দ্য ফল্ট ইন আওয়ার রেটিংস

১২৩৫ পঠিত ... ১৪:৫৭, জুলাই ২৯, ২০২০

 

ইন্টারনেটের মুভিপাড়ায় নতুন ক্যাচাল 

কয়েকদিন ধরে মুভিপাড়ায় একটা ক্যাচাল চলতেছে। ক্যাচালের বিষয়বস্তু মুভি রেটিং। 

আইএমডিবির (ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজ)  রিভিউ অনুযায়ী, সর্বকালের সেরা মুভির তালিকায় অনেক দিন ধইরা এক নাম্বারে ছিলো 'দ্য শশাঙ্ক রিডেম্পশন'।

২৪ জুলাই রিলিজ হয় হলিউড মুভি ফল্ট ইন আওয়ার স্টারস-এর বলিউড রিমেক (বইটা অবলম্বনে বানানো, সেটাও অনেকে বলতেছে যদিও) 'দিল বেচারা'। হলিউডের মুভিটা নির্মিত হইছিলো আম্রিকান ইয়াং-এডাল্ট লেখক জন গ্রিনের একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে। 

'দিল বেচারা' এবার 'দ্য শশাঙ্ক রিডেম্পশন'রে পেছনে ফালায়ে এক নাম্বারে উঠে গেছে। 

সাম্প্রতিক ক্যাচাল মূলত আইএমডিবির সর্বকালের সর্বোচ্চ রেটিং পাওয়া মুভির হিসাবে 'দিল বেচারা'র এক নাম্বার হওয়া নিয়া। অনেকে বলতেছে অনেক ফেইক রিভিউও কাজ করছে আর বটও ইউজ করা হইছে। অনেকে মনে করেন না, এইটা দর্শকদের মুভিটা পছন্দ করারই প্রতিফলন। কেউ কেউ বলতেছেন মুভি রেটিং জিনিসটাই বোগাস।

শুরুতে একটা স্পয়লার দিয়া নিই। 

এই লেখা 'দিল বেচারা' নিয়া না। আমি দ্য ফল্ট ইন আওয়ার স্টার্স যদিও দেখছি, দিল বেচারা দেখি নাই। ফলে দিল বেচারা ভালো কি মন্দ মুভি, মুভিটা এক আইএমডিবিতে টপ রেটেড মুভি হিসাবে এক নাম্বারে যাওয়ার আদৌ যোগ্য কিনা এইসব আর্গুমেন্টে আমি যাবোই না। মুভিটা দেখা থাকলেও যাইতাম না। আর্টের কোয়ালিটির যে কোয়ান্টিফায়েড জাজমেন্ট হয় না- এই কান্ডজ্ঞানটুকু আমার আছে।  

এই লেখা মুভি রেটিংয়ের ওভারঅল প্রক্রিয়া নিয়া। মূলত মুভি-রেটিং ওয়েবসাইটগুলা নিয়া আলাপ। সেই আলাপে ঢোকার আগে  দিল বেচারা নিয়া দুইটা খুচরা কমেন্ট করে যাই। 

 

সিনেমা রিলিজের আগে কোনো পপুলার অভিনেতা মারা গেলে মুভি নিশ্চিত সুপারহিট 

আইএমডিবিতে দিল বেচারার টপ রেটেড হওয়ায় সদ্যপ্রয়াত বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের অভিনয় করা অবশ্যই একটা বড় প্রভাবক। হিথ লেজারের মৃত্যু কি ক্রিস্টোফার নোলানের জোকাররে এক ধরনের আপটিক দিয়া যায় নাই? নায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর পর মুভির নাম পর্যন্ত বদলায়ে গেছিলো (সত্যের মৃত্যু নেই), আর ওইসময়ের মুভিগোয়ারদের কেউ মুভিটা দেখে নাই এমন কাউরে খুজে পাওয়াই মুশকিল।  

কমেডিয়ান লুইস সি কে ডার্ক জোকের জন্যে বিখ্যাত। লুইস একবার বলছিলেন, 'আমি যদি মুভি বানাই, সাইড এক্টর হিসাবে কোনো সিনিয়র মুমূর্ষু অভিনেতা রাখবো। আর ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করবো মুভি রিলিজ হওয়ার আগে যেন সে ধরাধাম ত্যাগ করে। ঈশ্বর আমার প্রার্থনা শুনলেই মুভি নিশ্চিত হিট।' 

ব্যাপারটা নিষ্ঠুর। কিন্তু সত্যি হইতেছে এই ধরণের ফ্যাক্টর মুভির এপ্রিসিয়েশনে বড় ভূমিকা রাখে৷ দর্শকরে সদ্যপ্রয়াত শিল্পীর প্রতি ভালোবাসা বা শ্রদ্ধাবশত মুভিটা দেখা, কথা বলে। এমনকি নিতান্ত অখ্যাত আমি যদি একটা বই শেষ করে প্রকাশের আগে মারা যাই। বইটা বেস্টসেলার হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। সুশান্ত সিং রাজপুতের অকালমৃত্যু যেমন দিল বেচারারে সুপারহিট বানায়ে সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিছে।  

 

শতাব্দীর বা সর্বকালের সেরা মুভি যদি দেখতে চান 

মনে করেন, সর্বকালের সেরা ২টা দেখতে চান। মুভি দেখার আগে আপনি অন্যদের মতামত জানতে চান। সমস্যা হইতেছে, এই মতামত এতই বিচিত্র আর মাঝেমধ্যে পরস্পর বিরোধী যে আপনি তুলনা করতে গেলে কনফিউশনে পড়ে যাবেন।

মনে করা যাক, চারটা টপ মুভি রিভিউ এগ্রেগেটর সাইটে এই মুহূর্তে আপনি চলে গেলেন। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ গেলে যা দেখবেন: 

আইএমডিবি: 

১. দিল বেচারা (২০২০)
২. দ্য শশাঙ্ক রিডেম্পশন (১৯৯৪) 

রটেন টোম্যাটোজ:

১.ব্ল্যাক প্যান্থার (২০১৮)
২. এ্যাভেঞ্জারস: এন্ডগেইম (২০১৯) 

মেটাক্রিটিক:

১.সিটিজেন কেইন (১৯৪১)
২. দ্য গডফাদার (১৯৭২) 

লেটারবক্স:

১. প্যারাসাইট (২০১৯)
২. গডফাদার (১৯৭২) 

এর মধ্যে আপনি কোন মতটারে বেশি গুরুত্ব দেবেন? অথবা বড়সড় এই ফিল্ম-র‍্যাংকিং সাইটগুলা বেস্ট ফিল্মের এইরকম ভিন্ন ভিন্ন অপশন নিয়া হাজির হয় কেন? দিল বেচারা কী সর্বকালের সেরা মুভি নাকি ব্ল্যাক প্যান্থার? মেটাক্রিটিক কেন মনে করে সিটিজেন কেইন সর্বকালের সেরা সিনেমা? 

এই সমস্যার মূল পুরাপুরি ওয়েবসাইটগুলারেও দেয়া যায় না। 

তাহলে সমস্যা কোথায়? আসেন খুঁজি। 

 

ফল্ট ইন আওয়ার রেটিংস 

এইসবগুলা সাইট মূলত কী করে? অবশ্যই র‍্যাংকিং করে আপনি বলবেন। তা করে। কিন্তু মূলত সবগুলা সাইট কমন যে কাজটা করে তা হইলো, কোয়ালিটির কোয়ান্টিফায়েড রূপ হাজির করে। অর্থাৎ দর্শকদের ভালো-মন্দ, অসাধারণ, ফালতু, মোটামুটি এইরকম গুণবাচক পরিমাপরে সংখ্যারূপে হাজির করে। 

সাবজেক্টিভ কোয়ালিটি জাজমেন্টরে কোয়ান্টিফায়েড করলে গোলযোগ অবধারিত। আরও নির্দিষ্ট কইরা বললে, সমস্যাটা স্পষ্ট করা যায়। ধরেন, আপনারে প্রশ্ন করলাম, হুমায়ূন আহমেদ আর আখতারুজ্জামান ইলিয়াস দুইজনরে দশের মধ্যে কারে কত নাম্বার দিবেন? আপনি হালকা অস্বস্তিতে পড়বেন। কারণ ভ্যালু জাজমেন্ট অবজেক্টিভ বা নৈর্ব্যক্তিক হয় না। ব্যক্তিভেদে বদলায়।

কোয়ালিটির এই কোয়ান্টিফিকেশন বা ভ্যালু জাজমেন্টের সংখ্যায় রূপান্তর অনেক সময় এমনকি ডিস্টোপিয়ার রূপ নিতে পারে। ব্ল্যাক মিররস-এর 'নোজডিভ'  নামে একটা স্টান্ডএলোন এপিসোডে এমন ডিস্টোপিয়ার সুন্দর চিত্রায়ন আছে। পাঠক চাইলে দেখে নিতে পারেন। 

যাহোক, মুভি র‍্যাংকিং বা মুভিরেটিং সাইটগুলা এইরকম ভিন্ন ভিন্ন মতামত কেন হাজির করে আমরা খতিয়ে দেখতে পারি। 

অধিকাংশ লোকের জানার কথা যে আইএমডিবিতে কোনো মুভির ভালো স্কোর মুভিটার ভালো হওয়ার ব্যাপারে গ্যারান্টি দেয় না। আইএমডিবি নিয়া বিশদে আলাপ না কইরা তাই বাকি সাইটগুলার রেটিং প্রক্রিয়া কিভাবে কাজ করে দেখা যাক। 

লাখো সিনেমাপ্রেমী নিয়মিত রটেন টোম্যাটোজের রেটিংয়ের উপর নির্ভর করে,  যদিও বেশিরভাগ দর্শক জানে না, রটেন টোম্যাটোজের রেটিং সিস্টেম কিভাবে কাজ করে। রটেন টোম্যাটোজের স্কোর হিসাবের প্রক্রিয়াটা খুব সহজ: প্রতিষ্ঠিত মুভি ক্রিটিকদের পজিটিভ রিভিউর ভিত্তিতে।   

খুব সরল একটা উদাহরণ দিয়া বুঝাই। 

মনে করেন, ক মুভির ক্ষেত্রে রটেন টোম্যাটোজের স্বীকৃত ক্রিটিকদের ১০০ রিভিউ আছে। এর মধ্যে ৭০ জন ক্রিটিক পজিটিভ রিভিউ দিছেন। তাহলে রটেন টোম্যাটোজে ক মুভিটার স্কোর হবে (৭০/১০০=) ৭০% 

এই সাইট 'অত্যন্ত পজিটিভ' রিভিউ আর মোটামুটি পজিটিভ রিভিউর মধ্যে কোনো পার্থক্য করে না। 

এইটা তো হাস্যকর একটা প্রক্রিয়া। 

পরিসংখ্যানে ন্যুনতম ধারণা থাকলে আপনি কখনোই ন্যুয়ান্স রিভিউর একটা সেটরে বাইনারিতে (হ্যা বা না, ১ অথবা ০, পজিটিভ বা নেগেটিভ) কনভার্ট করবেন না। করলে অনেক দরকারি ও প্রাসঙ্গিক তথ্য আপনি হারাবেন। আপনি বরং রিভিউগুলার পজিটিভিটি একটা কন্টিনিউয়াস স্কেলে (যেমন, ০-১০০ বা এ-এফ এমনকি ১-৫-এর মধ্যে) হিসাব করবেন, তারপর ওই স্কোরের গড় বা মধ্যম মানটা নেবেন।

ঠিক এই কাজটা করে এমন একটা রিভিউ সাইট আছে: মেটাক্রিটিক। এই ধরনের এগ্রেগেশন সাইটগুলার ভাল বা মন্দ যাই যেমনই ভূমিকা থাকুক, মুভির স্কোরিং এর পদ্ধতির দিক দিয়া রটেন টোম্যাটোজের চাইতে  অন্তত মেটাক্রিটিক অনেক ভালো। 

মেটাক্রিটিক ক্রিটিকদের রিভিউ নিয়া সেইগুলারে, ০-১০০ এর মধ্যে স্কোর দেয়। তারপর স্কোরগুলার গড় করে৷ এছাড়া যদিও রটেন টোম্যাটোজের চাইতে মেটাক্রিটিক স্বীকৃত ক্রিটিকদের লিস্ট ছোট, মেটাক্রিটিক যেসব ক্রিটিকের রিভিউ তাদের সাইটে জন্যে বিবেচনা করে তাদের মধ্যে নামী ও প্রতিষ্ঠিত ক্রিটিকের সংখ্যা অনুপাতে বেশি।

রটেন টোম্যাটোজ যেখানে যেখানে ১০০ ক্রিটিকের রিভিউ ইনক্লুড করে, মেটাক্রিটিক হয়তো সেখানে ৩০ জন ক্রিটিকের রিভিউ বিবেচনায় নেয়। এছাড়া অলরেডি রেস্পকেটেড ক্রিটিকদের রিভিউরে মেটাক্রিটিক বেশি ওয়েট দেয়। আর লেটারবক্সে গেলে দেখতে পাবেন মুভিগিকরা কোন মুভিগুলা নিয়া এক্সাইটেড সেইসব মুভির তালিকা। 

 

তবুও যেকোনো মুভি-র‍্যাংকিং সাইট আপনার ইগনোর করা উচিত 

কেন?  

এইটা ভাবার বোকামি কইরেন না যে এইসব সাইট মুভি বা সিরিজটা কতটা ভালো সেই ব্যাপারে কোনো অবজেক্টিভ রেটিং দেয়। উপরের চারটা সাইটেই রেটিং সিস্টেমের দূর্বলতার পাশাপাশি আরেকটা মারাত্মক বায়াস কাজ করে। 

সাইটগুলা পুরুষ দর্শকদের মতামত দিয়া ব্যাপক প্রভাবিত।

আইএমডিবিতে দ্য শশাঙ্ক রিডেম্পশন মুভিটার স্কোরই দেখেন৷ স্কোর ৯.৩ ঠিক করা হইছে প্রায় ১.৮৬ মিলিয়ন ইউজারের ভোটের ভিত্তিতে। এর মধ্যে ১.২ মিলিয়ন ভোট দিছেন পুরুষরা। আইএমডিবি যদিও র‍্যাংকিং-এ নির্দিষ্ট ডেমোগ্রাফিকসের প্রভাব কমাইতে কিছুটা অদল বদল করে, যেকোনো ফিল্মে ৭০% এর বেশি ভোটার আসলে পুরুষ৷ 

আর সাধারণত পুরুষ দর্শকদের পক্ষপাত সেইসব মুভিতে যেখানে ম্যাসকুলিন থিম বেশি বা পুরুষপ্রধান চরিত্র থাকে। 

আইএমডিবিতে চাইলে ভোটের পুরা ডেমোগ্রাফিকস দেখা যায়। একটু এক্সপ্লোর করলেই দেখবেন পুরুষরা ম্যাসকুলিন ফিল্মে বেশি রেটিং দেয়। তুলনায় ফিমেল লিডস বা ফিমেল থিমওয়ালা মুভিতে এরা প্রায় ব্যতিক্রমহীনভাবে কম রেটিং দেয়। যার প্রতিফলন ঘটে  মুভিগুলার সমন্বিত স্কোরে। 

সাহিত্য বাজারে তালিকাতেও এমন জিনিস দেখা দেখা যাবে। থ্রিলার বা গোয়েন্দাকাহিনীর রিডার মূলত পুরুষ বা কিশোর-তরুণরা। ফলে যে ওয়েবসাইটগুলায় ক্রিটিক বেশি পুরুষ সেখানে টপ টেন ধরনের লিস্টে এইসব জনরার বই বেশি আসে। একইভাবে রোম্যান্স বা ইয়াং-এডাল্ট বা এখন আরেকটা টার্ম দাড়াইছে চিকলিট। চিকলিটের পাঠক মূলত নারীরা। ফলে চিকলিট পাঠকদের বানানো লিস্টে পুরুষ লেখকদের বই খুঁজে পাইতেই আপনি হিমশিম খাবেন।

মেইল বায়াসের বিবেচনায় নিলে রটেন টোম্যাটোজও, আইএমডিবির তুলনায় খুব বেশি আলাদা না। ২০১৫ সালে মেরিল হৈচৈ শুরু করে দিছিলেন এই নিয়া যে রটেন টোম্যাটোজ মেইল ক্রিটিকদের রিভিউ প্রাধান্য দেয়। ওইসময় ওয়েবসাইট স্বীকৃত ক্রিটিকদের মধ্যে ১৬৮ জন নারী আর পুরুষ ক্রিটিক ৭৬০ জন। 

আইএমডিবি, রটেন টোম্যাটোজ বা মেটাক্রিটিক কিংবা লেটারবক্সের ব্যাপারে কোনটা সেরা টাইপ প্রত্যাশা নিয়া এই লেখায় ক্লিক করে থাকেন, আমি দুঃখিত।

তাও যদি এদের মধ্যে একান্তই র‍্যাংক করতে জোরাজুরি করেন তাহলে বলবো: 

ইন্টারনেটের বেশিরভাগ পুরুষ কোন মুভিটা বেশি পছন্দ করছে জানতে চাইলে আইএমডিবিতে চলে যান। ক্রিটিকদের প্রিয় বুঝতে চাইলে রটেন টোম্যাটোজ ঘুরে আসতে পারেন, যদিও রটেন টোম্যাটোজের চাইতে মেটাক্রিটিক বেটার। আর মুভি গিকরা কোন মুভিগুলা নিয়া এক্সাইটেড তা বুঝতে লেটারবক্সে ঢু মারতে পারেন। সাথে রেডিটেও মুভি গিকদের জন্যে বেশ কিছু ভালো সাবরেডিট আছে।  

 

তো, মুভিপ্রেমী আপনি কী করতে পারেন? 

আমি মোটিভেশনাল লেখক হইলে কিছু শর্টকাট দিয়া এইক্ষেত্রে সাফল্যের রাস্তা দেখায়ে দিতে পারতাম। কিন্তু আপনি ভুল লিংকে ক্লিক কইরা ফেলছেন! আমার কাছে কোনো শর্টকাট নাই। 

অন্যদের মতামত থেকে কোনো আর্টের ব্যাপারে যা বোঝা যায় তার চাইতে বেশি বোঝা যায় মতপ্রদানকারীদের রুচি ও মানসিকতা। সেইটা বোঝা অবশ্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে আর্টের সমঝদারি হাসিল করতে চাইলে আপনার নিজেরই বিচার-বিবেচনার বোধ তৈরি করতে হবে৷ এইট অল্প সময়ে, অঙ্কের মতো ফর্মুলা মাইনা হবে না। লাগবে দীর্ঘদিনের প্যাশন ও সাধনা। 

 

শতাব্দীর সেরা সিনেমা

শর্টকাট না থাকলেও যাওয়ার আগে এই বিষয়ে এক জোক শুনাইতে পারি। আমার স্টকে মোটামুটি যেকোনো বিষয়ে জোক থাকে। জোকটা বিশেষ করে 'শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ সিনেমা' ইন্টারনেটে যারা খুঁজে বেড়ান তাদের জন্য। এই জোকের স্রষ্টা পশ্চিমবঙ্গের স্বর্ণাভ দে:

Shawshank Redemption-কে অনেকে শতাব্দীর সেরা সিনেমা বলেন। কিন্তু এই সিনেমায় শতাব্দী অভিনয়ই করেননি। আমার মতে শতাব্দীর সেরা সিনেমা হল গুরুদক্ষিণা এবং পুত্রবধূ।

১২৩৫ পঠিত ... ১৪:৫৭, জুলাই ২৯, ২০২০

আরও eআরকি

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

আইডিয়া

কৌতুক

রম্য

সঙবাদ

স্যাটায়ার


Top