লেখা: সুজয় সাম্য
মেয়েগুলোকে পরিবার থেকে ধরে এনে বন্দী করা হয়েছে।
কোনো কাপড়ও পরতে দেওয়া হতো না। কাপড় সিলিং এ ঝুলিয়ে যদি সুইসাইড করে, তাহলে তো রেইপ করার জন্য একটা মেয়ে কমে যাবে।
একজনের যোনীপথ কয়েকদিন আগেই বন্দুক ঢুকিয়ে দিয়ে গুলি করেছে। এইটা নাকি অনেক আনন্দের।
স্তনের বোটা কামড়ে ছিঁড়ে ফেলেছে আরেক মেয়ের।
একটা মেয়েকে বারবার বারবার ধর্ষণ করার পর, জ্ঞান হারিয়ে ফেলার পর আবার ধর্ষণ করেছে। অজ্ঞান দেহও কোনো করুনা আনতে পারে নাই।
একটা মেয়ের নগ্নদেহ শুধু চুলের সাথে দড়ি বেঁধে ঝুলিয়ে সারা দেহে কামড়ে কামড়ে ক্ষতবিক্ষত করে দিয়েছে। সেভাবেই ঝুলিয়ে রেখেছে সারারাত।
মেয়েগুলো যদি চাপা গলায় কান্না করত, সেইটা নিয়েও হাসাহাসি হতো। দেয়ালে দেয়ালে মেয়েদের হাহাকার শোনার কেউ ছিল না।
কয়েকটা মেয়েকে যোনী থেকে বুক পর্যন্ত বেয়োনেট দিয়ে চিরে ফেলা হয়েছে পেটে বাচ্চাসহ। আবার কিছু নতুন কিশোরী মাকে ধর্ষণের আগে তাদের নবজাত শিশু বাচ্চাকে শূন্যে ছুড়ে বেয়োনেটে গেঁথে ফেলা হয়েছে।
না, বর্ণানাটা আমেরিকার এপিস্টাইনের নয়, ১৯৭১ সালের পাকিস্তানী বাহিনীর আর তাদের দোসর রাজাকার আলবদর আল-শামসরা বাঙালি মেয়েদের সাথে যা করেছে তারই একটা ছোট্ট বর্ণনা এটা।



পাঠকের মন্তব্য