হোয়াট অ্যা বিশ্বকাপ অভিষেক! স্বার্থক নাম তোমার, জয়িতা!!

১০ পঠিত ... ৪ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে

সকালে শটপুটে রেকর্ড গড়ে জিতেন স্বর্ণপদক, বিকেলে জেতেন হকিতে এবং সন্ধ্যায় স্বর্ণপদক পান কাবাডিতে। এভাবে ২০২৩ বাংলাদেশ ইয়ুথ গেমসে একই দিনে তিন-তিনটি স্বর্ণপদক নিজের করে নেন তিনি।

হকি ও কাবাডিতে জাতীয় দলের ক্যাম্পে ছিলেন। কিন্তু খেলাগুলোতে সংঘর্ষের ঝুঁকি থাকায় মনোযোগ সরিয়ে আনেন ক্রিকেটে। তাতেই করেন বাজিমাত। ২০২৫ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে বিশ্বকাপ খেলার পর ২০২৬ সালে ডাক পেয়ে যান জাতীয় দলে।

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে নিজের প্রথম অ্যাসাইনমেন্টেই সামর্থ্যের স্বাক্ষর রাখেন। রান তোলেন ১০৭.৮৯ স্ট্রাইক রেটে, একইসঙ্গে প্রথম অর্ধশতকটাও হাঁকিয়ে ফেলেন। তারই ধারাবাহিকতায় একটি সিরিজ খেলার পর জায়গা পেয়ে যান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে।

ক্যারিয়ারের প্রথম সিনিয়র বিশ্বকাপ, প্রথম ম্যাচ; তাও ইংল্যান্ডের মতো একদম অচেনা কন্ডিশনে, যেখানে কখনোই খেলা হয়নি। এমনকি তাঁর দলও কখনো ইংল্যান্ডে এসে খেলেনি।

দলের পারফরম্যান্স স্মরণকালের অন্যতম বাজে। প্রথম ম্যাচটাই আবার এমন একটি ম্যাচ, যে ম্যাচ জেতার লক্ষ্য নিয়েই দল বিশ্বকাপে এসেছে। প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস, যাদের কাছে কিছুদিন আগে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টিতে হারতে হয়েছে। আর লক্ষ্যমাত্রা ১৪০, যা পেরোতে হলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের সর্বোচ্চ রান তাড়া করার রেকর্ড ভাঙতে হবে।

সব মিলিয়ে চাপটা পাহাড়সম। কিন্তু সে চাপ তাঁকে টলানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না।

বিশ্বকাপ অভিষেকেই পেয়ে গেলেন অর্ধশতক। ওপেনিংয়ে নেমে ৭ চার ও ২ ছয়ে ১৫১.৫১ স্ট্রাইক রেটে খেললেন ৫০ রানের এক ঝোড়ো ইনিংস। সেই সঙ্গে গড়ে দিলেন জয়ের ভিত, যে ভিতের ওপর ভর করে দুঃসময়ে একটুখানি স্বস্তির উপলক্ষ পেল দল। ম্যাচসেরার পুরস্কারটাও গেল তাঁরই দখলে।

নামটা জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। ডাকনাম জয়িতা।

সার্থক নাম তোমার, জয়িতা।

১০ পঠিত ... ৪ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে

আরও eআরকি

পাঠকের মন্তব্য

আইডিয়া

কৌতুক

রম্য

সঙবাদ

স্যাটায়ার


Top