ক্রসফায়ার লাভার আইজিপি সাহেবকে নিজের পরবর্তী সিনেমায় কাস্ট করতে চান অ্যানিমেল ডিরেক্টর সন্দীপ রেড্ডি বঙ্গা

৭ পঠিত ০ ... ১ ঘন্টা ৪০ মিনিট আগে

 


দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে যখন নানা প্রশ্ন, ঠিক তখনই বাংলাদেশের পুলিশপ্রধানের একটি বক্তব্য আন্তর্জাতিক বিনোদন অঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে। ক্রসফায়ারের প্রতি নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করে দেশে সমালোচনার মুখে পড়লেও আন্তর্জাতিক মহলে নাকি বেশ প্রশংসা কুড়াচ্ছেন আইজিপি সাহেব। আর তাতেই তার ওপর নজর পড়েছে বলিউডের আলোচিত পরিচালক সন্দীপ রেড্ডি বঙ্গার। সূত্রের দাবি, অ্যানিমেল সিনেমায় সহিংসতার যে নান্দনিক উপস্থাপনা দেখা গেছে, তার পরবর্তী ধাপে এবার বাস্তব জীবনের সহিংসতাপ্রেমীদের নিয়ে কাজ করতে চান বঙ্গা। আর সেই পরিকল্পনায় বাংলাদেশের আইজিপি সাহেবকে মনে ধরেছে তার।

আমাদের এক কাল্পনিক সাক্ষাৎকারে বঙ্গা বলেন, দেখুন, আমি ভায়োলেন্স লাভার। আমার সিনেমায় ভায়োলেন্সকে আমি এমনভাবে উপস্থাপন করি, যেন দর্শক পপকর্ন খেতে খেতে ভুলে যান যে পর্দার ওপাশে মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। কিন্তু আইজিপি সাহেবের বক্তব্য শুনে বুঝলাম, উনি তো আমার চেয়েও কয়েক ধাপ এগিয়ে। আমি যেখানে ভায়োলেন্সকে ক্যামেরার সামনে রাখি, উনি সেখানে পুরো বিষয়টাকে বাস্তব জীবনের আলোচনায় নিয়ে এসেছেন। এমন প্রতিভা কি আর উপেক্ষা করা যায়? বঙ্গা আরও জানান, তিনি আইজিপি সাহেবকে নিয়ে একটি বায়োপিক বানাতে চান, যার সম্ভাব্য নাম হতে পারে ক্রসফায়ার লাভার: দ্য আনটোল্ড স্টোরি। সিনেমাটিতে আইজিপি সাহেব নিজেই নিজের চরিত্রে অভিনয় করবেন। এতে বাস্তবতা ও অভিনয়ের মধ্যে দূরত্ব কমে আসবে বলে মনে করছেন পরিচালক। আমার সিনেমার নায়কেরা সাধারণত নিজেদের নৈতিকতা নিয়ে খুব একটা চিন্তিত থাকে না। তারা যা করে, তা-ই তাদের কাছে ন্যায়বিচার।

এদিকে বলিউডের একটি কাল্পনিক কাস্টিং সূত্র জানিয়েছে, সিনেমাটিতে প্রচলিত ভিলেনের চরিত্রটি নিয়ে পরিচালক এখনো সিদ্ধান্ত নেননি। কারণ, বাস্তবতা থেকে অনুপ্রাণিত গল্পে ভিলেনকে আলাদা করে খুঁজতে গিয়ে তিনি কিছুটা বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছেন। তার ভাষায়, যখন ক্ষমতাবান চরিত্র নিজেই নিজের কাজের পক্ষে যুক্তি দাঁড় করায়, তখন চিত্রনাট্যে ভিলেন কে হবে, সেটা ঠিক করা বেশ কঠিন। সিনেমাটির সম্ভাব্য চিত্রনাট্য নিয়ে কাজ করতে গিয়ে বঙ্গা নাকি একটি নতুন ঘরানার কথাও ভাবছেন, রিয়েলিটি-ভিত্তিক অ্যাকশন ড্রামা। এই ঘরানায় কাল্পনিক সহিংসতার জন্য আলাদা করে কোনো সেট বানাতে হবে না; বরং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা, জননিরাপত্তা, নাগরিক অধিকার ও জবাবদিহির মতো বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করেই তৈরি হবে গল্পের সংঘাত।

অন্যদিকে সিনেমাটির স্ক্রিপ্টরাইটার বলেন, তিনি সিনেমার শেষ দৃশ্যে একটি কালজয়ী ডায়লগ ভেবেছেন যেখানে, আইজিপি সাহেব ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে বলবেন, সালা মারবো এখানে, লাস পড়বে সসানে। তবে আমাদের প্রতিবেদক এটি মিঠুন চক্রবর্তী ডায়লগ বলে প্রতিবাদ জানালে, স্ক্রিপ্টরাইটার ভাই কলটি কেটে দেন।

৭ পঠিত ০ ... ১ ঘন্টা ৪০ মিনিট আগে

Top ​