সম্প্রতি বাংলাদেশের একজন আইনজীবি রোম্যান্টিক নাটক সিনেমা বানানো বন্ধ করার জন্য আইনি নোটিশ দিয়েছেন। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন ছাত্র-ছাত্রীদের ক্যারিয়ারে সমস্যা হয়। সবাই এটি নিয়ে কঠিন সমালোচনা করলেও আমাদের eআরকির গবেষণা টিম খুঁজে বের করেছে ঘটনার পেছনের ঘটনা।
এই ঘটনার আসল কারন জানতে একটি ফেক ফোনকলে এই আইনজীবির সাথে কথা হলে তিনি বেশ গম্ভীর স্বরে জানান, দেখেন আমি নিজেও রোম্যান্টিক সিনেমার ভক্ত ছিলাম। বাংলা সিনেমায় শাবানা-আলমগীরের বেদনাবিধুর সব দৃশ্য দেখে কত শত গামছা ভিজিয়ে কেঁদেছি, তার ইয়ত্তা নেই। আমি সবসময় গান গাইতাম যে প্রেম স্বর্গ থেকে এসে জীবনে অমর রয়ে হয়…
আইনজীবী মহোদয়ের ভাষ্যমতে, সিনেমা দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি নাকি বহু নারীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে পর্দার নায়কেরা শেষ দৃশ্যে মিল পেলেও তার ভাগ্যে জুটত কেবল কঠোর রিজেকশন!
হতাশার চরম পর্যায়ে গিয়ে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে তিনি বলেন, মাঝে মাঝেই মনটা বাপ্পারাজের মতো কেঁদে উঠত। মনে হতো, এই দুনিয়ায় সত্যি বলতে আর কিছুই নেই, আমি আসলে কিছুই বিশ্বাস করি না! তবুও সব জমানো আবেগ এক করে শেষ চেষ্টা চালিয়েছিলাম। কিছুদিন আগে ঠিক শাবানার মতো দেখতে একজনকে প্রেম নিবেদন করি। ভেবেছিলাম এবার অন্তত বিচ্ছেদ কেটে মিলন হবে। কিন্তু ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস! সে নারী বেদের মেয়ে জোসনার মতো আসি আসি বলেও আমাকে শেষমেশ ফাঁকি দিইয়েছে। সেদিন দেখি সে ইন্সটাতে আরেক ছেলের সাথে নর্থএন্ডে কফি খাওয়ার ছবি দিয়েছে…
পর্দার রোম্যান্স আর বাস্তবের নির্মম ছ্যাঁকার বৈষম্য সহ্য করতে না পেরেই নাকি তিনি এই ঐতিহাসিক নোটিশ পাঠিয়েছেন। আইনজীবী সাহেবের সাফ কথা, আমি যে তীব্র ছ্যাঁকা ও হৃদয়ভাঙ্গার কষ্ট পেয়েছি, দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন সেই ফালতু ট্র্যাপে পড়ে ক্যারিয়ার ধ্বংস না করে, সেজন্যই এই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা! প্রেম-ভালোবাসা নামক এই বৈশ্বিক ষড়যন্ত্র অবিলম্বে আইনি প্রক্রিয়ায় বন্ধ হওয়া দরকার!


