বাংলা সিনেমার নোবেলজয়ী সব চিকিৎসা!

৮৫ পঠিত ০ ... ১১ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে

 

বাংলা সিনেমায় এমন কিছু চিকিৎসাপদ্ধতি আছে, যেগুলো আবিষ্কার হলে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল দেওয়ার জন্য আলাদা ক্যাটাগরি খুলতে হতো! আসুন, জেনে নিই রুগীকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনা সেই যুগান্তকারী সব চিকিৎসা।

১.

দ্য কমপ্ল্যান সং

এই পদ্ধতিতে শিশুরা একটি নির্দিষ্ট গান গাইলেই বড় হয়ে যায়। তবে গান গাওয়ার সময় সামান্য লাফাতেও হয়। চিকিৎসাশাস্ত্রে এই পদ্ধতির উদ্ভাবন প্রথম করেছিলেন খেলোয়াড় জাহান মন্টু।

২.

হিট অ্যান্ড রিমাইন্ড

মাথায় আঘাত পেলে অনেকেই স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলে। কিন্তু সেই স্মৃতিশক্তি এক চটকানায় ফিরিয়ে আনতে অব্যর্থ এই টোটকা। মাথার গিট্টু নিমেষেই ছুটিয়ে আপনাকে মনে করিয়ে দেবে আপনার অতীতের সকল সু ও কুকর্ম!

৩.

সাকশন

সাপের ছোবলে ডাক্তার-ওঝাদের বুড়ো আঙুল দেখিয়েছে মুখ দিয়ে টেনে বিষ বের করার এই সাহসী পদ্ধতি। ধারণা করা হয়, এই পদ্ধতির জনক সাপুড়ে আহমেদ শরীফ, মতান্তরে নাগিন নূতন।

৪.

কনফার্ম সুখবর

আপনার কি মাথা ঘোরায়? বমি বমি লাগে? টক খেতে মনে চায়? প্রেসার মাপার যন্ত্র না থাকলেও শুধু হাতের স্পন্দন অনুভব করেই বলে দিতে পারবেন, বাড়িতে নতুন অতিথি আসছে! এই পদ্ধতির জনক বর্তমান হার্টথ্রব বাহাঙ্গীর কবির।

৫.

ওঠ রাজু, ওঠ!

মার খেতে খেতে আপনি যখন জ্ঞান হারিয়ে প্রায় মৃত্যুপথযাত্রী, আপনার পরিবারের কেউ কিংবা সুন্টুমনা (বফ/গফ) তখন আপনাকে দূর থেকে ডাকলে বুঝতে পারবেন, আপনার শিরা-উপশিরায় এসেছে এক নতুন প্রাণশক্তি। আপনি ইয়া ঢিসুমাইক বলে উঠে পড়েছেন এর মধ্যেই।

৬.

স্মৃতি-ফ্ল্যাশব্যাক থেরাপি

পুরোনো গান বাজলেই হারানো স্মৃতি একে একে ফিরে আসার এই পদ্ধতির আবিষ্কারক কোটি কোটি নারীর ক্রাশ কোমর সানি। আপনি স্মৃতিভ্রষ্ট হলেও সমস্যা নেই, একটা গান কোড করে রাখুন। ব্যস!

৭.

কিল-ঘুষি দাওয়াই (সিঙ্গেলদের অধিকার নেই)

এই পদ্ধতির অর্থ, আপনি আর আমাদের মধ্যে নেই।

ঠিক সেই পিক মোমেন্টে আপনার লাভার (অন্য কেউ দিলে কাজ করবে না) আপনাকে ধমাধম কিল-ঘুষি দেবে আর বলবে, এ হতে পারে না!

তখনই মনিটরে আপনার পালস নতুন করে খেলা শুরু করবে। ইয়ে মানে, অক্সিমিটারের বিল কিন্তু ৫০০!

৮৫ পঠিত ০ ... ১১ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে

Top ​