এ বি জুবায়ের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের এক আলোচিত চরিত্র। কিছুদিন পরপরই তাকে দেখা যায় পত্রিকার শিরোনামে। কখনও ছাত্রদলের হাতে নিপীড়নের শিকার হিসেবে, কখনও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের ঘোরাঘুরি নিয়ে মোরাল পুলিশিং, কখনও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দিনের পথরোধ করে আলোচিত-সমালোচিত হয়েছেন।
নতুন একটি ঘটনায় আবার শিরোনাম হয়েছেন এ বি জুবায়ের। গত ২৭ জুলাই, সোমবার রাত সাড়ে এগারোটায় একটা ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। তাতে দেখা যায়, হিজড়া সম্প্রদায়ের কিছু মানুষ জুবায়েরের বিরুদ্ধে অশালীন ও গুরুতর অনৈতিক কাজের অভিযোগ তুলছেন। তবে এ বি জুবায়ের এই অভিযোগগুলো পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং একে তার চরিত্রহননের অপচেষ্টা বলে দাবি করেছেন। তার দেওয়া ব্যাখ্যা অনুযায়ী, তার বন্ধু ও সাংবাদিক সিফাতুল্লাহ তাসনিম ওই এলাকায় ‘হিজড়া ও ট্রান্সজেন্ডার’ মানুষদের ‘পতিতাবৃত্তি’ নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ (ডেটা কালেকশন) করতে গিয়েছিলেন। জুবায়ের তার সহযোগী হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন এবং যাওয়ার আগেই বিষয়টি শাহবাগ থানা পুলিশকে অবহিত করেছিলেন। সাংবাদিক বন্ধু যখন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন, তখন তারা হঠাৎ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন, ক্যামেরা অন করে বিশৃঙ্খলা তৈরি করেন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ তোলেন। এই ঘটনার কোনো আনুষ্ঠানিক প্রমাণ এখনো মেলেনি, তবে জুবায়ের এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
অনলাইন ও অফলাইনে এ ঘটনা নিয়ে নানা আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে। আসলেই ঘটনাটা ঘটেছে কি না, এই আলোচনার চেয়ে বরং আলোচনা হচ্ছে—অসংখ্য মবের হোতা জুবায়ের আজ নিজেই মবের শিকার। অনেকেই এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন, অনেকেই শ্রমের মূল্য না চুকানোর জন্য আফসোস করেছেন। কেউ কেউ আবার হাদিসও শেয়ার করেছেন।
এই ঘটনায় এ বি জুবায়েরের সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট
তবে একটা বিষয় পরিষ্কার। সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউই মব পছন্দ করছেন না। সেটা মনের কথা নাকি কথার কথা, সেটা অন্য আলাপ।



পাঠকের মন্তব্য