পিশাচ হতে আর কী লাগে পাঞ্জেরী!

৫৫ পঠিত ... ১২ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে

আমরা একটা মিথ অবচেতনে মানি। উচ্চশিক্ষিত, এলিট শ্রেণী, বড় পদের বড় বড় মানুষ ডান কে বাম আর বাম কে ডান বললেও আমরা এর পেছনে লজিক খুঁজি। বড় মানুষ, বিরাট সম্পদ; ভুল কী আর করে?

যদি আপনি বিশ্বাস করে সন্তানের ভরন-পোষণ, পড়ালেখার নিশ্চয়তা, সুদূর ভবিষ্যতে বিয়ের মত ব্যাপারেও আশ্বাস পেয়ে নিজের ছোট্ট অবুঝ মেয়েটিকে তুলে দেন এমন কারও হাতে, যার নির্যাতনে শিশুটি কথা বলার স্বাভাবিক শক্তিটুকুও হারিয়ে ফেলে, কেমন লাগত আপনার? 

আমরা জাতিগতভাবে প্রত্যেকে আলাদা আলাদা, নানানরকম স্টাইলে হতাশ। হতাশা একটা চেইন প্রক্রিয়া। কিছু মানুষ তার ব্যক্তিগত যাবতীয় ফ্রাস্ট্রেশন মূল্যবোধের মাথা খেয়ে ঠিক পিশাচের মতোই অন্যের ওপর প্রকাশ করে। আর্থিক হ্যাডম, সুপিরিয়র ভাবা, নিজেকে কিংবা নিজেদের ছাড়া অন্যকে মানুষ না করা… এসব মানুষের মধ্যে থাকতেই পারে। ভালো-মন্দ সমাজের‌ই অংশ। কিন্তু সেজন্য অন্যকে নির্যাতন করার অধিকার কোনভাবেই কারোর নেই। সভ্যতার প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য পশু সমাজে শুধু এসবের বালাই নেই।

পশুরা মুখোশ পড়ে না।

ওরা ভান করে না, 

মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয় না, 

সমাজে সভ্য সেজে থাকে না। যে অসভ্য সে অসভ্য‌ই।

উত্তরায় ঘটে যাওয়া ১১ বছরের নিষ্পাপ শিশুর উপর দিনের পর দিন ঘটে যাওয়া নির্যাতন আমরা অনুভব করতে পারব না, তবে কল্পনা করুন এই সন্তানটি যদি আপনার হতো? কেমন লাগত নিজের সন্তানদের সারা গায়ে নৃশংসতার এত চিত্র দেখলে? চেহারা বিকৃত, বিবর্ন হয়ে ওঠার এই রূপ দেখলে পারতেন সহ্য করতে?

আমাদের দেশে এই ‘খুন্তি’ গৃহকর্মী নির্যাতনের হাতিয়ার সেই আদিকাল থেকে। এটা দিয়ে অত্যাচার করার যে জানোয়ার প্রবৃত্তি মানুষের আছে সেটা তো আমি, আপনি থামাতে পারব না, তবে আপনার খুব বেশি ছ্যাঁকা দিয়ে ইচ্ছে হলে আগে নিজের চিবুকে হাল্কা স্পর্শ করাবেন।





৫৫ পঠিত ... ১২ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে

আরও eআরকি

পাঠকের মন্তব্য

আইডিয়া

কৌতুক

রম্য

সঙবাদ

স্যাটায়ার


Top