বিজ্ঞানপাড়ায় যুগ যুগ ধরে একটা মারাত্মক ফেক হাইপ চালু আছে- স্যার আইজ্যাক নিউটনের মাথায় একটা পুচকে আপেল পড়েছিল, আর অমনি গ্র্যাভিটি থিওরি হিট করে গেল!
লাইক, সিরিয়াসলি?
মাত্র ২০০ গ্রামের একটা তুলতুলে মিড-লেভেলের ফল ডাল থেকে টুপ করে পড়ল, আর নিউটন সাহেব ওটা নিয়েই মেইন ক্যারেক্টার এনার্জি দেখানো শুরু করলেন? পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে এর চেয়ে বড় বায়াসড স্ক্যাম আর হতেই পারে না!
আপেলের ওই আলতো টাচে যদি সায়েন্স আবিষ্কৃত হয়, তবে আমি নারিকেল কী দোষ করলাম? লেটস ডু সাম রিয়েল সায়েন্স ম্যাথ:
আপেলের ওয়েট টেনে-হিচড়ে জাস্ট ২০০ গ্রাম হবে! ওটা মাথায় পড়া আর উপর থেকে একটা টিকটিকির হাগু পড়া- দুটোর ভাইব প্রায় সেম! কিন্তু আমার? পিওর আড়াই কেজি ওজনের আস্ত জটাধারী বোমা আমরা!
আপেল ঝুলে ১০-১২ ফুট উঁচু গাছে, আ ‘বিগ এল’, ম্যান! আর নারিকেল? রয়াল স্টাইলে ১০০ ফুট উঁচুতে বসে ওপর থেকে ভিউ উপভোগ করে। এই বিশাল হাইট থেকে যখন আড়াই কেজির গোলা খসে পড়ে, তখন তার জমে থাকা স্থিতি শক্তি এক সেকেন্ডে ১০০% র্যাভিশিং গতিশক্তিতে কনভার্ট হয়ে যায়, তাই না?
এদিকে, পার আওয়ার ৮০ কিমি রকেট-স্পিডে যখন নারিকেল এসে কারোর স্কাল্পে সোজা ল্যান্ড করে, তখন সংবেগ পরিবর্তনের যে ট্রমাটিক ধাক্কা তৈরি হয়- তাতে ব্রো, ভিকটিমের মাথায় কেবল মহাকর্ষ নয়, চৌদ্দ পুরুষের কেমিস্ট্রি আর বায়োলজিও এক সেকেন্ডে রিসেট হয়ে যায়!
অ্যাজ আ নারিকেল, ডু আই নিড টু এক্সপ্লেইন মোর?
নারিকেল হাজার বছর ধরে এইসব সেপিয়েন্সদের মাথায় ডিরেক্ট হিট করে ফিজিক্স শেখাল, কিন্তু সায়েন্স হিস্ট্রি আমাকে ইগনোর করেই গেল! আপেল চলে গেল ফিজিক্স বইয়ের ফার্স্ট পেজে (পিওর রিজ ম্যান!), আর নারিকেলের কপালে জুটল মোড়ের মাথার সেই ক্রিন্জ সাইনবোর্ড,
সাবধান! নারিকেল পড়ে গাড়ির ছাদ ডেন্ট হতে পারে!
লাইক, নারিকেলের মতো এত বড় সায়েন্টিফিক অবদানের ভ্যালু কেবল একটা গাড়ির ছাদ তোবড়ানোর মধ্যে আটকে গেল? দ্যাটস টোটালি আনকল্ড ফর! হাউ কাম?
মি. নিউটন সেদিন একদম ভুল ফ্রেম চুজ করেছিলেন। ইট নিডস কারেকশন, ম্যান! আপেল ছিল স্রেফ এক চিমটি ট্রেইলার, আর আমরা নারিকেলরা হলাম গ্র্যাভিটির আসল ব্লকবাস্টার হিট সিনেমা! সো নট ফেয়ার!
সো গাইজ, নেক্সট টাইমে নারিকেল গাছের নিচে দাঁড়ালে ফিজিক্স বইয়ের কথা ভেবে লাভ নেই, ডিরেক্ট হেলমেটের চিন্তা করাটাই হবে আসল 200 IQ মুভ!



পাঠকের মন্তব্য