধকার।
৮
আমার এই খ্যাপাটে জীবনযাপন নিয়ে চারদিকে নানা কথা রটত। কেউ বলত ডিপ্রেশন, কেউ বলত ড্রাগস আর মদের নেশায় চুর হয়ে থাকা এক যুবকের গল্প। লোকে তো শুধু বাইরের খোলসটাই দেখে। ভেতরের যে আলসার, যে তীব্র শারীরিক আর মানসিক যন্ত্রণা আমাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছিল, তার খবর কে রাখত?
আমার ছোট ভাই হিমেল (হিমেল বরকত) অবশ্য জানত, আমার এই অকাল ক্ষয়ের পেছনে লিভার আর গ্যাস্ট্রিক আলসারের এক মারাত্মক কামড় ছিল। কিন্তু আমি নিজেই তো নিজের শরীরের যত্ন নিইনি কোনোদিন। জীবনটাকে আমি মোমবাতির মতো দুই প্রান্ত থেকে জ্বালিয়েছিলাম। আলো হয়তো তীব্র হয়েছিল, কিন্তু ফুরিয়েও এলো বড্ড তাড়াতাড়ি।
মাঝে মাঝে তসলিমার কথা মনে পড়ত। শুনতাম ও-ও লিখছে। ওর নিজের মতো করে ও লড়াই করছে এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বিরুদ্ধে। আমাদের হয়তো একসঙ্গে থাকা হয়নি, কিন্তু আমাদের ভেতরের সেই কবিতার ঋণ, সেই চার বছরের তীব্র অভিমানের স্মৃতি তো আর মুছে যাওয়ার নয়। আমি তো ওকেই লিখেছিলাম, আমার ভিতর বাহিরে অন্তরে অন্তরে আছো তুমি হৃদয় জুড়ে...
যে পায় সে পেয়ে যায়—সকলে পায় না।
আমি হয়তো পেয়েও হারিয়ে ফেলার দলের লোক।
কিংবা হয়তো, আমি স্রেফ এক অভিমানের নাম।
৯
১৯৯১ সালের জুন মাস। ঢাকার আকাশটায় তখন বর্ষার মেঘ জমছে। শরীরটা আর পারছিল না, একদম ভেঙে পড়েছিল। ২১ জুনের সেই অভিশপ্ত সকালে মাত্র ৩৪ বছর বয়সে আমার চারপাশের চেনা পৃথিবীটা চিরকালের মতো স্তব্ধ হয়ে গেল।
আজ এত বছর পর, পিলপিল করে বয়ে যাওয়া সময়ের ওপার থেকে যখন পেছন ফিরে তাকাই, দেখি মোংলার সেই ‘বনফুল লাইব্রেরি’র ছেলেটা আজ আর নেই। কিন্তু আমার ‘বাতাসে লাশের গন্ধ’ আজও এ দেশের তরুণদের অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে শেখায়। প্রেমিক-প্রেমিকারা আজও বিচ্ছেদের নীল খামে লেখে, ভালো আছি ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো। ২০২৪ সালে এসে রাষ্ট্র আমাকে মরনোত্তর একুশে পদক দিয়ে সম্মানিত করেছে, মোংলায় আমাকে ভালোবেসে রুদ্র মেলা হয়।
আমার আয়ু হয়তো ছোট ছিল, কিন্তু আমার যাপনটা ছোট ছিল না। আমি কোনো ড্রয়িংরুমের সাজানো কবি হয়ে বাঁচিনি, বাঁচতে চাইওনি। আমি বাঁচতে চেয়েছিলাম মানুষের মিছিলে, মানুষের দ্রোহে আর ভালোবাসার তীব্রতম অনুভুতিতে। আকাশের ঠিকানায় কোনো চিঠি পৌঁছায় কি না আমি জানি না, তবে এই বাংলার আকাশে-বাতাসে আমার কবিতাগুলো চিরকাল এক একটা জ্যান্ত চিল হয়ে উড়ে বেড়াবে—এই বিশ্বাসটুকু নিয়েই আমি প্রস্থান করেছিলাম।



পাঠকের মন্তব্য