অমিল আর মিলের আজব কারখানা

৪৩ পঠিত ... ১৮:৩৮, মার্চ ৩০, ২০২৬

 

তুমি হইলা নীল সাগরের পাগল, অথচ তার হইলো নীল রঙে চুলকানি।
তুমি যখন আর্টসেল-শিরোনামহীনে মাথা ঝাকাও—

সে তখন জেমস পপিটের ক্যাসেট চালায়, নয়তো মায়াবী কোনো ভজন শোনে।
তুমি চাও বিশাল পানির রাশি, আর তার পছন্দ খাড়া পাহাড়ের পাথর।
কী অদ্ভুত, তাই না? একজনের আকাশ যেখানে শুরু, অন্যজনের দম বন্ধ হয় সেখানে।

অথচ আমাগো দিকে তাকাও।
ধানমন্ডির যে রাস্তা দিয়া তুমি হাঁটো, সেই রাস্তার ধুলার লগে আমার জুতার তলার পুরনো পিরিতি।
খুঁত আর আড়ংয়ের যে কাপড় তুমি আঙুল দিয়া ছুঁইয়া যাও, আমার চোখও সেইখানে গিয়া আটকায়।
তোমার মাংসের ঝাল আর কফির চিনি—উঁহু, ওটা রেসিপি না, ওটা আমার মুখস্থ কোনো নামতা।
কিন্তু দেখো, সে জানেই না তোমার আলমারিতে কতদিন ধইরা প্রিয় শাড়িটা মন খারাপ কইরা পইড়া আছে।

তাইলে মনের মিল দিয়া কী হয়?
দুনিয়ায় এত মিল থাকার পরেও আমরা দুইটা আলাদা রেললাইন—
পাশাপাশি হাঁটি, কিন্তু কোনোদিন এক হইতে পারি না।
আর যার লগে তোমার কিচ্ছু মেলে না, তার গলায় তুমি ঝুইলা আছো।
আসলে মনের মিল দিয়া প্রেমিক হওয়া যায় না রে পাগলী,
প্রেমিক হওয়া লাগে কপাল দিয়া।

৪৩ পঠিত ... ১৮:৩৮, মার্চ ৩০, ২০২৬

পাঠকের মন্তব্য

আইডিয়া

গল্প

রম্য

সঙবাদ


Top