ঋণের দায় ভাগাভাগি করার জন্য এস‌ আলমকে পাশে চায় ট্রাম্প

২২ পঠিত ... ১২ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মোট সরকারি ঋণ প্রথমবারের মতো ৪০ ট্রিলিয়ন (৪০ লাখ কোটি) ডলার ছাড়িয়েছে( সূত্র: প্রথম আলো)। বাংলাদেশী টাকায় হিসাব করলে পরিসংখ্যানটা ৪,৮৮৯,৬০০,০০০,০০০,০০০।

সহজ করে বললে, প্রায় ৪.৮৯ কোয়াড্রিলিয়ন টাকা!

এই খবর সামনে আসার পর থেকেই ভালো নেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যেহেতু সরকারি ঋণ বৃদ্ধির একটা বড় অংশ ঘটেছে ট্রাম্পের আমলে, তাই একটু টেনশনেই আছেন তিনি।

নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নট অনলি ট্রুথ বাট অলসো আনসোশ্যাল অ্যাকাউন্টে এ নিয়ে সম্প্রতি তিনি মুখ খুললেন, টাচ করেছেন কিপ্যাড!

এআই দিয়ে এডিট করে নিজের কান্নারত ছবি আপলোড করে ট্রাম্প লিখেছেন, ভাল্লাগে না রে নাটালি! এর কিছুক্ষণ পর‌ই আরো একটি পোস্টে তিনি লেখেন, এসো এসো এস আলম আমার ঘরে এসো, আমার ঘরে!

এর ব্যাখ্যা করতে ভুয়া লাইভে এসে অসত্য ও বানোয়াট বার্তায় তিনি তুলে ধরেন এই পোস্টের শানে নুযুল। ইআরকির পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে দেয়া হল সেই বক্তব্য...

গত কয়েকদিন ধ‌ইরা ঘুমাইতে পারি না। মনডার মধ্যে হাঁসফাঁস করে, গলা শুকাইয়া আসে! জীবনে লোন প্রচুর নিছি কিন্তু সেটা নিয়া ভুলে গেছি। কেউ ফেরত চাইতে আসলে তাকে সহ ভুলে যাবার অভিনয় করছি। কিন্তু সাংবাদিকরা হঠাৎ এই জিনিস সবার সামনে নিয়া আসছে। এত ডলার লোন দেখে এখন সহ্য করতে পারতেছি না। অভ্যাস নাই তো! এমনিতেই ইদানিং যেখানে-সেখানে ঝিমাইয়া পড়ি। দেখতে ইয়াং হলেও আমি আর কত যুবক থাকব! আগের মত স্ট্রেংথ পাই না। বড় বড় লোন নিয়া কীভাবে আনন্দে থাকা যায় সেটা আমি শিখতে চাই। এজন্য এস‌ আলমকে আমার পাশে দরকার। আমার ঋণের দায় ভাগাভাগি করে তারা হাতে-কলমে শিখাবে বড় লোন নিয়া হাউ টু চিল! এভাবে টেনশনে থাকলে আমার চোখের নিচে ডার্ক সার্কেল বেড়ে যাবে!

এই প্রস্তাবে এস‌ আলম রাজি কি না… এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, সেটা আমিও জানি না। শুনেছি তারা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে! এখন আপনারাই আমার ভরসা। এই তথ্য দ্রুত তাদের কাছে ছড়িয়ে দিন। আর লিখবেন; আমার ইমো নম্বর তাদের জন্য চব্বিশ ঘণ্টা খোলা, কল মি!

২২ পঠিত ... ১২ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে

Top