গণিত ক্লাসে দুই ধরনের শিক্ষার্থী থাকে। একদল চোখ, মুখ বুজে তৈলাক্ত বাঁশে বানর উঠার অংক করে যায়। আর এক দল গণিত ক্লাসে উদাস হয়ে ভাবতে থাকে, বাঁশে তেল কারা লাগায়? কেন লাগায়? এর পেছনে কারো কোনো স্বার্থ লুকিয়ে নেইতো? গুপ্ত সংগঠন ইলুমিনাতির কোন চক্রান্ত নয়তো এটি? এমন নানাবিধ ভাবনায় পেয়েছে eআরকির আইডিয়াবাজদেরও। তাই তারা গণিত ক্লাসে উদাস হয়ে বের করেছে ১০ টি তেলতেলে তাজা কারণ। চট করে দেখে নিতে পারেন।

১# গণিত বইয়ের বাঁশগুলো বাঁশসমাজের পলিটিক্যাল বড় ভাই। সহমত ভাইয়েরা সবসময় তেলের উপর রাখে।
২# হতে পারে এটা রাশিয়া, চীন বা উত্তর কোরিয়ার কাজ। তেলওয়ালা বাঁশের দিকে আমেরিকার মনোযোগ আটকে রেখে কুচ ডেয়ারিং কারনা থা।
৩# বাঁশগাছে উঠতে চাওয়া বানরগুলো আসলে খাঁটি বাংলাদেশি। বাংলাদেশিরা তো চায় না কেউ উপরে উঠুক। টেনে নামাতে নামাতে শক্তি খরচ হয় বেশি, সেজন্য বাঁশে তেল লাগিয়ে দেয়। যাতে কেউ উপরে উঠতে না পারে।
৪# 'ব্যাম্বো ইজ অন' বিজ্ঞাপনকে সিরিয়াসলি নিয়ে ইন্ডিয়ান ক্রিকেট ফ্যানরা গোপনে বাঁশে তেল লাগিয়ে রাখতে পারে। যাতে বাঁশ....
৫# ওদের অয়েলী ফেইস। তার উপর ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি অয়েল আউট, এইচডি গ্লো ক্রিম, ফেসওয়াশও মাখে না।
৬# এইটা পান্ডা সমাজের কাজ হতে পারে। ওরা তো বাঁশ খায়। বেশি তেলে, বেশি স্বাদ।
৭# বাঁশগুলো নিজেদেরকে বেশ রূপসী মনে করে। রূপে আগুন জ্বালিয়ে তা প্রমাণ করার জন্যই গায়ে তেল মেরে রাখে।
৮# এইগুলো মূলত মেয়ে বাঁশ গাছ। এদের মা শুধু এদের মাথায় তেল লাগিয়ে দিয়েছিলো।
৯# এটা শাইখ সিরাজ ভালো বলতে পারবে। ওনাকে দেখা যায় কলা গাছেও তেল লাগাতে।
১০# ইলুমিনাতির কাজ হতে পারে। ইলুমিনাতি কোন কাজ কেন করে তা যেমন কেউ জানে না, বাঁশে কেন তেল লাগায় তাও আমরা জানি না।

