সোনার তরী… ঐত্তেরী!
মাহাবুবা শারমিন কলি
(রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতি ক্ষমাপ্রার্থনাপূর্বক)
গগনে গরজে মেঘ, ভারী বরষা।
জ্যামে একা বসে আছি, নাহি ভরসা।
রাশি রাশি সরু-সোজা
গাড়ি ভরা হোলো সারা,
ভরা রোডে বাজে গান
শিল্পী: পারশা।
হাঁটিতে হাঁটিতে চলে এলাম উত্তরা।
একখানি ছোটো মাঠ, নহি একেলা,
চারিদিকে বাঁকা চোখ করিছে খেলা।
বিলবোর্ডে দেখি লেখা
‘আমার সোনার বাংলা!’
ভয় করে, ফিলিং স্যাড
গোধূলিবেলা–
এপারেতে সরু রোড, আমি একেলা।
গান গেয়ে, লাইভ করে কে আসে পারে,
দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে।
ভাব ধরে চালে যায়
কোনো দিকে নাহি চায়,
রিয়্যাকশন, শেয়ার নিরুপায়
ভাঙে টিকটকে–
দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে।
ওগো, তুমি কোথা থাকো, বিদ্যুৎ কি থাকে?
বারেকের ওয়াইফাই ওগো চালাও কী করে?
যেয়ো যেথা যেতে চাও,
একটুখানি হটস্পট দাও,
শুধু তুমিই দিতে পারো
ক্ষণিক হেসে
আমার এখানে বিদ্যুৎ গেছে যে ফেঁসে।
আরো চাই আরো দাও পিসি-'পরে
আর আছে? আর নাই, লোড দিয়েছি ভরে।
এতকাল গুজব ভীড়ে
যাহা লয়ে ছিনু ভুলে
সকলি দিলাম ডিলিট
থরে বিথরে…
এখন আমি গুজব বলো ছড়াবো কী করে!
ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই; অল্প যে গতি
আমারি ছোট্ট RAM স্পেস গিয়াছে ভরি।
শ্রাবণগগন ঘিরে
কত গুজব মাথায় ঘোরে
শূন্য ডাটার নিচে
রহিনু পড়ি…
ওয়াইফাই নিয়ে গেল ঐত্তেরী!



পাঠকের মন্তব্য